জন্মদিনে স্মরণ
আজ অভিনেতা আনোয়ার হোসেনের জন্মদিন। ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি পেয়েছিলেন ‘মুকুটহীন নবাব’ উপাধি। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ৩৫০ ছবিতে অভিনয় করেছেন। আমরা কি তাঁকে মনে রেখেছি?
স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন কিছু অভিনয়শিল্পী আছেন, যাদের নাম উচ্চারণ করলে পুরো একটি সিনেমা-যুগের ছবি চোখে ভেসে ওঠে। আনোয়ার হোসেন ঠিক তেমনই একজন। তাঁকে বলা হয় ‘বাংলার মুকুটহীন নবাব’। কারণ, খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ১৯৬৭ সালে মুক্তি পাওয়া ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’–তে তিনি সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে অভিনয় করে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন দর্শকের হৃদয়ে। সেই এক চরিত্রই তাঁকে এনে দিয়েছিল সিনেমার ‘নবাব’ উপাধি।
আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর জামালপুর জেলার মুরুলিয়া গ্রামের মিয়াবাড়িতে। বাবা এ কে এম নাজির হোসেন ছিলেন জেলা সাব-রেজিস্ট্রার। ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহ ছিল তাঁর। ১৯৪০ সালে দেওয়ানগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন এবং স্কুলে নাটক-গান করা শুরু করেন। ১৯৫১ সালে জামালপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে ভর্তি হন ময়মনসিংহ কলেজে। সেখানেই আসকার ইবনে শাইখের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে অভিনয় করার পর নাটকের প্রতি তাঁর আগ্রহ জন্ম নেয়।
কলেজের পড়াশোনা শেষ না করেই আনোয়ার হোসেন চলে আসেন ঢাকায়। প্রথমে চাকরি নেন একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে, তারপর ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েন বেতার ও মঞ্চনাটকের জগতে। ১৯৫৯ সালে ননী দাসের পরিচালনায় ‘এক টুকরো জমি’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে পথচলা শুরু হয়। এরপর ঢাকা বেতারের ‘হাতেম তাই’ নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করে নজর কাড়েন। সেই সময়ই তাঁর পরিচয় হয় চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে।
চলচ্চিত্রে আনোয়ার হোসেনের প্রথম কাজ ১৯৬১ সালে, মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ ছবিতে। সেখানে তিনি অভিনয় করেছিলেন খলনায়কের চরিত্রে। এরপর সালাহউদ্দিনের ‘সূর্যস্নান’ (১৯৬২)–এ প্রথমবার নায়ক চরিত্রে দেখা যায় তাঁকে। এভাবে একে একে ‘জোয়ার এলো’, ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘নাচঘর’, ‘দুই দিগন্ত’, ‘বন্ধন’, ‘একালের রূপকথা’–সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রতিষ্ঠা পান দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা হিসেবে।

আনোয়ার হোসেনের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ১৯৬৭ সালে‘ নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে। এই ছবিতেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘নবাব’। সেই চরিত্রের দেশপ্রেম, দুঃখ ও দৃঢ়তার প্রকাশ তিনি এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন যে দর্শকরা তাঁকে চরিত্র থেকে আলাদা ভাবতে পারেননি। এই চলচ্চিত্রই তাঁর জন্য নিয়ে আসে পাকিস্তানের ‘নিগার পুরস্কার’, আর স্থায়ী করে দেয় তাঁর নামের পাশে ‘মুকুটহীন নবাব’ উপাধি।
আনোয়ার হোসেনের অভিনয়ের পরিসর ছিল বিস্তৃত। ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক, লোকগাথাভিত্তিক—সব ধারার ছবিতেই সমান সাবলীল ছিলেন তিনি। ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে তিনি একজন নীতিবান রাজনীতিবিদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ১৯৭০ সালের উত্তাল সময় তাঁর চরিত্র যেন প্রতীক হয়ে উঠেছিল সৎ রাজনীতির এক অনমনীয় মুখ হিসেবে। আবার ‘বড় ভালো লোক ছিল’–এ দেখা যায় একেবারে ভিন্ন এক আনোয়ার হোসেনকে। আধ্যাত্মিক, শান্ত, বিনয়ী এক খাদেম, যার চোখের ভাষাতেই ফুটে ওঠে মানবিকতা।

