leadT1ad

৭ দাবিতে ফের আল্টিমেটাম ইসলামী ব্যাংক ‘গ্রাহকদের’

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ১৬: ০৬
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ ৭ দাবিতে ফের আল্টিমেটাম দিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সময় বেঁধে দেন তারা।

ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, এস আলম ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বয়কট এবং গ্রাহকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ফোরামের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবী আজ বিকেল ৪টার মধ্যে দাবি না মানলে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন।

এর আগেও দাবি মানতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল ফোরামটি।

সংবাদ সম্মেলনে নুর উন-নবী মানিক বলেন, ‘খুরশীদ আলমকে অপসারণ করে একজন সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দিতে হবে। এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসর কাউকে ইসলামী ব্যাংকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ইসলামী ব্যাংক দখলের পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।

ফোরামের আহ্বায়ক আরও বলেন, আজ বিকেল ৪টার মধ্যে আমাদের ৭ দফা দাবি না মানলে রোববার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

৭ দফা দাবি হলো-

১. এস আলমের দোসরকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। ইসলামী ব্যাংকিং সম্পর্কে ওয়াকিবহাল সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিকে বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

২. যাদের কাছ থেকে বন্দুকের মুখে ইসলামী ব্যাংক দখল করা হয়েছিল তাদের কাছে ফেরত দিতে হবে। প্রকৃত মালিকদের কাছেই এই ব্যাংক নিরাপদ।

৩. ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় যারা লুট করেছে তাদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ট্রাইবুল গঠন করতে হবে।

৪. ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে। স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারকে বিরত থাকতে হবে।

৫. লুটের অর্থ পুনরুদ্ধারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা অর্থ ফেরত এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থঋণ আদালতে বিশেষ সেল গঠন করে লুটেরাদের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রি করে ব্যাংকের দায় পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. ব্যাংক লুটেরাদের বিচার না করে তাদের পুনর্বাসন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে ব্যাংকিং রেজুলেশন আইন ১৮/ক ধারা সংযোজন করে। অবিলম্বে এ ধারা বাতিল করে লুটেরাদের ফেরার পথ রুদ্ধ করতে হবে।

৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘মিথ্যা বক্তব্য’ ও এস আলমের হাতে ব্যাংক তুলে দেওয়ার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত