স্ট্রিম প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের স্তর সংখ্যা কমিয়ে দাম ও শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। সংগঠনটি বলছে, প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়ন করলে বর্তমানের তুলনায় সরকার অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় আত্মার পক্ষ থেকে এই সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আত্মার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের মূল্য ২০০ টাকার বেশি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের পাশাপাশি প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট শুল্কের দাবি জানিয়েছে তারা।
প্রস্তাবের গুরুত্ব স্বীকার করে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘কর এবং মূল্য বৃদ্ধি করলে সিগারেটের ব্যবহার কমার বিষয়টি তথ্য-প্রমাণসহ প্রমাণিত। কাজেই আগামী বাজেটেও কর ও মূল্য বৃদ্ধি বিবেচনা করা হবে।’
সভায় জানানো হয়, কার্যকর মূল্য বৃদ্ধির অভাবে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকপণ্য ক্রমশ সস্তা হয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল ও ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে সিগারেটের দাম কম।
এছাড়া ২০ শলাকা ফিল্টারযুক্ত ও ফিল্টারবিহীন বিড়ির অভিন্ন দাম ৩০ টাকা করার পাশাপাশি ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়েছে আত্মা। জর্দা ও গুলের প্রতি ১০ গ্রামের খুচরা মূল্য যথাক্রমে ৬০ ও ৩০ টাকা নির্ধারণ এবং ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সকল তামাকপণ্যের ওপর ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার পক্ষে মত দেন তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারে দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছে ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাতে পাওয়া রাজস্বের প্রায় দ্বিগুণ।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের স্তর সংখ্যা কমিয়ে দাম ও শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। সংগঠনটি বলছে, প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়ন করলে বর্তমানের তুলনায় সরকার অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় আত্মার পক্ষ থেকে এই সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আত্মার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের মূল্য ২০০ টাকার বেশি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের পাশাপাশি প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট শুল্কের দাবি জানিয়েছে তারা।
প্রস্তাবের গুরুত্ব স্বীকার করে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘কর এবং মূল্য বৃদ্ধি করলে সিগারেটের ব্যবহার কমার বিষয়টি তথ্য-প্রমাণসহ প্রমাণিত। কাজেই আগামী বাজেটেও কর ও মূল্য বৃদ্ধি বিবেচনা করা হবে।’
সভায় জানানো হয়, কার্যকর মূল্য বৃদ্ধির অভাবে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকপণ্য ক্রমশ সস্তা হয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল ও ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে সিগারেটের দাম কম।
এছাড়া ২০ শলাকা ফিল্টারযুক্ত ও ফিল্টারবিহীন বিড়ির অভিন্ন দাম ৩০ টাকা করার পাশাপাশি ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়েছে আত্মা। জর্দা ও গুলের প্রতি ১০ গ্রামের খুচরা মূল্য যথাক্রমে ৬০ ও ৩০ টাকা নির্ধারণ এবং ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সকল তামাকপণ্যের ওপর ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার পক্ষে মত দেন তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারে দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছে ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাতে পাওয়া রাজস্বের প্রায় দ্বিগুণ।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ও কার্যকর বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ ৭ দাবিতে ফের আল্টিমেটাম দিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সময় বেঁধে দেন তারা।
১৫ ঘণ্টা আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত ইসলামী ব্যাংকের তহবিল প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
১ দিন আগে
দেশের ব্যাংকিং-ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। এ জন্য তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। একই সঙ্গে একটি গোষ্ঠী ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন।
২ দিন আগে