স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভরিতে ৮৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে বাংলাদেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২৫২৪৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি জানায় বাজুস। বৃহস্পতিবার থেকে এ মূল্য কার্যকর হবে। স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ ২০ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা ছিল দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এ নিয়ে ২০২৬ সালে দেশের বাজারে ১০ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা।
এদিকে, স্বর্ণের দামের সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা—যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২ দফা।

ভরিতে ৮৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে বাংলাদেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২৫২৪৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি জানায় বাজুস। বৃহস্পতিবার থেকে এ মূল্য কার্যকর হবে। স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ ২০ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা ছিল দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এ নিয়ে ২০২৬ সালে দেশের বাজারে ১০ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা।
এদিকে, স্বর্ণের দামের সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা—যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২ দফা।

দেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে আবার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। প্রতি ভরিতে বাড়ানো হয়েছে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা, যা বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের কৃষি সংস্কার কর্মসূচিকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, নির্ভরযোগ্য কৃষক ডাটাবেজ, সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ এবং শক্তিশালী বাস্তবায়ন কাঠামো ছাড়া কৃষক কার্ড ও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্প প্র
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এজন্য দেশীয় জ্বালানি উৎস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুপারিশ করে সংস্থাটি।
১ দিন আগে
দেশে আমদানি-রপ্তানি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আসন্ন ঈদুল ফিতরে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও খোলা থাকবে কাস্টমস হাউস ও স্টেশন। ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সীমিত আকারে কাস্টমস হাউস চালু রাখতে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
১ দিন আগে