কলাতলীতে ঢোকার মুখে যখন ‘ওয়েলকাম টু দ্য লঙ্গেস্ট সি বিচ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ লেখা বড় সাইনবোর্ডটি চোখে পড়ে, তখন মনের ভেতর অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করে। তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রশ্নও মাথায় আসে, এত বড় এক প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক হয়েও আমরা কি আমাদের পর্যটন শিল্পে এর যথাযথ ব্যবহার করতে পেরেছি?
ফাবিহা বিনতে হক

দিন কয়েক আগে কক্সবাজার থেকে ঘুরে এলাম। সেখানে ছিলাম তিন দিন। এতদিন মনে হতো, কক্সবাজার মানেই বিশাল সমুদ্রসৈকত আর মানুষের ভিড়—এর বাইরে শহরটাকে নিয়ে আলাদা করে ভাবিনি কখনো। কিন্তু এবার বুঝলাম, সৈকতের বাইরেও কক্সবাজার শহরটা ঘুরে দেখার মতো অনেক কিছু আছে।
প্রথমেই কলাতলীতে ঢোকার মুখে যখন ‘ওয়েলকাম টু দ্য লঙ্গেস্ট সি বিচ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ লেখা বড় সাইনবোর্ডটি চোখে পড়ে, তখন মনের ভেতর অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করে। তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রশ্নও মাথায় আসে, এত বড় এক প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক হয়েও আমরা কি আমাদের পর্যটন শিল্পে এর যথাযথ ব্যবহার করতে পেরেছি? সৈকতে দাঁড়িয়ে বারবার প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছিল।
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হয়তো আমার জানা নেই। তবে এবারের ভ্রমণের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো রোজার মাসে কক্সবাজার গিয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো মানুষের ভিড় আর কোলাহলহীন সমুদ্রসৈকত দেখা। সেই নিরিবিলি সাগরতীরে সত্যিই দু’দণ্ড শান্তি পাওয়া গিয়েছিল কি না, আজ সেই অভিজ্ঞতার কথাই বলব।
মানুষ যে একেবারেই নেই, তা কিন্তু নয়। তবে যত মানুষে গিজগিজ করলে কক্সবাজারকে সত্যিকারের ‘বাজার’ মনে হয়, তত লোক এবার কোথাও চোখে পড়েনি। সবচেয়ে অবাক লেগেছে রাস্তার দিকে তাকিয়ে। ডলফিন মোড় থেকে কলাতলীর দিকে যে রাস্তাটা চলে গেছে, সেই রাস্তার ওপর দাঁড়িয়েই সমুদ্রের চিকচিক করা পানি দেখতে পাচ্ছিলাম।

বছরের অন্য কোনো সময় এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ খুব একটা মেলে না বললেই চলে। কারণ, বছরের বেশিরভাগ সময় এই রাস্তার দুই পাশে থাকে সারি সারি গাড়ি, বাস, আর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু এবার সৈকতে মানুষের জটলা নেই, রাস্তাতেও নেই চিরচেনা যানজটের ঝামেলা।
কক্সবাজারে বছরের বেশিরভাগ সময়ই পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। তাই মানুষের উপস্থিতিও যেন এই সাগরের সৌন্দর্যের একটি অংশ হয়ে গেছে। কেউ সমুদ্রের জলে পা ভেজাচ্ছে, কেউ বীচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে, শিশুরা বালি দিয়ে ঘর বানাচ্ছে। এ যেন চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন। এবারের কক্সবাজার ভ্রমণে এই অংশটা মিসিং ছিল। অতিরিক্ত মানুষের ভিড় যেমন ভ্রমণের আনন্দ ম্লান করে দেয়, তেমনি মানুষের গল্পহীন সমুদ্রও কিছুটা বিষণ্ন, অনেকটাই নির্জন লাগে। মনে হচ্ছিল, সাগরের বিপুল জলরাশি তীরে আছড়ে পড়ছে ঠিকই, কিন্তু এই জলে পা ভেজানোর কেউ নেই বলেই যেন সমুদ্রের মনটাও একটু খারাপ।
রোজার সময় দিনের বেলা সৈকতে মানুষের আনাগোনা আরও কমে যায়। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় ছিল সৈকতের পরিচ্ছন্নতা। সমুদ্রের পানি ছিল তুলনামূলক অনেক বেশি পরিষ্কার, নীলাভ। বালুচরে হাঁটার সময় চোখে পড়েনি প্লাস্টিকের বোতল, চিপস কিংবা বিস্কুটের প্যাকেট।
সারাদিন সমুদ্রপার শান্ত থাকলেও ইফতারের আগমুহূর্তে মানুষের আনাগোনা কিছুটা বেড়ে যায়। ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে সবাই বীচের পাশে রাখা বেঞ্চগুলোতে বসে পড়েন। আবার অনেকেই নিরিবিলি জায়গা বেছে নিয়ে বালুর ওপর চাদর বিছিয়ে ইফতারের প্রস্তুতি নেন। আশেপাশে তাকালেই চোখে পড়বে, সমুদ্রের বালুময় তীরগুলোতে একসঙ্গে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে ইফতার সারছে।
ইফতারের জন্য রাস্তার ধারে ছোট ছোট অনেক খোলা দোকান থাকে। সেখান থেকে ভাজাপোড়া, ছোলা, মুড়ি, জিলাপি—সবই কেনা যায়। বোতলে করে শরবত পাওয়া যায়, ডাবও মেলে সহজেই।