শুধু নবাব বা রাজা নন, আনোয়ার হোসেন ছিলেন ঢালিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বায়োপিকে অভিনয় করা অভিনেতা। ‘রাজা সন্ন্যাসী’, ‘শহীদ তীতুমীর’, ‘গাজী কালু চম্পাবতী’, ‘ঈসা খাঁ’—এইসব ঐতিহাসিক চরিত্র ছাড়াও তিনি অসমাপ্ত ‘টিপু সুলতান’ ও ‘বিদ্রোহী নজরুল’–এ অভিনয় করেছিলেন যথাক্রমে হায়দার আলী ও কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে। এমনকি তিনি নিজেকেও নিজের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ (১৯৭২) ছবিতে।
আনোয়ার হোসেন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘একজন শিল্পীর জীবনে রাজনৈতিক সচেতনতা থাকা দরকার, তবে সেটা গায়ে-গতরে নয়, মনে ও উপলব্ধিতে। আমি নবাব সিরাজউদ্দৌলা থেকে সূর্য সংগ্রাম পর্যন্ত যে সব চরিত্রে অভিনয় করেছি, সেগুলোর ভেতর দিয়েই দেশের রাজনৈতিক স্রোতকে দেখাতে চেয়েছি।’
পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে ছিল আনোয়ার হোসেনের অবিচ্ছেদ্য উপস্থিতি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি প্রায় ৩৫০ ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘বন্ধন’, ‘রংবাজ’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘রুপালী সৈকতে’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে হাজির করেছেন।
অভিনয়ের জন্য আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা। ১৯৬৭ সালে নিগার পুরস্কার, ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ ছবির জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ছবিতে সহ-অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার।
১৯৮৫ সালে তিনি একুশে পদক ও দুবার বাচসাস পুরস্কার জেতেন। আর ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি আনোয়ার হোসেনকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করে। ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি চলে যান না–ফেরার দেশে।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন কিছু অভিনয়শিল্পী আছেন, যাদের নাম উচ্চারণ করলে পুরো একটি সিনেমা-যুগের ছবি চোখে ভেসে ওঠে। আনোয়ার হোসেন ঠিক তেমনই একজন। তাঁকে বলা হয় ‘বাংলার মুকুটহীন নবাব’। কারণ, খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ১৯৬৭ সালে মুক্তি পাওয়া ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’–তে তিনি সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে অভিনয় করে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন দর্শকের হৃদয়ে। সেই এক চরিত্রই তাঁকে এনে দিয়েছিল সিনেমার ‘নবাব’ উপাধি।
আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর জামালপুর জেলার মুরুলিয়া গ্রামের মিয়াবাড়িতে। বাবা এ কে এম নাজির হোসেন ছিলেন জেলা সাব-রেজিস্ট্রার। ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহ ছিল তাঁর। ১৯৪০ সালে দেওয়ানগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন এবং স্কুলে নাটক-গান করা শুরু করেন। ১৯৫১ সালে জামালপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে ভর্তি হন ময়মনসিংহ কলেজে। সেখানেই আসকার ইবনে শাইখের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে অভিনয় করার পর নাটকের প্রতি তাঁর আগ্রহ জন্ম নেয়।
কলেজের পড়াশোনা শেষ না করেই আনোয়ার হোসেন চলে আসেন ঢাকায়। প্রথমে চাকরি নেন একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে, তারপর ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েন বেতার ও মঞ্চনাটকের জগতে। ১৯৫৯ সালে ননী দাসের পরিচালনায় ‘এক টুকরো জমি’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে পথচলা শুরু হয়। এরপর ঢাকা বেতারের ‘হাতেম তাই’ নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করে নজর কাড়েন। সেই সময়ই তাঁর পরিচয় হয় চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে।
