স্ট্রিম প্রতিবেদক

পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত শরিয়াভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (সিবিআইবি)’ সরকারের বিশেষ সুকুক প্রকল্প ‘বাংলাদেশ সরকার স্পেশাল সুকুক-১’-এ ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এটি ব্যাংকটির প্রথম সুকুক বিনিয়োগ। সরকারি সুকুকে একক কোনো ব্যাংকের এটি সর্বোচ্চ বিনিয়োগ। পাশাপাশি, এটি নবগঠিত এই ব্যাংকের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগও।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সুকুক বিনিয়োগের সনদ হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়ার হাতে সুকুক ইস্যুর সার্টিফিকেট তুলে দেন।
শরিয়াহ পদ্ধতিতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে সরকার এই সুকুক বা ইসলামী বন্ড ছাড়ে। এর আগে সরকার ব্যাংকটিকে ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন দেয়। তারই অর্ধেক এই বন্ডে বিনিয়োগ করল ব্যাংকটি।
জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি এই বিশেষ সুকুক প্রকল্পের অর্থ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এর আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত সরকারি কর্মচারীদের সাতটি আবাসন প্রকল্প এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় পরিচালিত নির্দিষ্ট রেল সেবার উন্নয়ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ব্যাংকটির অনুকূলে এই সুকুক ইস্যু করা হয়। সুকুকটি সম্পদভিত্তিক হওয়ায় এটি শরিয়াহসম্মত ও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এই বিনিয়োগের বিপরীতে ব্যাংকটি প্রতি ছয় মাসে বার্ষিক ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মুনাফা পাবে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংকটির সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
এ ছাড়া লেনদেনযোগ্য সিকিউরিটিজ হওয়ায় প্রয়োজনে ব্যাংকটি সুকুকের মালিকানা হস্তান্তর করতে পারবে। প্রয়োজনবোধে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সুবিধা গ্রহণেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই বিনিয়োগ ব্যাংকটির আর্থিক সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি, শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে আমানতকারীদের আস্থাও আরও বাড়বে।

পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত শরিয়াভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (সিবিআইবি)’ সরকারের বিশেষ সুকুক প্রকল্প ‘বাংলাদেশ সরকার স্পেশাল সুকুক-১’-এ ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এটি ব্যাংকটির প্রথম সুকুক বিনিয়োগ। সরকারি সুকুকে একক কোনো ব্যাংকের এটি সর্বোচ্চ বিনিয়োগ। পাশাপাশি, এটি নবগঠিত এই ব্যাংকের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগও।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সুকুক বিনিয়োগের সনদ হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়ার হাতে সুকুক ইস্যুর সার্টিফিকেট তুলে দেন।
শরিয়াহ পদ্ধতিতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে সরকার এই সুকুক বা ইসলামী বন্ড ছাড়ে। এর আগে সরকার ব্যাংকটিকে ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন দেয়। তারই অর্ধেক এই বন্ডে বিনিয়োগ করল ব্যাংকটি।
জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি এই বিশেষ সুকুক প্রকল্পের অর্থ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এর আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত সরকারি কর্মচারীদের সাতটি আবাসন প্রকল্প এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় পরিচালিত নির্দিষ্ট রেল সেবার উন্নয়ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ব্যাংকটির অনুকূলে এই সুকুক ইস্যু করা হয়। সুকুকটি সম্পদভিত্তিক হওয়ায় এটি শরিয়াহসম্মত ও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এই বিনিয়োগের বিপরীতে ব্যাংকটি প্রতি ছয় মাসে বার্ষিক ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মুনাফা পাবে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংকটির সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
এ ছাড়া লেনদেনযোগ্য সিকিউরিটিজ হওয়ায় প্রয়োজনে ব্যাংকটি সুকুকের মালিকানা হস্তান্তর করতে পারবে। প্রয়োজনবোধে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সুবিধা গ্রহণেও এটি ব্যবহার করা যাবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এই বিনিয়োগ ব্যাংকটির আর্থিক সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি, শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে আমানতকারীদের আস্থাও আরও বাড়বে।

চলতি অর্থবছরের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও বিশ্বব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে, আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার গতি পাবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে লুট হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৪ ও ২০২৫—এই দুই বছরে জমানো টাকার ওপর কোনো মুনাফা বা লাভ পাবেন না গ্রাহকরা।
১৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কোনো স্থল কাস্টমস স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করলেও সেই স্টেশনের অনুকূলে ইস্যু করা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সের কার্যকারিতা আগের মতো আর বাতিল করা হবে না। তারা যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং এবং ফরোয়ার্ডিং সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ পাবেন।
১ দিন আগে
দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার বেশি দামে সিলিন্ডার কেনায় বেড়েছে রান্নার খরচ। এতে খাবারের দাম বাড়ানোয় ক্রেতা কমায় আরও লোকসান গুণতে হচ্ছে।
২ দিন আগে