মাথার ওপর খোলা আকাশ, চোখের সামনে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্র রেখে ইফতার করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ। ঢেউয়ের শব্দের সঙ্গে যখন দূরের কোনো মসজিদ থেকে ভেসে আসে মাগরিবের আজান, তখন মনের ভেতর তৈরি হয় অদ্ভুত এক প্রশান্তি। পাখির ডানায় ভর করে সন্ধ্যা নামে সমুদ্রের তীরে, আকাশ ভরে ওঠে অস্তগামী সূর্যের লালচে আভায়। সৃষ্টিকর্তার এমন অপূর্ব সুন্দর সৃষ্টির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার সুযোগ প্রতিদিন পাওয়া যায় না।
সাধারণত সৈকতের পাশে থাকা সারি সারি মার্কেটগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। দাম অনেক বেশি হলেও পরিবার-পরিজনের জন্য ভ্রমণের স্মৃতি হিসেবে আমরা ঝিনুক-মুক্তার মালা, ব্রেসলেট কিংবা কানের দুল কিনে থাকি। সঙ্গে থাকে বাহারি আচারের মেলা। কিন্তু এবারের দৃশ্য ছিল অনেকটাই ভিন্ন।
খদ্দের না থাকায় অনেক দোকানপাটই বন্ধ। খাবারের হোটেলগুলোতেও একই অবস্থা। পর্যটকের অভাবে হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে চলছে ছাড়ের মহাসমারোহ। নামিদামি অনেক হোটেলেই ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট চলছে, যা বছরের অন্য সময়ে কল্পনাও করা যায় না।
কক্সবাজারের এই শান্ত রূপ খুব বেশি দিনের নয়, আমরা সবাই জানি। ঈদের ছুটিতে আবারও লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠবে পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকত। কিন্তু এই তিন দিনের জনমানবহীন, পরিচ্ছন্ন আর শান্ত সাগরের সৌন্দর্য মনের মধ্যে বেঁচে থাকবে অনেকদিন।

দিন কয়েক আগে কক্সবাজার থেকে ঘুরে এলাম। সেখানে ছিলাম তিন দিন। এতদিন মনে হতো, কক্সবাজার মানেই বিশাল সমুদ্রসৈকত আর মানুষের ভিড়—এর বাইরে শহরটাকে নিয়ে আলাদা করে ভাবিনি কখনো। কিন্তু এবার বুঝলাম, সৈকতের বাইরেও কক্সবাজার শহরটা ঘুরে দেখার মতো অনেক কিছু আছে।
প্রথমেই কলাতলীতে ঢোকার মুখে যখন ‘ওয়েলকাম টু দ্য লঙ্গেস্ট সি বিচ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ লেখা বড় সাইনবোর্ডটি চোখে পড়ে, তখন মনের ভেতর অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করে। তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রশ্নও মাথায় আসে, এত বড় এক প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক হয়েও আমরা কি আমাদের পর্যটন শিল্পে এর যথাযথ ব্যবহার করতে পেরেছি? সৈকতে দাঁড়িয়ে বারবার প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছিল।
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হয়তো আমার জানা নেই। তবে এবারের ভ্রমণের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো রোজার মাসে কক্সবাজার গিয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো মানুষের ভিড় আর কোলাহলহীন সমুদ্রসৈকত দেখা। সেই নিরিবিলি সাগরতীরে সত্যিই দু’দণ্ড শান্তি পাওয়া গিয়েছিল কি না, আজ সেই অভিজ্ঞতার কথাই বলব।
মানুষ যে একেবারেই নেই, তা কিন্তু নয়। তবে যত মানুষে গিজগিজ করলে কক্সবাজারকে সত্যিকারের ‘বাজার’ মনে হয়, তত লোক এবার কোথাও চোখে পড়েনি। সবচেয়ে অবাক লেগেছে রাস্তার দিকে তাকিয়ে। ডলফিন মোড় থেকে কলাতলীর দিকে যে রাস্তাটা চলে গেছে, সেই রাস্তার ওপর দাঁড়িয়েই সমুদ্রের চিকচিক করা পানি দেখতে পাচ্ছিলাম।

