স্ট্রিম ডেস্ক

হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই অভিবাসী ও ভিসাপ্রত্যাশীদের বিষয়ে একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রেকর্ডসংখ্যক ভিসা প্রত্যাহারের ঘটনা বিদেশিদের প্রতি তার কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির সর্বশেষ নিদর্শন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্প। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ২০২৫ সালে প্রত্যাহার করা হয়েছে ১ লাখের বেশি ভিসা। আর চলতি বছরের ১০ আগস্ট পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার ভিসা। বছর শেষে এ সংখ্যা ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
গত জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালে মোট যতজনের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে, তার মধ্যে আট হাজার ছিলেন শিক্ষার্থী। এছাড়া দক্ষ পেশাজীবী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া আড়াই হাজার জনের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে গত বছর।
সাধারণত ভিসার শর্তভঙ্গ, অপরাধসংশ্লিষ্টতা, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, জালিয়াতি, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থাকা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ মনে করলে একজন বিদেশির ভিসা নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই প্রত্যাহার করতে পারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের লিগ্যাল স্ট্যাটাস নিয়ে তিনি দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন। কিন্তু তিনি যদি নিজ দেশ কিংবা অন্য কোনো দেশে ভ্রমণে যান, সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে পুনঃপ্রবেশের সময় সেই ভিসা আর বৈধ হবে না। তখন তাকে নতুন করে ফি জমা দিয়ে ভিসার আবেদন করতে হবে।
কোন ক্যাটাগরির কিংবা কোন দেশের নাগরিকের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘পৃথক পৃথক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিসা প্রত্যাহারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো ভিসা ক্যাটাগরি কিংবা কোনো দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।’ তবে তিনি জানান, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর পাশাপাশি ইরান, কুয়েত, কিউবা ও লাওসের নাগরিকদের ভিসা প্রত্যাহার হয়েছে তুলনামূলক বেশি।
অনেক সময় দেখা যায়, অনাগত সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া নিশ্চিত করতে দম্পতিরা সন্তান জন্মদানের আগমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন। সেখানে জন্ম নিলে সন্তান মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে—এটাই তাদের কৌশল। একে বলা হয় ‘বার্থ ট্যুরিজম’। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কেবল উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের একটি মার্কিন দূতাবাসেই ১০০টি ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে বার্থ ট্যুরিজমের কারণ দেখিয়ে।
চলতি মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্বের বিধান ঠেকাতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ে বলা হয়েছে, মা-বাবা অস্থায়ীভাবে এমনকি অবৈধভাবেও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে যদি তাদের সন্তান হয়, তবে সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাবে। সর্বোচ্চ আদালতের এই রায় ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে শেষ পর্যন্ত বাবা-মার বার্থ ট্যুরিজম আটকানোর কৌশল বেছে নিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে গত দেড় বছরে নজিরবিহীনসংখ্যক অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের অনেকের কাছে আবার বৈধ ভিসাও ছিল। এখন ব্যাপক হারে ভিসা প্রত্যাহারের ঘটনা সেই অভিযানের তীব্রতা আরও স্পষ্ট কর তুলল।

হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই অভিবাসী ও ভিসাপ্রত্যাশীদের বিষয়ে একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রেকর্ডসংখ্যক ভিসা প্রত্যাহারের ঘটনা বিদেশিদের প্রতি তার কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির সর্বশেষ নিদর্শন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন ট্রাম্প। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ২০২৫ সালে প্রত্যাহার করা হয়েছে ১ লাখের বেশি ভিসা। আর চলতি বছরের ১০ আগস্ট পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার ভিসা। বছর শেষে এ সংখ্যা ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
গত জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালে মোট যতজনের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে, তার মধ্যে আট হাজার ছিলেন শিক্ষার্থী। এছাড়া দক্ষ পেশাজীবী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া আড়াই হাজার জনের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে গত বছর।
সাধারণত ভিসার শর্তভঙ্গ, অপরাধসংশ্লিষ্টতা, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, জালিয়াতি, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থাকা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ মনে করলে একজন বিদেশির ভিসা নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই প্রত্যাহার করতে পারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের লিগ্যাল স্ট্যাটাস নিয়ে তিনি দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন। কিন্তু তিনি যদি নিজ দেশ কিংবা অন্য কোনো দেশে ভ্রমণে যান, সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে পুনঃপ্রবেশের সময় সেই ভিসা আর বৈধ হবে না। তখন তাকে নতুন করে ফি জমা দিয়ে ভিসার আবেদন করতে হবে।
কোন ক্যাটাগরির কিংবা কোন দেশের নাগরিকের ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘পৃথক পৃথক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভিসা প্রত্যাহারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো ভিসা ক্যাটাগরি কিংবা কোনো দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।’ তবে তিনি জানান, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর পাশাপাশি ইরান, কুয়েত, কিউবা ও লাওসের নাগরিকদের ভিসা প্রত্যাহার হয়েছে তুলনামূলক বেশি।
অনেক সময় দেখা যায়, অনাগত সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া নিশ্চিত করতে দম্পতিরা সন্তান জন্মদানের আগমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন। সেখানে জন্ম নিলে সন্তান মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে—এটাই তাদের কৌশল। একে বলা হয় ‘বার্থ ট্যুরিজম’। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কেবল উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের একটি মার্কিন দূতাবাসেই ১০০টি ভিসা প্রত্যাহার করা হয়েছে বার্থ ট্যুরিজমের কারণ দেখিয়ে।
চলতি মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্বের বিধান ঠেকাতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ে বলা হয়েছে, মা-বাবা অস্থায়ীভাবে এমনকি অবৈধভাবেও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে যদি তাদের সন্তান হয়, তবে সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাবে। সর্বোচ্চ আদালতের এই রায় ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে শেষ পর্যন্ত বাবা-মার বার্থ ট্যুরিজম আটকানোর কৌশল বেছে নিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে গত দেড় বছরে নজিরবিহীনসংখ্যক অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের অনেকের কাছে আবার বৈধ ভিসাও ছিল। এখন ব্যাপক হারে ভিসা প্রত্যাহারের ঘটনা সেই অভিযানের তীব্রতা আরও স্পষ্ট কর তুলল।
.png)

ইরানের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার পর গত মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে ছোট একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে তুরস্ক ছাড়েন। সোমবার (১০ আগস্ট) এ খবর প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
১৪ মিনিট আগে
দশকের পর দশক ধরে চলা সংঘাত বন্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) বিলুপ্তির আইনি কাঠামো তৈরি করে একটি আইন পাস করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। সোমবার (১০ আগস্ট) ৬০০ আসনের পার্লামেন্টে ৪৬৮ ভোটে আইনটি পাস হয়। খবর আলজাজিরার
৪ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯ জন।
৫ ঘণ্টা আগে
ওমানের উপকূলে ৪০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়েছে ট্যাংকারের তেল
৫ ঘণ্টা আগে