ঢাবিতে যুদ্ধাপরাধীদের ছবি প্রদর্শন: মুখোমুখি শিবির ও বামপন্থীরাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছে ছাত্রশিবির ও বামপন্থী সংগঠনগুলো। বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর দাবি ‘একাত্তর প্রশ্ন’ সমাধান না করে ছাত্রশিবিরের রাজনীতি করার বৈধতা নেই। অন্যদিকে শিবির বলছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঐক্যবদ্ধ জনতাকে ‘পাকিস্তানি’, ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়ে বিভক্ত করতে চাচ্ছে বামপন্থীরা।
শিবিরের প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের ছবি, বামপন্থীদের আপত্তিতে সরাল ঢাবি প্রশাসনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ লিখেছেন, আমাদের তিন দিনব্যাপী আয়োজনের ফটোফ্রেমগুলোর একটা অংশ নিয়ে কুতর্ক এবং মব সৃষ্টি করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট।
নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত অনেক শিবিরকর্মী পার পেয়ে যাচ্ছেন, একা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কাদেরেরশিবিরের যেসব কর্মী নিজেদের পরিচয় গোপন করে হলে থাতেন, তাঁরা নিজেদের পরিচয় লুকাতে অতি উৎসাহী ভূমিকা নিতেন। নিজেদের ছাত্রলীগ প্রমাণ করতে ছাত্রলীগের সঙ্গে নির্যাতনে শামিল হতেন এবং ‘ছাত্রলীগের কালচার’ চর্চা করতেন। সেইসব অপরাধীরা এখন বহাল তবিয়তে আছেন আছেন শিবিরের বড় পদে।
জামায়াতের জনসভায় সাদিক কায়েমসাত দফা বাস্তবায়ন না হলে আরেকটি বিপ্লবের ডাক দিতে হবেবাংলাদেশ প্রশ্নে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি সাদিক কায়েম। আজ ১৯ জুলাই জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় সাদিক কায়েম এ আহ্বান জানান।