বছরের অন্য কোনো সময় এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ খুব একটা মেলে না বললেই চলে। কারণ, বছরের বেশিরভাগ সময় এই রাস্তার দুই পাশে থাকে সারি সারি গাড়ি, বাস, আর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু এবার সৈকতে মানুষের জটলা নেই, রাস্তাতেও নেই চিরচেনা যানজটের ঝামেলা।
কক্সবাজারে বছরের বেশিরভাগ সময়ই পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। তাই মানুষের উপস্থিতিও যেন এই সাগরের সৌন্দর্যের একটি অংশ হয়ে গেছে। কেউ সমুদ্রের জলে পা ভেজাচ্ছে, কেউ বীচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে, শিশুরা বালি দিয়ে ঘর বানাচ্ছে। এ যেন চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন। এবারের কক্সবাজার ভ্রমণে এই অংশটা মিসিং ছিল। অতিরিক্ত মানুষের ভিড় যেমন ভ্রমণের আনন্দ ম্লান করে দেয়, তেমনি মানুষের গল্পহীন সমুদ্রও কিছুটা বিষণ্ন, অনেকটাই নির্জন লাগে। মনে হচ্ছিল, সাগরের বিপুল জলরাশি তীরে আছড়ে পড়ছে ঠিকই, কিন্তু এই জলে পা ভেজানোর কেউ নেই বলেই যেন সমুদ্রের মনটাও একটু খারাপ।
রোজার সময় দিনের বেলা সৈকতে মানুষের আনাগোনা আরও কমে যায়। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় ছিল সৈকতের পরিচ্ছন্নতা। সমুদ্রের পানি ছিল তুলনামূলক অনেক বেশি পরিষ্কার, নীলাভ। বালুচরে হাঁটার সময় চোখে পড়েনি প্লাস্টিকের বোতল, চিপস কিংবা বিস্কুটের প্যাকেট।
সারাদিন সমুদ্রপার শান্ত থাকলেও ইফতারের আগমুহূর্তে মানুষের আনাগোনা কিছুটা বেড়ে যায়। ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে সবাই বীচের পাশে রাখা বেঞ্চগুলোতে বসে পড়েন। আবার অনেকেই নিরিবিলি জায়গা বেছে নিয়ে বালুর ওপর চাদর বিছিয়ে ইফতারের প্রস্তুতি নেন। আশেপাশে তাকালেই চোখে পড়বে, সমুদ্রের বালুময় তীরগুলোতে একসঙ্গে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে ইফতার সারছে।
ইফতারের জন্য রাস্তার ধারে ছোট ছোট অনেক খোলা দোকান থাকে। সেখান থেকে ভাজাপোড়া, ছোলা, মুড়ি, জিলাপি—সবই কেনা যায়। বোতলে করে শরবত পাওয়া যায়, ডাবও মেলে সহজেই।

মাথার ওপর খোলা আকাশ, চোখের সামনে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্র রেখে ইফতার করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ। ঢেউয়ের শব্দের সঙ্গে যখন দূরের কোনো মসজিদ থেকে ভেসে আসে মাগরিবের আজান, তখন মনের ভেতর তৈরি হয় অদ্ভুত এক প্রশান্তি। পাখির ডানায় ভর করে সন্ধ্যা নামে সমুদ্রের তীরে, আকাশ ভরে ওঠে অস্তগামী সূর্যের লালচে আভায়। সৃষ্টিকর্তার এমন অপূর্ব সুন্দর সৃষ্টির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার সুযোগ প্রতিদিন পাওয়া যায় না।
সাধারণত সৈকতের পাশে থাকা সারি সারি মার্কেটগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। দাম অনেক বেশি হলেও পরিবার-পরিজনের জন্য ভ্রমণের স্মৃতি হিসেবে আমরা ঝিনুক-মুক্তার মালা, ব্রেসলেট কিংবা কানের দুল কিনে থাকি। সঙ্গে থাকে বাহারি আচারের মেলা। কিন্তু এবারের দৃশ্য ছিল অনেকটাই ভিন্ন।
খদ্দের না থাকায় অনেক দোকানপাটই বন্ধ। খাবারের হোটেলগুলোতেও একই অবস্থা। পর্যটকের অভাবে হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে চলছে ছাড়ের মহাসমারোহ। নামিদামি অনেক হোটেলেই ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট চলছে, যা বছরের অন্য সময়ে কল্পনাও করা যায় না।
কক্সবাজারের এই শান্ত রূপ খুব বেশি দিনের নয়, আমরা সবাই জানি। ঈদের ছুটিতে আবারও লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠবে পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকত। কিন্তু এই তিন দিনের জনমানবহীন, পরিচ্ছন্ন আর শান্ত সাগরের সৌন্দর্য মনের মধ্যে বেঁচে থাকবে অনেকদিন।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
২০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১ দিন আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১ দিন আগে