আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ–৭
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর অষ্টম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বুধবার চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
তারেক অণু

মধ্যরাতে ওয়াশিংটন ডিসির ইউনিয়ন বাস স্টেশনে নেমেই অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হলো। এমনিতেই গ্রে হাউন্ড বাসটার বসার আসন খুব একটা আরামদায়ক ছিল না। পাঁচ ঘণ্টার যাত্রা, কিন্তু আসন হেলানোর কোনো উপায় নেই! কাহাতক আর এভাবে ৯০ ডিগ্রি হয়ে বসে থাকা যায়।
বাস থেকে নামার পর দেখি ওয়েটিং রুমের সারি সারি চেয়ারে মূলত কৃষ্ণাঙ্গরা অপেক্ষা করছে। কয়েকজন কয়েকটা চেয়ার জুড়ে ঘুমাচ্ছে। ঠিক তখনই পুলিশ এসে কড়া গলায় বলল, যাদের কাছে ট্রেনের টিকিট আছে, শুধু তারাই এখানে থাকতে পারবে, অন্য সবাইকে বেরিয়ে যেতে হবে।
বুঝলাম, আর দশটা বড় শহরের মতো এখানেও গৃহহীন মানুষরা চেষ্টা করে রাতটা কোনোভাবে এই ছাদের নিচে কাটিয়ে দিতে। আমাদেরও টিকিটের কথা জিজ্ঞেস করল পুলিশ। জানালাম, আমরা কেবল নিউইয়র্ক থেকে এসেছি। বন্ধু গাড়ি নিয়ে পথে আছে, এলেই চলে যাব। পুলিশ আবার বলল, ‘দেখো, বেশি দেরি কইরো না।’

কিছু সময় পরেই রেজোয়ান এসে হাজির। ষ্টেশন থেকে বের হতেই ইউএস ক্যাপিটাল (হাউজ অফ কংগ্রেস) ভবন ঝকঝক করছে চাঁদের আলোয়। গাড়ী নিয়ে সামান্য এগোতেই সুবিখ্যাত সুউচ্চ ন্যাশনাল মনুমেন্ট, সেই অবেলিস্ককে চোখে পড়ল। ওয়াশিংটন ডিসির কোনো ছবি বললেই এই স্থাপনাটা দেখা যায়। সিনেমাতে তো বটেই, কারণ এলিয়েনরা এসেই গুলতি মেরে এটাকে আগে ভেঙে ফেলে!
এরপর পটোম্যাক নদীর তীরে দেখলাম জেফারসন মেমোরিয়াল। খানিক পরেই স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরগুলোর সারি। সরাসরি বাড়ি না গিয়ে রেজোয়ান ভাই কিছুক্ষণ ঘুরিয়ে পুরো শহরটা মোটামুটি চিনিয়ে দিলেন। এই শহরেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশ থেকে কৈশোরে পরিবারের সঙ্গে চলে এসেছেন। গত দশ বছর ধরে এখানেই আছেন। তাঁর গাড়িতেই চলবে আমাদের ‘আমেরিকান ড্রিম’ ট্রিপ।
পরদিন সকালে উঠেই সবার আগে গেলাম এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়ামে। ডিসিতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে গাড়ি পার্কিং। মেরিল্যান্ড আর ভার্জিনিয়া থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে অফিস করতে আসে। এত গাড়ি ঢোকে যে দিনের বেলা পার্কিং নিয়ে এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে।

