বিশ্বকাপের নক্ষত্র–৭
স্পোর্টস ডেস্ক

আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘উইং’ ও ড্রিবলিং ‘মাস্টার’ বলা হয় লুইস দিয়াজকে। বাঁপ্রান্ত থেকে ডান পায়ে কাট-ইন করে গোলবারে শর্ট নিতে পারদর্শী তিনি।
২৯ বছর বয়সী লুইস দিয়াজ মূলত লেফট উইঙ্গার। কলম্বিয়া দলে ৭ নম্বর এবং ক্লাবে ১৪ নম্বর জার্সি পরেন তিনি। বর্তমানে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে খেলছেন দিয়াজ।
দিয়াজকে নিয়ে হামেস রদ্রিগেজ বলেছিলেন, দিয়াজ মাটির মানুষ। আমি আশা করি, জাতীয় দলের হয়ে সে যেনো মেজর ট্রফি জেতে।
এফসি পোর্তোর হয়ে পর্তুগিজ লিগ ও কাপ জেতার পর লিভারপুলে যোগ দেন দিয়াজ। অলরেডদের হয়ে ২০২২ সালে এফএ কাপ, ইংলিশ সুপার কাপ, প্রিমিয়ার লিগ এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের রানার্স-আপ মেডেল অর্জন করেন। এবারের ২০২৫-২৬ মৌসুমে বুন্দেসলিগা ও জার্মান সুপার কাপও ঝুলিয়ে নিয়েছেন দিয়াজ।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ২০২১ কোপা আমেরিকায় লিওনেল মেসিরর সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৪ গোল) হন।পাশাপাশি কলম্বিয়াকে তৃতীয় স্থান এনে দেন।

কলম্বিয়া জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৭২ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন দিয়াজ। ব্রাজিলের বিপক্ষে তাঁর জোড়া গোল চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
লিভারপুলের হয়ে ৪১ গোল ও ২৩ এসিস্ট করেন দিয়াজ। পর্তুগিজ ক্লাব এফসি পোর্তোর হয়ে করেন ৪১ গোল ও ১৯ এসিস্ট। এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে করেছেন ২৬ গোল ও ২২ এসিস্ট।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাদ পড়ে কলম্বিয়া। এবারের বিশ্বকাপ লুইস দিয়াজের ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ। লাতিন আমেরিকার অন্যতম সেরা এই উইঙ্গার এখন কলম্বিয়ার মূল ভরসা।
লুইস দিয়াজ কলম্বিয়ার এক চরম অবহেলিত আদিবাসী ‘ওয়াইউ’ সম্প্রদায়ের। শৈশবে অপুষ্টির শিকার হওয়ায় তাঁর ওজন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। এই কারণে অনেক ক্লাব ট্রায়ালেই তাঁকে বাদ দেয়। কিন্তু অদম্য ইচ্ছা আর ফুটবল জাদুকে পুঁজি করে তিনি কলম্বিয়ার ঘরোয়া লিগ থেকে পোর্তোতে যান। সেখান থেকে লিভারপুল খেলে অবশেষে পাড়ি জমান বায়ার্ন মিউনিখে।
২০২১ কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা ও পেরুর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিকে গোল করেন দিয়াজ। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে লিভারপুলের হ্যাটট্রিকের কীর্তি রয়েছে এই তারকার।

আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘উইং’ ও ড্রিবলিং ‘মাস্টার’ বলা হয় লুইস দিয়াজকে। বাঁপ্রান্ত থেকে ডান পায়ে কাট-ইন করে গোলবারে শর্ট নিতে পারদর্শী তিনি।
২৯ বছর বয়সী লুইস দিয়াজ মূলত লেফট উইঙ্গার। কলম্বিয়া দলে ৭ নম্বর এবং ক্লাবে ১৪ নম্বর জার্সি পরেন তিনি। বর্তমানে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে খেলছেন দিয়াজ।
দিয়াজকে নিয়ে হামেস রদ্রিগেজ বলেছিলেন, দিয়াজ মাটির মানুষ। আমি আশা করি, জাতীয় দলের হয়ে সে যেনো মেজর ট্রফি জেতে।
এফসি পোর্তোর হয়ে পর্তুগিজ লিগ ও কাপ জেতার পর লিভারপুলে যোগ দেন দিয়াজ। অলরেডদের হয়ে ২০২২ সালে এফএ কাপ, ইংলিশ সুপার কাপ, প্রিমিয়ার লিগ এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের রানার্স-আপ মেডেল অর্জন করেন। এবারের ২০২৫-২৬ মৌসুমে বুন্দেসলিগা ও জার্মান সুপার কাপও ঝুলিয়ে নিয়েছেন দিয়াজ।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ২০২১ কোপা আমেরিকায় লিওনেল মেসিরর সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৪ গোল) হন।পাশাপাশি কলম্বিয়াকে তৃতীয় স্থান এনে দেন।

কলম্বিয়া জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৭২ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন দিয়াজ। ব্রাজিলের বিপক্ষে তাঁর জোড়া গোল চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
লিভারপুলের হয়ে ৪১ গোল ও ২৩ এসিস্ট করেন দিয়াজ। পর্তুগিজ ক্লাব এফসি পোর্তোর হয়ে করেন ৪১ গোল ও ১৯ এসিস্ট। এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে করেছেন ২৬ গোল ও ২২ এসিস্ট।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাদ পড়ে কলম্বিয়া। এবারের বিশ্বকাপ লুইস দিয়াজের ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ। লাতিন আমেরিকার অন্যতম সেরা এই উইঙ্গার এখন কলম্বিয়ার মূল ভরসা।
লুইস দিয়াজ কলম্বিয়ার এক চরম অবহেলিত আদিবাসী ‘ওয়াইউ’ সম্প্রদায়ের। শৈশবে অপুষ্টির শিকার হওয়ায় তাঁর ওজন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। এই কারণে অনেক ক্লাব ট্রায়ালেই তাঁকে বাদ দেয়। কিন্তু অদম্য ইচ্ছা আর ফুটবল জাদুকে পুঁজি করে তিনি কলম্বিয়ার ঘরোয়া লিগ থেকে পোর্তোতে যান। সেখান থেকে লিভারপুল খেলে অবশেষে পাড়ি জমান বায়ার্ন মিউনিখে।
২০২১ কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা ও পেরুর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিকে গোল করেন দিয়াজ। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে লিভারপুলের হ্যাটট্রিকের কীর্তি রয়েছে এই তারকার।

বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা যখন ৪৮ দলের বিশ্বকাপেই মানিয়ে নিচ্ছে, তখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভাবছেন আরও বড় কিছু। পুরুষদের বিশ্বকাপ ৪৮ থেকে ৬৪ দলে উন্নীত করার প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
৬ ঘণ্টা আগে
কয়েক বছর আগেও হারের বৃত্ত আর শূন্য গ্যালারি ছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের বাস্তবতা। তবে গত দেড়-দুই বছরে এই দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে উঠলেও শিকড়ের টানে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে বাংলাদেশে আসছেন প্রবাসী ফুটবলাররা। হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের মতো তারকাদের হাত ধরে নতুন পথ দেখছে
১২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের ১০০ লড়াই শেষে এখন বাকি শেষ চার ম্যাচ। ৪৮ দলের এই মহাযজ্ঞে টিকে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।
১২ জুলাই ২০২৬
অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তের জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ চারে পা রাখল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় ছিলো ম্যাচ। ১১২ মিনিটে মাঠের সব সমীকরণ বদলে দেন জুলিয়ান আলভারেজ।
১২ জুলাই ২০২৬