স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন সরকারের কৃষি সংস্কার কর্মসূচিকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, নির্ভরযোগ্য কৃষক ডাটাবেজ, সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ এবং শক্তিশালী বাস্তবায়ন কাঠামো ছাড়া কৃষক কার্ড ও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্প প্রত্যাশিত ফল নাও দিতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সুপারিশ উপস্থাপন করে সংস্থাটি। সেখানে বলা হয়, কৃষকদের জন্য ঘোষিত বড় প্রকল্পগুলো সফল করতে এখনই কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা জরুরি।
সিপিডি জানায়, নতুন বিএনপি সরকার ফার্মার স্মার্ট কার্ড, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন, কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকার ঋণ মওকুফ, বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবন এবং আমের জন্য বিশেষ কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের মতো কৃষি খাতে কয়েকটি বড় উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ কৃষক কার্ড প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৫টি উপজেলায় ৫ লাখ কার্ড বিতরণ করা হবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
এই কার্ডের ঝুঁকি বিষয়ে সিপিডি বলছে, বর্তমানে দেশে নির্ভরযোগ্য কৃষক ডাটাবেজ নেই। ফলে প্রকৃত ক্ষুদ্র কৃষক বাদ পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর সঙ্গে কার্ড বিতরণে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিদ্যমান ভর্তুকি কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবও বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৬ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা) উল্লেখ করে সংস্থাটি সুপারিশ করেছে, কৃষক ডাটাবেজ, স্মার্ট কার্ড এবং অন্যান্য সেবাকে একত্র করে একটি একক ডিজিটাল কৃষক রেজিস্ট্রি তৈরি করা উচিত। এর সঙ্গে ভর্তুকি, ঋণ, বিমা ও কৃষি সেবাগুলো সংযুক্ত করতে হবে।
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পকেও বড় চ্যালেঞ্জ বলছে সিপিডি। এক্ষেত্রে খাল দখল, ভরাট, দূষণ, মাছের ঘের এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিডির হিসাবে এই প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাই একযোগে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নের বদলে ধাপে ধাপে অগ্রাধিকারভিত্তিতে খাল পুনরুদ্ধারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে কয়েকটি বড় সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় বোরো মৌসুমে সার সংকট তৈরি হয়েছে। এতে আমদানি নির্ভরতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সিপিডি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী বাজেটে সার ভর্তুকি বাড়ানো, আমদানি প্রস্তুতি জোরদার এবং বাফার মজুত গঠনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

নতুন সরকারের কৃষি সংস্কার কর্মসূচিকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, নির্ভরযোগ্য কৃষক ডাটাবেজ, সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ এবং শক্তিশালী বাস্তবায়ন কাঠামো ছাড়া কৃষক কার্ড ও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্প প্রত্যাশিত ফল নাও দিতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সুপারিশ উপস্থাপন করে সংস্থাটি। সেখানে বলা হয়, কৃষকদের জন্য ঘোষিত বড় প্রকল্পগুলো সফল করতে এখনই কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা জরুরি।
সিপিডি জানায়, নতুন বিএনপি সরকার ফার্মার স্মার্ট কার্ড, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন, কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকার ঋণ মওকুফ, বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবন এবং আমের জন্য বিশেষ কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের মতো কৃষি খাতে কয়েকটি বড় উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ কৃষক কার্ড প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৫টি উপজেলায় ৫ লাখ কার্ড বিতরণ করা হবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
এই কার্ডের ঝুঁকি বিষয়ে সিপিডি বলছে, বর্তমানে দেশে নির্ভরযোগ্য কৃষক ডাটাবেজ নেই। ফলে প্রকৃত ক্ষুদ্র কৃষক বাদ পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর সঙ্গে কার্ড বিতরণে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিদ্যমান ভর্তুকি কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবও বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৬ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা) উল্লেখ করে সংস্থাটি সুপারিশ করেছে, কৃষক ডাটাবেজ, স্মার্ট কার্ড এবং অন্যান্য সেবাকে একত্র করে একটি একক ডিজিটাল কৃষক রেজিস্ট্রি তৈরি করা উচিত। এর সঙ্গে ভর্তুকি, ঋণ, বিমা ও কৃষি সেবাগুলো সংযুক্ত করতে হবে।
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পকেও বড় চ্যালেঞ্জ বলছে সিপিডি। এক্ষেত্রে খাল দখল, ভরাট, দূষণ, মাছের ঘের এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিডির হিসাবে এই প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাই একযোগে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নের বদলে ধাপে ধাপে অগ্রাধিকারভিত্তিতে খাল পুনরুদ্ধারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে কয়েকটি বড় সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় বোরো মৌসুমে সার সংকট তৈরি হয়েছে। এতে আমদানি নির্ভরতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সিপিডি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী বাজেটে সার ভর্তুকি বাড়ানো, আমদানি প্রস্তুতি জোরদার এবং বাফার মজুত গঠনের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১৯ মিনিট আগে
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং।’
৩৫ মিনিট আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শুধু আগামী অর্থবছরে নয়; ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও করমুক্ত আয়সীমা পৌনে ৪ লাখ টাকা অব্যাহত থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে