স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশব্যাপী মোট ভোটে মাত্র দুই লাখের ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়ী হলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র একটি আসন। ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ২৫৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৪০ ভোট পেলেও তারা একটি আসনেই সীমাবদ্ধ থাকে। অন্যদিকে এনসিপি মাত্র ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ২২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে। অর্থাৎ, মোট ভোটে সামান্য ব্যবধান থাকলেও আসনের হিসাবে এনসিপি অনেক এগিয়ে গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
মূলত ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থী ভোটকে একত্র করার যে চেষ্টা শুরু হয়েছিল, তার বিভক্তিই এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে শুরুতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পাঁচটি ইসলামপন্থী দলের এক সভায় সম্ভাব্য রাজনৈতিক জোটের আলোচনা সামনে আসে এবং পরে এতে জামায়াতে ইসলামীও যুক্ত হয়।
তবে আসন ভাগাভাগি নিয়ে মতবিরোধের জেরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওই উদ্যোগ থেকে সরে দাঁড়ালে শেষ পর্যন্ত সেই জোট টেকেনি। একই সময়ে শেষ মুহূর্তে জোটে যুক্ত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ফলে ইসলামপন্থী ভোটকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা আংশিক রূপ পায় এবং গঠিত হয় জামায়াতের নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোট, যাকে এনসিপি বলছে ‘নির্বাচনী সমঝোতা’।
নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, বড় দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। উচ্চ আদালতের রায়ের অপেক্ষায় দুটি আসনের ফল স্থগিত থাকলেও দলটি ২৯০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে মোট ২১১টি আসনে জয় পেয়েছে। বিএনপি পেয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫৪ ভোট, যা মোট প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি ২২৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ২ কোটি ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২৫৯ ভোট পেয়েছে (৩১ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং এককভাবে ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে।
তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। সারা দেশে ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মোট ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ ভোট (৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ) পেয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৭ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ভোট এবং দুটি আসনে জয় পেয়েছে। খেলাফতভিত্তিক আরেকটি দল ২০টির বেশি আসনে লড়ে প্রায় ৫ লাখ ৬৯ হাজার ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়লাভ করেছে।
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সংখ্যার দিক থেকেও বৈচিত্র্য ছিল। ৩০ বা তার বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে এমন দল রয়েছে ১২টি। ২০ থেকে ২৯টি আসনে ৮টি দল, ১০ থেকে ১৯টি আসনে ১১টি দল এবং ১০টির কম আসনে ১৯টি দল প্রার্থী দিয়েছে। একটি আসনে প্রার্থী দেওয়া দলগুলোর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্রের পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ সাম্য অধিকার পার্টি এবং বাংলাদেশ ন্যাপ। দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে ইসলামি ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি। তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামি পার্টি ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।
অন্যান্য দলের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ৯৪টি আসনে লড়ে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়ী হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলন ১৭টি আসনে লড়ে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে একটি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ৫ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) কোনো আসনে জয় পায়নি।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া ছোট দলগুলোর মধ্যে কয়েকটির ভোট ছিল নগণ্য। বাংলাদেশ সাম্য অধিকার পার্টি পেয়েছে ১৬৯ ভোট এবং গণতন্ত্রের পার্টি পেয়েছে ১৫১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ৫৭৯ ভোট, গণফ্রন্ট ৭৫৩ ভোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির একটি অংশ ৭৭২ ভোট পেয়েছে। সারা দেশে ৫টি দল রয়েছে যারা এক হাজারের কম ভোট পেয়েছে।

দেশব্যাপী মোট ভোটে মাত্র দুই লাখের ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়ী হলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র একটি আসন। ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ২৫৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৪০ ভোট পেলেও তারা একটি আসনেই সীমাবদ্ধ থাকে। অন্যদিকে এনসিপি মাত্র ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ২২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে। অর্থাৎ, মোট ভোটে সামান্য ব্যবধান থাকলেও আসনের হিসাবে এনসিপি অনেক এগিয়ে গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
মূলত ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থী ভোটকে একত্র করার যে চেষ্টা শুরু হয়েছিল, তার বিভক্তিই এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে শুরুতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পাঁচটি ইসলামপন্থী দলের এক সভায় সম্ভাব্য রাজনৈতিক জোটের আলোচনা সামনে আসে এবং পরে এতে জামায়াতে ইসলামীও যুক্ত হয়।
তবে আসন ভাগাভাগি নিয়ে মতবিরোধের জেরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওই উদ্যোগ থেকে সরে দাঁড়ালে শেষ পর্যন্ত সেই জোট টেকেনি। একই সময়ে শেষ মুহূর্তে জোটে যুক্ত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ফলে ইসলামপন্থী ভোটকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা আংশিক রূপ পায় এবং গঠিত হয় জামায়াতের নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোট, যাকে এনসিপি বলছে ‘নির্বাচনী সমঝোতা’।
নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, বড় দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। উচ্চ আদালতের রায়ের অপেক্ষায় দুটি আসনের ফল স্থগিত থাকলেও দলটি ২৯০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে মোট ২১১টি আসনে জয় পেয়েছে। বিএনপি পেয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫৪ ভোট, যা মোট প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি ২২৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ২ কোটি ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২৫৯ ভোট পেয়েছে (৩১ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং এককভাবে ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে।
তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। সারা দেশে ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মোট ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ ভোট (৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ) পেয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৭ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ভোট এবং দুটি আসনে জয় পেয়েছে। খেলাফতভিত্তিক আরেকটি দল ২০টির বেশি আসনে লড়ে প্রায় ৫ লাখ ৬৯ হাজার ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়লাভ করেছে।
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সংখ্যার দিক থেকেও বৈচিত্র্য ছিল। ৩০ বা তার বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে এমন দল রয়েছে ১২টি। ২০ থেকে ২৯টি আসনে ৮টি দল, ১০ থেকে ১৯টি আসনে ১১টি দল এবং ১০টির কম আসনে ১৯টি দল প্রার্থী দিয়েছে। একটি আসনে প্রার্থী দেওয়া দলগুলোর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্রের পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ সাম্য অধিকার পার্টি এবং বাংলাদেশ ন্যাপ। দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে ইসলামি ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি। তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামি পার্টি ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।
অন্যান্য দলের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ৯৪টি আসনে লড়ে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়ী হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলন ১৭টি আসনে লড়ে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে একটি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ৫ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে একটি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) কোনো আসনে জয় পায়নি।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া ছোট দলগুলোর মধ্যে কয়েকটির ভোট ছিল নগণ্য। বাংলাদেশ সাম্য অধিকার পার্টি পেয়েছে ১৬৯ ভোট এবং গণতন্ত্রের পার্টি পেয়েছে ১৫১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ৫৭৯ ভোট, গণফ্রন্ট ৭৫৩ ভোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির একটি অংশ ৭৭২ ভোট পেয়েছে। সারা দেশে ৫টি দল রয়েছে যারা এক হাজারের কম ভোট পেয়েছে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