চলচ্চিত্রে আনোয়ার হোসেনের প্রথম কাজ ১৯৬১ সালে, মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ ছবিতে। সেখানে তিনি অভিনয় করেছিলেন খলনায়কের চরিত্রে। এরপর সালাহউদ্দিনের ‘সূর্যস্নান’ (১৯৬২)–এ প্রথমবার নায়ক চরিত্রে দেখা যায় তাঁকে। এভাবে একে একে ‘জোয়ার এলো’, ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘নাচঘর’, ‘দুই দিগন্ত’, ‘বন্ধন’, ‘একালের রূপকথা’–সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে তিনি প্রতিষ্ঠা পান দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা হিসেবে।

আনোয়ার হোসেনের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ১৯৬৭ সালে‘ নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে। এই ছবিতেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘নবাব’। সেই চরিত্রের দেশপ্রেম, দুঃখ ও দৃঢ়তার প্রকাশ তিনি এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন যে দর্শকরা তাঁকে চরিত্র থেকে আলাদা ভাবতে পারেননি। এই চলচ্চিত্রই তাঁর জন্য নিয়ে আসে পাকিস্তানের ‘নিগার পুরস্কার’, আর স্থায়ী করে দেয় তাঁর নামের পাশে ‘মুকুটহীন নবাব’ উপাধি।
আনোয়ার হোসেনের অভিনয়ের পরিসর ছিল বিস্তৃত। ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক, লোকগাথাভিত্তিক—সব ধারার ছবিতেই সমান সাবলীল ছিলেন তিনি। ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে তিনি একজন নীতিবান রাজনীতিবিদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ১৯৭০ সালের উত্তাল সময় তাঁর চরিত্র যেন প্রতীক হয়ে উঠেছিল সৎ রাজনীতির এক অনমনীয় মুখ হিসেবে। আবার ‘বড় ভালো লোক ছিল’–এ দেখা যায় একেবারে ভিন্ন এক আনোয়ার হোসেনকে। আধ্যাত্মিক, শান্ত, বিনয়ী এক খাদেম, যার চোখের ভাষাতেই ফুটে ওঠে মানবিকতা।

শুধু নবাব বা রাজা নন, আনোয়ার হোসেন ছিলেন ঢালিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বায়োপিকে অভিনয় করা অভিনেতা। ‘রাজা সন্ন্যাসী’, ‘শহীদ তীতুমীর’, ‘গাজী কালু চম্পাবতী’, ‘ঈসা খাঁ’—এইসব ঐতিহাসিক চরিত্র ছাড়াও তিনি অসমাপ্ত ‘টিপু সুলতান’ ও ‘বিদ্রোহী নজরুল’–এ অভিনয় করেছিলেন যথাক্রমে হায়দার আলী ও কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে। এমনকি তিনি নিজেকেও নিজের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ (১৯৭২) ছবিতে।
আনোয়ার হোসেন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘একজন শিল্পীর জীবনে রাজনৈতিক সচেতনতা থাকা দরকার, তবে সেটা গায়ে-গতরে নয়, মনে ও উপলব্ধিতে। আমি নবাব সিরাজউদ্দৌলা থেকে সূর্য সংগ্রাম পর্যন্ত যে সব চরিত্রে অভিনয় করেছি, সেগুলোর ভেতর দিয়েই দেশের রাজনৈতিক স্রোতকে দেখাতে চেয়েছি।’
পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে ছিল আনোয়ার হোসেনের অবিচ্ছেদ্য উপস্থিতি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি প্রায় ৩৫০ ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘বন্ধন’, ‘রংবাজ’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘রুপালী সৈকতে’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে হাজির করেছেন।
অভিনয়ের জন্য আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা। ১৯৬৭ সালে নিগার পুরস্কার, ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ ছবির জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ছবিতে সহ-অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার।
১৯৮৫ সালে তিনি একুশে পদক ও দুবার বাচসাস পুরস্কার জেতেন। আর ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি আনোয়ার হোসেনকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করে। ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি চলে যান না–ফেরার দেশে।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২২ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে