স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ‘মারাত্মক বিপর্যয়কর’ আখ্যা দিয়েছেন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা। তাঁরা বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি কঠিন অর্থনৈতিক সময় পার করছে। বিশ্ববাজারের মন্দা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ আমাদের শিল্পকে কোণঠাসা করছে। এসব কারণে ইতিমধ্যে গত কয়েক মাস ধরে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে পোশাক রপ্তানি ৩.৬৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শুধু ডিসেম্বর মাসে রপ্তানি কমেছে ১৪.২৩ শতাংশ।
এ অবস্থায় সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপ বাজার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। এতে পোশাক শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক খাতের অবদান ৫৫ শতাংশের বেশি। প্রায় ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান এই খাতের ওপর নির্ভরশীল।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আশির দশক থেকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের মূল ভিত্তি ছিল শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুবিধা। কিন্তু সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপ সেই ভিত্তিকে দুর্বল করে দেবে।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সুতার দামের বড় ব্যবধান থাকায় স্থানীয় মিল থেকে সুতা কেনা পোশাক কারখানার জন্য বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে এক কেজি সুতার দাম যেখানে ২.৫০ থেকে ২.৭০ ডলার, সেখানে দেশীয় মিলগুলো একই সুতা ৩ ডলারে সরবরাহ করতে চায়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বিশ্ববাজারে মাত্র এক-দুই সেন্টের দামের পার্থক্যের কারণে অর্ডার হাতছাড়া হয়। সেখানে কাঁচামালের জন্য কেজিপ্রতি ৪০ সেন্ট অতিরিক্ত ব্যয় করা আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের শামিল।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা অভিযোগ করেন, সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের আগে পোশাক শিল্পের সাথে যথাযথ আলোচনা করা হয়নি। এমনকি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সেফগার্ড চুক্তির বিধানও অনুসরণ করা হয়নি।
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলেন, আমরা বাংলাদেশের স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদিত সুতার একচেটিয়া ক্রেতা। তারপরও এমন একটি সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পোশাক শিল্পের স্বার্থকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। ট্যারিফ কমিশনের সাথে আমাদের আলোচনা চলার মধ্যেই তারা আমাদের মতামতকে পাশ কাটিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাঁরা বলেন, স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং সময়মতো সুতা সরবরাহ করতে পারলে আমরা বিদেশ থেকে সুতা আমদানি করব না। বাস্তবতা হলো, অনেক মিল এখনো প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুতা পর্যাপ্ত উৎপাদন করতে পারছে না। দেশীয় মিলগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সংগতি রেখে সুতা দিতে পারলে আমরা অতিরিক্ত ১০-১২ সেন্ট ব্যয় করতেও রাজি আছি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকারের প্রতি তিনটি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার, স্পিনিং মিলগুলোকে শুল্ক সুরক্ষার বদলে সরাসরি নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা প্রদান এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতসহ উৎপাদন খরচ কমাতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া।
সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, পোশাক শিল্পের সক্ষমতা ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারকে দ্রুত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় তাঁরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পকে উৎসাহিত করতে আশির দশক থেকে সরকার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে আসছে। এর ফলে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা তুলনামূলক কম খরচে আমদানি করা সম্ভব হয়। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে কম দামে সুতা আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বলে দাবি করছেন বস্ত্রকল মালিকেরা।
এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। তাদের দাবির সাথে একমত হয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি এনবিআরকে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতায় বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে বস্ত্র ও পোশাক খাত থেকে। এই খাতের কাঁচামালের বড় অংশ আমদানি করা হয় ভারত থেকে। অন্যদিকে বিটিএমএ জানিয়েছে, দেশে এক কেজি সুতা উৎপাদনে খরচ পড়ে প্রায় ৩ ডলার। সেখানে ভারত একই মানের সুতা ২.৫ ডলারে রপ্তানি করছে। এর ফলে দেশীয় মিলগুলো উৎপাদনক্ষমতার মাত্র ৬০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে এবং ইতিমধ্যে প্রায় ৫০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আশঙ্কা করছে, এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশীয় সুতা উৎপাদন আরও সংকুচিত হবে। এতে লিড টাইম বাড়বে, মূল্য সংযোজন কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর শুল্ক সুবিধা ধরে রাখতে যেখানে ৪০ শতাংশের বেশি মূল্য সংযোজনের প্রয়োজন হবে, সেখানে আমদানিনির্ভরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
তবে এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা বলছেন, ভারত, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশ এলডিসি থেকে বের হওয়ার পরও পোশাক শিল্পকে পরোক্ষ প্রণোদনা দিয়ে আসছে। ফলে তারা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে। বাংলাদেশকেও সেভাবেই প্রণোদনা অব্যাহত রাখতে হবে।

সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ‘মারাত্মক বিপর্যয়কর’ আখ্যা দিয়েছেন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা। তাঁরা বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি কঠিন অর্থনৈতিক সময় পার করছে। বিশ্ববাজারের মন্দা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ আমাদের শিল্পকে কোণঠাসা করছে। এসব কারণে ইতিমধ্যে গত কয়েক মাস ধরে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে পোশাক রপ্তানি ৩.৬৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শুধু ডিসেম্বর মাসে রপ্তানি কমেছে ১৪.২৩ শতাংশ।