সেই ঝামেলা পার করে জাদুঘরে ঢুকতেই দেখি মাথার ওপরে সারি সারি বিমান ঝুলছে। এক কোণে রাখা আছে ‘দ্য স্পিরিট অব সেন্ট লুই’ সেই ছোট্ট বিমান, যেটিতে করে চার্লস লিন্ডবার্গ প্রথম মানুষ হিসেবে আটলান্টিক মহাসাগর একটানা পাড়ি দিয়েছিলেন।
পাশেই আছে মার্কারি–৬ মহাকাশযানের ক্যাপসুল। এই ক্যাপসুলেই চড়ে জন গ্লেন প্রথম আমেরিকান হিসেবে পৃথিবীকে পুরো একবার প্রদক্ষিণ করে ইতিহাস গড়েছিলেন।
আর তার পাশেই সেই মূল কারণ যার জন্য আমরা এসেছি এখানে। সেই চন্দ্রশীলা বা চাঁদের পাথর (মাটি নয়)! চাঁদ থেকে আনা পাথর পৃথিবীর অনেক জায়গাতেই আছে। কিন্তু শুনেছিলাম, এখানে নাকি সেই পাথর ছুঁয়ে দেখা যায়। ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করার পর অবশ্য জানতে পারলাম টেক্সাসের হিউস্টনে এবং ফ্লোরিডার নাসা সেন্টারেও চাঁদের শীলা ছুঁয়ে দেখা যায়।
সেই মুহূর্তের অনুভূতিটা কীভাবে বোঝাই! কী অপূর্ব থরথর অজানা অনুভূতি! সুদূরের চিরচেনা চাঁদের এক অংশ মিলে গেছে আমার দেহের এক অংশের সঙ্গে। কত নির্ঘুম রাত কেটেছে এই চাঁদ দেখেই, সেই চাঁদের অংশ আজ আমার সাথী ক্ষণিকের তরে হলেও।

আমাকে যদি বলা হয়, কোথায় যেতে চাই জীবনে? আমি চাইব যেখানে সারা জীবন কাটালাম সেই পৃথিবীটাকে একবার দেখতে, নীল একটা বলের মতো যে ঝুলে আছে মহাশুন্যে। যেখানে আমাদের উদ্ভব-জন্ম-মৃত্যু, তাকে একবার দূর থেকে দেখতে বড় সাধ হয়।
এই জাদুঘরের কোণে কোণে লুকিয়ে আছে অজস্র গুপ্তধন। একটা ঘরে রাখা আছে ইতিহাসের সেই বিখ্যাত দুই ভাইয়ের স্মৃতি, সাইকেল মেকানিক থেকে বিমান আবিষ্কারক হয়ে ওঠা উইলবার ও অরভিল রাইট। সেখানে সযত্নে রাখা আছে পৃথিবীর প্রথম বিমান ‘কিটি হক’। কী যে রোমাঞ্চ চারিদিকে!
কিংবদন্তি নারী-বৈমানিক অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টকে নিয়েও আলাদা অংশ আছে। তাঁর চালানো বিমানও রাখা আছে সেখানে। অ্যাপোলোর বিশালকায় স্যাটার্ন ৫ ইঞ্জিন, যার জন্য চন্দ্রাভিযান সম্ভব হয়েছিল, তাও চাক্ষুষ করা গেল। দেখা মিলল চাঁদের নানা ধরনের শিলা, এমনকি ধূলোরও! কিন্তু সেগুলো ছোঁয়ার অনুমতি নেই! আর মিলনরত অবস্থায় অ্যাপোলো-সয়ূজ!
এখানে অজস্র কক্ষ। কোথাও ব্ল্যাক হোল নিয়ে তথ্যচিত্র চলছে। কোথাও মহাকাশযানের ভেতরে ঢুকে দেখার ব্যবস্থা। আরও নিযুত জিনিস। কিন্তু আমাদের হাতে সময় খুব কম। এই শহরে এসেছি মূলত দুই জিনিস দেখার জন্য—চাঁদের পাথর আর কিংবদন্তির অভিশপ্ত নীল হীরা, ‘হোপ ডায়মন্ড’।
তাই আর সময় নষ্ট করা গেল না। চাঁদের পাথরটাকে আরেকবার ছুঁয়ে, মনে মনে তাকে ভালো থাকতে বলে, আমরা রওনা দিলাম পরের গন্তব্যে।

মধ্যরাতে ওয়াশিংটন ডিসির ইউনিয়ন বাস স্টেশনে নেমেই অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হলো। এমনিতেই গ্রে হাউন্ড বাসটার বসার আসন খুব একটা আরামদায়ক ছিল না। পাঁচ ঘণ্টার যাত্রা, কিন্তু আসন হেলানোর কোনো উপায় নেই! কাহাতক আর এভাবে ৯০ ডিগ্রি হয়ে বসে থাকা যায়।
বাস থেকে নামার পর দেখি ওয়েটিং রুমের সারি সারি চেয়ারে মূলত কৃষ্ণাঙ্গরা অপেক্ষা করছে। কয়েকজন কয়েকটা চেয়ার জুড়ে ঘুমাচ্ছে। ঠিক তখনই পুলিশ এসে কড়া গলায় বলল, যাদের কাছে ট্রেনের টিকিট আছে, শুধু তারাই এখানে থাকতে পারবে, অন্য সবাইকে বেরিয়ে যেতে হবে।
বুঝলাম, আর দশটা বড় শহরের মতো এখানেও গৃহহীন মানুষরা চেষ্টা করে রাতটা কোনোভাবে এই ছাদের নিচে কাটিয়ে দিতে। আমাদেরও টিকিটের কথা জিজ্ঞেস করল পুলিশ। জানালাম, আমরা কেবল নিউইয়র্ক থেকে এসেছি। বন্ধু গাড়ি নিয়ে পথে আছে, এলেই চলে যাব। পুলিশ আবার বলল, ‘দেখো, বেশি দেরি কইরো না।’

কিছু সময় পরেই রেজোয়ান এসে হাজির। ষ্টেশন থেকে বের হতেই ইউএস ক্যাপিটাল (হাউজ অফ কংগ্রেস) ভবন ঝকঝক করছে চাঁদের আলোয়। গাড়ী নিয়ে সামান্য এগোতেই সুবিখ্যাত সুউচ্চ ন্যাশনাল মনুমেন্ট, সেই অবেলিস্ককে চোখে পড়ল। ওয়াশিংটন ডিসির কোনো ছবি বললেই এই স্থাপনাটা দেখা যায়। সিনেমাতে তো বটেই, কারণ এলিয়েনরা এসেই গুলতি মেরে এটাকে আগে ভেঙে ফেলে!
এরপর পটোম্যাক নদীর তীরে দেখলাম জেফারসন মেমোরিয়াল। খানিক পরেই স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরগুলোর সারি। সরাসরি বাড়ি না গিয়ে রেজোয়ান ভাই কিছুক্ষণ ঘুরিয়ে পুরো শহরটা মোটামুটি চিনিয়ে দিলেন। এই শহরেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশ থেকে কৈশোরে পরিবারের সঙ্গে চলে এসেছেন। গত দশ বছর ধরে এখানেই আছেন। তাঁর গাড়িতেই চলবে আমাদের ‘আমেরিকান ড্রিম’ ট্রিপ।
পরদিন সকালে উঠেই সবার আগে গেলাম এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়ামে। ডিসিতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে গাড়ি পার্কিং। মেরিল্যান্ড আর ভার্জিনিয়া থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে অফিস করতে আসে। এত গাড়ি ঢোকে যে দিনের বেলা পার্কিং নিয়ে এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে।

