স্ট্রিম প্রতিবেদক
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবিএস জানিয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেশে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এরপর জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতির হারই সবচেয়ে কম। এ হিসাবে গত মাসে মূল্যস্ফীতি আট মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে।
আলোচ্য সময়ে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ১০ বেসিস পয়েন্ট কম। পণ্য ও সেবার মূল্যের তুলনায় মজুরি কম বাড়ায় মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতায় বড় ধরনের স্বস্তি আসেনি।
জুলাইয়ের আগে টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে ছিল। মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ছিল ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ ।
বিবিএস আরও জানিয়েছে, জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আলোচ্য মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি শহরের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে। জুলাইয়ে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ, শহরে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশে নেমেছে। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। জুলাইয়ে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ২১ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে মূল্যস্ফীতি কমার বিষয়টি ইতিবাচক হলেও তা এখনো ৮ শতাংশের ওপরে। তাই মূল্যস্ফীতি কমার এই প্রবণতা কতটা স্থায়ী হয় এবং মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে কিনা, তার ওপর সাধারণ মানুষের স্বস্তির বিষয়টি নির্ভর করছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবিএস জানিয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেশে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এরপর জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতির হারই সবচেয়ে কম। এ হিসাবে গত মাসে মূল্যস্ফীতি আট মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে।
আলোচ্য সময়ে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ১০ বেসিস পয়েন্ট কম। পণ্য ও সেবার মূল্যের তুলনায় মজুরি কম বাড়ায় মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতায় বড় ধরনের স্বস্তি আসেনি।
জুলাইয়ের আগে টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে ছিল। মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ছিল ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ ।
বিবিএস আরও জানিয়েছে, জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আলোচ্য মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি শহরের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে। জুলাইয়ে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ, শহরে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশে নেমেছে। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। জুলাইয়ে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ২১ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে মূল্যস্ফীতি কমার বিষয়টি ইতিবাচক হলেও তা এখনো ৮ শতাংশের ওপরে। তাই মূল্যস্ফীতি কমার এই প্রবণতা কতটা স্থায়ী হয় এবং মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে কিনা, তার ওপর সাধারণ মানুষের স্বস্তির বিষয়টি নির্ভর করছে।
.png)

ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাঁকে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে। ইয়াসীন আলী সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলমসহ (সাইফুল আলম) ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেছিলেন।
৩২ মিনিট আগে
একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকদের কেউই ব্যাংকে ফেরার আবেদন করেননি। ফলে তাদের নিয়ন্ত্রণে ব্যাংক যাওয়ার পথ বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল অনুমোদন করা হয়েছে।
১০ আগস্ট ২০২৬
ব্যাংক আমানতের মুনাফা থেকে কেটে নেওয়া উৎসে কর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১০ আগস্ট ২০২৬