এ অবস্থায় সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপ বাজার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতির সাথে সাংঘর্ষিক। এতে পোশাক শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে নিট পোশাক খাতের অবদান ৫৫ শতাংশের বেশি। প্রায় ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান এই খাতের ওপর নির্ভরশীল।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আশির দশক থেকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের মূল ভিত্তি ছিল শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুবিধা। কিন্তু সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপ সেই ভিত্তিকে দুর্বল করে দেবে।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সুতার দামের বড় ব্যবধান থাকায় স্থানীয় মিল থেকে সুতা কেনা পোশাক কারখানার জন্য বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে এক কেজি সুতার দাম যেখানে ২.৫০ থেকে ২.৭০ ডলার, সেখানে দেশীয় মিলগুলো একই সুতা ৩ ডলারে সরবরাহ করতে চায়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বিশ্ববাজারে মাত্র এক-দুই সেন্টের দামের পার্থক্যের কারণে অর্ডার হাতছাড়া হয়। সেখানে কাঁচামালের জন্য কেজিপ্রতি ৪০ সেন্ট অতিরিক্ত ব্যয় করা আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের শামিল।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা অভিযোগ করেন, সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের আগে পোশাক শিল্পের সাথে যথাযথ আলোচনা করা হয়নি। এমনকি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সেফগার্ড চুক্তির বিধানও অনুসরণ করা হয়নি।
তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলেন, আমরা বাংলাদেশের স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদিত সুতার একচেটিয়া ক্রেতা। তারপরও এমন একটি সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পোশাক শিল্পের স্বার্থকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। ট্যারিফ কমিশনের সাথে আমাদের আলোচনা চলার মধ্যেই তারা আমাদের মতামতকে পাশ কাটিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাঁরা বলেন, স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং সময়মতো সুতা সরবরাহ করতে পারলে আমরা বিদেশ থেকে সুতা আমদানি করব না। বাস্তবতা হলো, অনেক মিল এখনো প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুতা পর্যাপ্ত উৎপাদন করতে পারছে না। দেশীয় মিলগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সংগতি রেখে সুতা দিতে পারলে আমরা অতিরিক্ত ১০-১২ সেন্ট ব্যয় করতেও রাজি আছি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকারের প্রতি তিনটি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—সুতা আমদানিতে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার, স্পিনিং মিলগুলোকে শুল্ক সুরক্ষার বদলে সরাসরি নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা প্রদান এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতসহ উৎপাদন খরচ কমাতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া।
সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, পোশাক শিল্পের সক্ষমতা ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারকে দ্রুত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় তাঁরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পকে উৎসাহিত করতে আশির দশক থেকে সরকার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে আসছে। এর ফলে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা তুলনামূলক কম খরচে আমদানি করা সম্ভব হয়। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে কম দামে সুতা আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বলে দাবি করছেন বস্ত্রকল মালিকেরা।
এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। তাদের দাবির সাথে একমত হয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি এনবিআরকে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতায় বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে বস্ত্র ও পোশাক খাত থেকে। এই খাতের কাঁচামালের বড় অংশ আমদানি করা হয় ভারত থেকে। অন্যদিকে বিটিএমএ জানিয়েছে, দেশে এক কেজি সুতা উৎপাদনে খরচ পড়ে প্রায় ৩ ডলার। সেখানে ভারত একই মানের সুতা ২.৫ ডলারে রপ্তানি করছে। এর ফলে দেশীয় মিলগুলো উৎপাদনক্ষমতার মাত্র ৬০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে এবং ইতিমধ্যে প্রায় ৫০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আশঙ্কা করছে, এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশীয় সুতা উৎপাদন আরও সংকুচিত হবে। এতে লিড টাইম বাড়বে, মূল্য সংযোজন কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর শুল্ক সুবিধা ধরে রাখতে যেখানে ৪০ শতাংশের বেশি মূল্য সংযোজনের প্রয়োজন হবে, সেখানে আমদানিনির্ভরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
তবে এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা বলছেন, ভারত, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশ এলডিসি থেকে বের হওয়ার পরও পোশাক শিল্পকে পরোক্ষ প্রণোদনা দিয়ে আসছে। ফলে তারা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে। বাংলাদেশকেও সেভাবেই প্রণোদনা অব্যাহত রাখতে হবে।

মালিবাগ রেলগেটে বাজার করতে আসা রিজওয়ান আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখন তো সবজির সিজন। সবজিই খাওয়া হচ্ছে। ফলে ডিম বেশি একটা কেনা হয় না। আজ দেখলাম দাম কমেছে। তবে খুব যে কমেছে, তাও কিন্তু না। ডজনে ১০ টাকা মাত্র।
৩ দিন আগে
পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত শরিয়াভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (সিবিআইবি)’ সরকারের বিশেষ সুকুক প্রকল্প ‘বাংলাদেশ সরকার স্পেশাল সুকুক-১’-এ ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।
৪ দিন আগে
চলতি অর্থবছরের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও বিশ্বব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে, আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার গতি পাবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
৫ দিন আগে
ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে লুট হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৪ ও ২০২৫—এই দুই বছরে জমানো টাকার ওপর কোনো মুনাফা বা লাভ পাবেন না গ্রাহকরা।
৫ দিন আগে