সেই ঝামেলা পার করে জাদুঘরে ঢুকতেই দেখি মাথার ওপরে সারি সারি বিমান ঝুলছে। এক কোণে রাখা আছে ‘দ্য স্পিরিট অব সেন্ট লুই’ সেই ছোট্ট বিমান, যেটিতে করে চার্লস লিন্ডবার্গ প্রথম মানুষ হিসেবে আটলান্টিক মহাসাগর একটানা পাড়ি দিয়েছিলেন।
পাশেই আছে মার্কারি–৬ মহাকাশযানের ক্যাপসুল। এই ক্যাপসুলেই চড়ে জন গ্লেন প্রথম আমেরিকান হিসেবে পৃথিবীকে পুরো একবার প্রদক্ষিণ করে ইতিহাস গড়েছিলেন।
আর তার পাশেই সেই মূল কারণ যার জন্য আমরা এসেছি এখানে। সেই চন্দ্রশীলা বা চাঁদের পাথর (মাটি নয়)! চাঁদ থেকে আনা পাথর পৃথিবীর অনেক জায়গাতেই আছে। কিন্তু শুনেছিলাম, এখানে নাকি সেই পাথর ছুঁয়ে দেখা যায়। ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করার পর অবশ্য জানতে পারলাম টেক্সাসের হিউস্টনে এবং ফ্লোরিডার নাসা সেন্টারেও চাঁদের শীলা ছুঁয়ে দেখা যায়।
সেই মুহূর্তের অনুভূতিটা কীভাবে বোঝাই! কী অপূর্ব থরথর অজানা অনুভূতি! সুদূরের চিরচেনা চাঁদের এক অংশ মিলে গেছে আমার দেহের এক অংশের সঙ্গে। কত নির্ঘুম রাত কেটেছে এই চাঁদ দেখেই, সেই চাঁদের অংশ আজ আমার সাথী ক্ষণিকের তরে হলেও।

আমাকে যদি বলা হয়, কোথায় যেতে চাই জীবনে? আমি চাইব যেখানে সারা জীবন কাটালাম সেই পৃথিবীটাকে একবার দেখতে, নীল একটা বলের মতো যে ঝুলে আছে মহাশুন্যে। যেখানে আমাদের উদ্ভব-জন্ম-মৃত্যু, তাকে একবার দূর থেকে দেখতে বড় সাধ হয়।
এই জাদুঘরের কোণে কোণে লুকিয়ে আছে অজস্র গুপ্তধন। একটা ঘরে রাখা আছে ইতিহাসের সেই বিখ্যাত দুই ভাইয়ের স্মৃতি, সাইকেল মেকানিক থেকে বিমান আবিষ্কারক হয়ে ওঠা উইলবার ও অরভিল রাইট। সেখানে সযত্নে রাখা আছে পৃথিবীর প্রথম বিমান ‘কিটি হক’। কী যে রোমাঞ্চ চারিদিকে!
কিংবদন্তি নারী-বৈমানিক অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টকে নিয়েও আলাদা অংশ আছে। তাঁর চালানো বিমানও রাখা আছে সেখানে। অ্যাপোলোর বিশালকায় স্যাটার্ন ৫ ইঞ্জিন, যার জন্য চন্দ্রাভিযান সম্ভব হয়েছিল, তাও চাক্ষুষ করা গেল। দেখা মিলল চাঁদের নানা ধরনের শিলা, এমনকি ধূলোরও! কিন্তু সেগুলো ছোঁয়ার অনুমতি নেই! আর মিলনরত অবস্থায় অ্যাপোলো-সয়ূজ!
এখানে অজস্র কক্ষ। কোথাও ব্ল্যাক হোল নিয়ে তথ্যচিত্র চলছে। কোথাও মহাকাশযানের ভেতরে ঢুকে দেখার ব্যবস্থা। আরও নিযুত জিনিস। কিন্তু আমাদের হাতে সময় খুব কম। এই শহরে এসেছি মূলত দুই জিনিস দেখার জন্য—চাঁদের পাথর আর কিংবদন্তির অভিশপ্ত নীল হীরা, ‘হোপ ডায়মন্ড’।
তাই আর সময় নষ্ট করা গেল না। চাঁদের পাথরটাকে আরেকবার ছুঁয়ে, মনে মনে তাকে ভালো থাকতে বলে, আমরা রওনা দিলাম পরের গন্তব্যে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৬ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে