কিউরিয়াস কেইস অব জসিম: বাংলা সিনেমার oops ফেনোমেননঢালিউডের প্রথম মেগাস্টার, নায়ক জসিমের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এক সময়ের এ্যাকশন সুপারস্টার জসিমের লিগেসি কেমন? কিভাবে জসিমের সিনেমা দেখতেছে তরুণ প্রজন্ম? জসিম কিভাবে হয়ে উঠছে মিম ম্যাটেরিয়ালের উৎস?
গণকযন্ত্র টনকযন্ত্র: আইডেন্টিটি পলিটিক্সের নতুন ট্রেন্ডএতকাল জানতাম জগতের তিনভাগ জল আর একভাগ স্থল। কমোডে বসে ফেসবুক স্ক্রোল করে নতুন জ্ঞানপ্রাপ্তি ঘটল। জানলাম এর মধ্যে জল-স্থলের বাইরে আছে শাহবাগী, জামাতি, এমনকি শাপলাবাগীও। খুঁজেপেতে দেখলাম কোথাও দেওয়ানবাগী কেউ আছেন কি না!
আত্মজৈবনিক রচনার সীমারেখা: লেখকের নৈতিকতাবোধ বনাম ক্রিয়েটিভ ফ্রিডমের দ্বন্দ্বহুমায়ূন আহমেদ যখন লেখালেখি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না সে যুগে; কিন্তু ব্যক্তিগত জীবন থেকে নির্মিত কন্টেন্ট পাঠকদের সার্ভ করতে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তিনি কি আত্মজীবনীমূলক লেখার মাধ্যমে এই কাজগুলো করতেন?
আপনি জম্বি-জগতে বাস করছেন না তোজম্বিরা শেয়ার বাজারের ‘ভ্যালু স্টক’। জম্বিরা কথা বলে না, শরীর থেকে রস চুঁইয়ে পড়ে আর মগজটাও অকেজো। কিন্তু ওরা এমন এক বস্তু, যার বাজারদর কখনো কমে না। এর যেন কোনো সীমা-পরিসীমা নেই।
তাহসান: অনুশোচনায় পরাভূত সুর ও স্বরতাহসানের প্রথম সলো অ্যালবাম ‘কথোপকথন’। জি সিরিজের ব্যানারে রিলিজ হয় ২০০৪ সালে। অর্থাৎ একুশ বছর আগে। হালচালে এসে যখন তিনি গান ছাড়ার ঘোষণা দেন; তখন জানান, এ বয়সে এসে ‘দূরে তুমি দাঁড়িয়ে’ আর গাইতে চান না।
সবাই কেন ‘স্বপ্নীলের বন্ধু’ হতে চায়গতকাল থেকে ফেসবুকে দেখতেছি, সবাই বন্ধু হইতে চায়। আমার বন্ধু হইতে চায় না। ডিয়ার রিডার, আপনারও বন্ধু হইতে চায় না, স্যরি; সবাই বন্ধু হইতে চায় স্বপ্নীলের।
কোয়ায়েট কুয়িটিং: কর্মক্ষেত্রে জেন-জির নতুন ট্রেন্ডজেন-জি’রা কর্মী হিসেবে অলস। এই অভিযোগ কর্পোরেট বস মহলে কমন। আসলেই কি তাই? জেন-জি’রা কর্মক্ষেত্রে ঢুকেছে অল্প কিছুদিন হল। কিন্তু এরই মধ্যে চাকরি ছাড়ার রেটে তারা এগিয়ে আছে, চাকরিতে তারা পুরো মনোযোগ দেয় না –এসব নালিশ তাদের বিরুদ্ধে প্রবল। আরেকদিকে জেন-জি টিকটকার, রিলমেকার, লেখকরা বলছে এই প্রবণতাগুলো সত
যেসব সিনেমা দেখলে আপনার ‘জাত’ চলে যাবেআপনি হয়তো ভাবছেন দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি বা ডেঙ্গুই সমাজের প্রধান শত্রু। কিন্তু না, এই দেশে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর জিনিস কিন্তু আপনার সিনেমার রুচি। ভুল সিনেমা দেখে ফেললে আপনি শুধু আজিব চিড়িয়াই নন, বরং চলমান সামাজিক কলঙ্ক।
ফটো ডাম্পিং: জেনজি যেভাবে সোশাল মিডিয়ার নতুন ওবায়দুল কাদের হয়ে উঠছেএকসাথে গাদাখানেক ছবি, ক্যাপশনে লেখা হ্যাশট্যাগ ফটোডাম্প–এমন পোস্ট কি আপনার নিউজফিডেও ঘোরাফেরা করছে? আপনিও কি একই পোস্টে পরপর পোস্টদাতার সেলফি, ঘাস-লতাপাতা, খাবারের জুম করা ছবি দেখে কনফিউজড? ভেবে পাচ্ছেন না কী রিঅ্যাকশন দিবেন? তাহলে আপনার মত বুমারের জন্যই এই লেখা।
চুদলিং পং: দ্য নিউয়েস্ট বাংলা স্ল্যাংঅপরাপর ভাষার মতো বাংলাতেও সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন শব্দ, এক্সপ্রেশন। ইয়ুথের ভাষা, বিশেষত স্ল্যাং সবসময়ই বর্নিল ও এনার্জেটিক। পপুলার কালচারে সৃষ্ট নতুন নতুন শব্দ ও ভঙ্গিকে নিয়মিত আর্কাইভিং করতে চায় পপ স্ট্রিম। আজ এই সিরিজের প্রথম পর্ব।
কেন বাঁশ খায় পাণ্ডা আর কফিল খায় সান্ডা?আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস। পান্ডা বাঁশ খায়, মানুষও খায়; তবে মেটাফোরিকালি। অনেকের মতে, বিশ্ব রাজনীতি চলে আসলে বাশ-সান্ডা তত্ত্ব অনুযায়ী। এই তত্ত্ব আমাদেরকে জানায়, বিশ্ব রাজনীতিতে, পান্ডা কেন বাঁশ খায় আর কফিল কেন সান্ডা খায়।
একটি ফেসবুক বটের আত্মকাহিনিআজ নিজের আত্মকথা শোনাবার জন্য প্রাণটা আইঢাঁই করছে। কত আর অন্যের কমেন্ট বক্স আর মেসেঞ্জারে গুঁতোগুঁতি করে বেড়াব? মাঝে সাঝে তো নিজের কথাও বলতে ইচ্ছা করে। মানছি, আমার কোনো মন নেই। তাই বলে কি ‘মনের কথাও’ থাকতে নেই?
এটা কি সত্যের শেষ জমানাতথ্যের কেয়ামত বা ইনফরমেশন এপক্যালিপ্স শুরু হয়ে গেছে– এ কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যায়। চারিদিকে তথ্যের ছড়াছড়ি, কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা বোঝা দুষ্কর। অনেকেই মানছে না মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার বুলি, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল। জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রোপাগান্ডা। মিসইনফরমেশনকে টক্কর দিতে ফ্যাক্ট চেকি
‘প্যারা নাই, চিল’-এর দর্শন‘প্যারা নাই, চিল’ দর্শনের সূচনা করেছিলেন টাক মাথার এক দার্শনিক। নাম এপিকিউরাস। খ্রিস্টপূর্ব ৩৭১ সালে সামোসে জন্ম। ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গে তিনি খেলাধুলা তেমন করেননি, পাবজি ও টিকটক তখনও আসেনি, তাই তিনি সময় কাটাতেন একটা কাজ করতেই। সেই কাজের নাম ‘ভাবনা’। আর ভাবতে ভাবতেই এপিকিউরাস বুঝলেন, মানুষ জীবনে
আলেকজান্ডারকে ‘ফ্লেক্স করা’ শিখিয়েছিলেন যে বুড়োলোকটা ছিল একেবারে ওজি মিনিমালিস্ট ইনফ্লুয়েন্সার। বাড়ি-ঘর নাই, ধনসম্পদ নাই, গ্ল্যামার নাই। সে মানি হাইস্ট-এর বার্লিনের মতো ক্ষমতালোভী নয়, বরং এমন এক অ্যান্টি-হিরো, যে সবার নজর কাড়ে কিন্তু কারো ধনরত্ন কাড়ে না। আপোষহীন, প্রথাভাঙা এই দার্শনিককে নিয়েই এই লেখা।
ভালোবেসে ‘ভালো’ হয়ে যাওয়া: আইরিস মারডক, নৈতিকতা ও প্রেমনৈতিকতার মূলে কী আছে? মানবতা? সামাজিক-ধর্মীয় রীতিনীতি? কোনো আধ্যাত্মিক দর্শন? বোধিপ্রাপ্তি? লেখক-দার্শনিক আইরিস মারডকের মতে নৈতিকতার চালিকাশক্তি এসব কিছুই নয়, বরং ভালবাসা। ভালবাসা অপরজনকে আপনজন বানায়, ‘অন্য’-কে বুঝতে শেখায়। কঠিন পোলারিটির যুগে ফিরে দেখা মারডকের ভাবনাকে। কলিকালে মারডকের চিন্তা আদৌ কি
রোমন্থনের রাজনীতি: জেনজি'র রেট্রোমেনিয়ানস্টালজিয়া আমাদেরকে দিয়ে শুধু স্মৃতি রোমন্থন না, সেইসাথে স্মৃতির দুনিয়ারে পুনঃপ্রতিষ্ঠাও করাইতে চায়। ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ থেকে শুরু করে মোদির ‘রামরাজ্য’, সবটাই একটা আদর্শ অতীতের ছবিরে কেন্দ্র করে নির্মিত স্বৈরাচারী প্রকল্প।