জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

লঞ্চে কলেজছাত্রী ধর্ষণে গ্রেপ্তার ২, একজনের স্বীকারোক্তি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ২২: ২৪
ছবি: স্ট্রিম গ্রাফিক

রাজধানীর একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে লঞ্চের কেবিনে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাইয়ের মামলায় সোমবার (৯ মার্চ) রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে রাজধানীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন– মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)। তাদের মধ্যে মিঠু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই আদালত আরেক আসামি সাকিবের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোর্ট পুলিশের এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ মশিউল আলম আসামিদের আদালতে হাজির করেন। নুরুজ্জামান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড এবং সাকিবের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তিনি। পরে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বর্তমানে ভুক্তভোগী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।

কোতোয়ালি থানার ওসি শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, সোমবার মামলা হওয়ার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে হাজির করলে বিচারক রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিঠু ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

এজাহারে বলা হয়, গত ৮ মার্চ দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে ‘ফারহান-৪’ লঞ্চে ওঠেন। বাবা তাঁকে লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে দিয়ে আসেন। একই লঞ্চে অভিযুক্ত সাকিব ও মিঠু ঢাকায় ফিরছিলেন। লঞ্চ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তরা কেবিনের দরজায় নক করে নিজেদের তাঁর বাবার পরিচিত বলে জানান। এক পর্যায়ে নিরাপত্তার খাতিরে মোটরসাইকেল কেনার কিছু টাকা ওই শিক্ষার্থীর কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে তিনি তাদের ভেতরে আসতে দেন।

কেবিনে ঢুকে অভিযুক্তরা শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেন। রাজি না হলে তারা গলা ও মুখ চেপে ধরে লাঞ্ছিত করেন। এক পর্যায়ে মিঠু শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে যান। আর সাকিব দরজা আটকে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ সময় তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে রাত ৮টার দিকে সাকিব ও মিঠু আবার কেবিনে এসে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

সম্পর্কিত