জাবিতে সুপারিশহীন পদোন্নতির চেষ্টা: স্ট্রিমে সংবাদের পর তদন্ত দাবি ছাত্রশক্তির

জাবি সংবাদদাতা
জাবি সংবাদদাতা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পদোন্নতি বোর্ডে সুপারিশ না পাওয়া কর্মচারীর নাম রেজুলেশনে যুক্ত করার অভিযোগ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, জাবি সংসদ। স্ট্রিমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

জাবি শাখা ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক কাজী মেহরাব তূর্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদোন্নতি বোর্ডে সুপারিশ না পাওয়া একজন কর্মচারীর নাম কীভাবে বোর্ডের রেজুলেশনে যুক্ত হলো, প্রশাসনকে তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।

সংগঠনটি বলছে, বোর্ডে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, তা কীভাবে রেজুলেশনে যুক্ত হলো এবং পরে একজন বোর্ড সদস্য অসংগতি ধরার পর কেন রেজুলেশন সংশোধন করতে হলো—এসব বিষয় তদন্ত করা জরুরি। ঘটনাটিকে শুধু ‘খসড়া তৈরির ভুল’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও দাবি তাদের।

জাতীয় ছাত্রশক্তির পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বোর্ডের প্রকৃত সিদ্ধান্ত ও রেজুলেশনের অসংগতির কারণ বের করা, সংশ্লিষ্ট নাম কীভাবে রেজুলেশনে যুক্ত হলো তা তদন্ত করা এবং রেজুলেশন তৈরি, যাচাই ও সংশোধনের সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা। এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা মহলের চাপ বা প্রভাবে রেজুলেশন পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং তদন্তের ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সামনে প্রকাশের দাবি জানানো হয়।

এর আগে ‘জাবিতে সুপারিশ ছাড়া পদোন্নতি, আটকে গেল আপত্তিতে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্ট্রিম। প্রতিবেদনে বলা হয়, পদোন্নতি বোর্ডে সুপারিশ না পাওয়ার পরও কম্পট্রোলার শাখার ঊর্ধ্বতন সহকারী সুফিয়া সুলতানার নাম সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকায় যুক্ত করা হয়। পরে পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য ও সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান রেজুলেশনে ওই নাম দেখতে পেয়ে অসংগতি চিহ্নিত করেন। এরপর নামটি বাদ দিয়ে নতুন রেজুলেশন তৈরি করা হয়।

তবে রেজুলেশনে ওই নাম যুক্ত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আলেয়া ফেরদৌসী।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত