দিন কয়েক ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক সরগরম কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে ঘিরে। একদিকে গতকাল মঙ্গলবার টেলিভিশনের প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে বাবা-মায়ের অভিযোগ; অন্যদিকে রাতে প্রকাশিত ভিডিওতে মায়ের কাছে গিয়ে কান্না করা রিপনের ভিডিও। আজও রিপন মিয়াকে নিয়ে নতুন নতুন ভিডিও প্রকাশিত হচ্ছে। কে এই রিপন মিয়া? কেন তিনি এত আলোচনায়?
স্ট্রিম ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম রিপন মিয়া। পেশায় তিনি কাঠমিস্ত্রি। ফেসবুকে বিনোদনধর্মী কনটেন্ট বানিয়ে অনেক আগেই ভাইরাল হয়েছেন নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তবে বর্তমানে তিনি আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সারাদিনই রিপনকে নিয়ে ছিল চর্চা। একদিকে টেলিভিশনের প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে বাবা-মায়ের অভিযোগ; অন্যদিকে রাতে প্রকাশিত ভিডিওতে মায়ের কাছে গিয়ে কান্না করা রিপনের ভিডিও। এই দুই বিপরীত দৃশ্য নাড়া দিয়েছে পুরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।
গতকাল দুপুরে একাধিক চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের প্রতিবেদনে রিপনের মায়ের বক্তব্য দেখানো হয়। তিনি বলেন, ‘খুব কষ্ট করে মানুষ করছি। কিন্তু এখন পরিচয় দেয় না। আমরা গরিব। পরিচয় দিলে যদি ওর মানসম্মান না থাকে!’

টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর রিপন মিয়া মা-বাবার সঙ্গে না থেকে আলাদা পাকা বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন। বাবা-মাকে ভরণপোষণ দেন না।
এই সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ঠিক এর কিছু পরেই মঙ্গলবার রাতেই নতুন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কান্নাভেজা কণ্ঠে রিপন মিয়া মাকে জড়িয়ে ধরে বলছেন, ‘তোমারে দেহি না আমি? আব্বারে দেহি না আমি? তুমি ইড্ডা কী করলা? আমার জীবনডা শেষ করলা!’ তাঁর মা-ও তখন ছেলেকে আঁকড়ে ধরে কাঁদছেন। এই ভিডিও প্রকাশের পর পরিস্থিতি কিছুটা ঘুরে যায়। পক্ষে-বিপক্ষে আসছে নানান মন্তব্য।
এরও আগে, পরশু সোমবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে রিপন মিয়া একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ‘কয়েকজন টেলিভিশন সাংবাদিক কোনো অনুমতি ছাড়াই আমার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ঘরে নারী সদস্য থাকার পরও ভিডিও করে। পরিবারকে হেনস্তা করেছে তারা।’
আজ যা জানা যাচ্ছে
আজ বুধবার সকাল থেকে আবারও রিপন মিয়াকে নিয়ে নতুন নতুন ভিডিও প্রকাশিত হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং স্থানীয়রা তাঁর বাড়ির আশপাশে ভিড় করছেন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রামের চায়ের দোকানে রিপনের এক প্রতিবেশি বলছেন, রিপন মিয়া একসময় আয়-রোজকার করতেন না। তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এখন ভিডিও বানিয়ে রোজগার করছেন। এখন বিভিন্ন কোম্পানির (স্পন্সর) টাকায় এক-আধ শতক জমি কিনে ঘর তুলেছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, রিপন মিয়া বাবা-মাকে সাহায্য করতে চান, কিন্তু তাঁরা সেটা গ্রহণ করেন না। পাশে থাকা কয়েকজনও তাঁর কথায় সম্মতি দেন।

আরেকটি ভিডিওতে রিপন মিয়ার বাবার সাক্ষাৎকার দেখা যায়। তিনি জানান, সাংবাদিকেরা তাঁর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনার ছেলে কি আপনাকে খরচ দেয়?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন, তিন সন্তানের কেউই তেমন সাহায্য করে না। এরপর রিপন মিয়াকে নিয়ে কথা বলা শুরু করেন।
রিপনের প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বলেন, বড় ছেলে ভিক্ষা করে, ছোট ছেলেও সামান্য সাহায্য করে। রিপন মিয়াও মাঝেমধ্যে টাকা-পয়সা দেয়, এটা-ওটা কিনে আনে, দেখা হলে সালাম করে। তিনি দাবি করেছেন, রিপন মিয়াকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
কে এই রিপন মিয়া? কেন এত আলোচনায়
রিপন মিয়া তাঁর সহজ-সরল কথা আর গ্রামের দৈনন্দিন জীবনের গল্প বলার কারণে অনলাইনে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর শুরুটা হয় ২০১৬ সালে। তাঁর সেই বিখ্যাত ভিডিও ‘বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক, তোমার সাথে গল্প করব আমি সারা রাত’ প্রথম ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রিপন মিয়ার মজার ভিডিওগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর পরিচিতি। প্রথমদিকে তিনি কাজের ফাঁকে কবিতা পড়ার ভিডিও বানাতেন। এ ছাড়া কাঠমিস্ত্রির কাজের ভিডিও, উদ্দেশ্যহীন হাঁটাহাঁটি, সাইকেলে চড়ে কাজে যাওয়া, নিজের রান্না করা খাবার খাওয়া কিংবা মজার ছলে ইংরেজি সংবাদপত্র পড়ার ভান করার মতো সাধারণ ঘটনাগুলো নিয়ে ভিডিও বানাতেন। ধীরে ধীরে শহরের মধ্যবিত্ত দর্শকদের কাছেও তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন গ্রামীণ কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে।

রিপন মিয়ার কনটেন্টে কোনো বাড়াবাড়ি নেই। অতিরিক্ত সাজসজ্জা বা ‘স্পেশাল এফেক্ট’ নেই। এই সরল, বাস্তব জীবনের দৃশ্য দিয়েই তিনি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। রিপনের গ্রামীণ ও সহজ জীবনযাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকদিন ধরেই নানা রূপে প্রকাশ পেয়েছে।
শুরুর দিকে রিপন এমন কিছু ভিডিও বানাতেন, যেগুলোকে অনেকেই ‘ক্রিঞ্জ’ বলে ঠাট্টা করতেন। প্রথমদিকে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেলেও তিনি তা দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেননি। এমনকি পরে ভাইরাল ভিডিও থেকে তেমন অর্থ উপার্জন করতে পারেননি। একের পর এক চ্যানেল-পেজ হ্যাক হয়ে যাচ্ছিল। ২০১৯ সালের দিকে একসময় মনে করেছিলেন, সব ছেড়ে দেবেন। কনটেন্ট বানানো ছেড়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কাঠমিস্ত্রির কাজে।
এরপর এক মিডিয়া ম্যানেজারের সঙ্গে পরিচয় হয় রিপনের। নতুনভাবে আবার শুরু করেন কনটেন্ট নির্মাণ। তবে এবারে ভিডিও বানানো বাদে বাকি সবকিছুর দায়িত্ব নেয় ম্যানেজার। এখন তাঁর ভিডিও তৈরি থেকে সম্পাদনা পর্যন্ত একটি দল কাজ করে। রিপন মিয়া মনে করেন, তাঁর জনপ্রিয়তার পেছনে এই দলের ভূমিকা অনেক বেশি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, ভিডিও থেকে উপার্জিত অর্থের লভ্যাংশও তাঁরা সমানভাবে ভাগাভাগি করে নেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম রিপন মিয়া। পেশায় তিনি কাঠমিস্ত্রি। ফেসবুকে বিনোদনধর্মী কনটেন্ট বানিয়ে অনেক আগেই ভাইরাল হয়েছেন নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তবে বর্তমানে তিনি আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সারাদিনই রিপনকে নিয়ে ছিল চর্চা। একদিকে টেলিভিশনের প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে বাবা-মায়ের অভিযোগ; অন্যদিকে রাতে প্রকাশিত ভিডিওতে মায়ের কাছে গিয়ে কান্না করা রিপনের ভিডিও। এই দুই বিপরীত দৃশ্য নাড়া দিয়েছে পুরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে।
গতকাল দুপুরে একাধিক চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের প্রতিবেদনে রিপনের মায়ের বক্তব্য দেখানো হয়। তিনি বলেন, ‘খুব কষ্ট করে মানুষ করছি। কিন্তু এখন পরিচয় দেয় না। আমরা গরিব। পরিচয় দিলে যদি ওর মানসম্মান না থাকে!’

টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর রিপন মিয়া মা-বাবার সঙ্গে না থেকে আলাদা পাকা বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন। বাবা-মাকে ভরণপোষণ দেন না।
এই সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ঠিক এর কিছু পরেই মঙ্গলবার রাতেই নতুন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কান্নাভেজা কণ্ঠে রিপন মিয়া মাকে জড়িয়ে ধরে বলছেন, ‘তোমারে দেহি না আমি? আব্বারে দেহি না আমি? তুমি ইড্ডা কী করলা? আমার জীবনডা শেষ করলা!’ তাঁর মা-ও তখন ছেলেকে আঁকড়ে ধরে কাঁদছেন। এই ভিডিও প্রকাশের পর পরিস্থিতি কিছুটা ঘুরে যায়। পক্ষে-বিপক্ষে আসছে নানান মন্তব্য।
এরও আগে, পরশু সোমবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে রিপন মিয়া একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ‘কয়েকজন টেলিভিশন সাংবাদিক কোনো অনুমতি ছাড়াই আমার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ঘরে নারী সদস্য থাকার পরও ভিডিও করে। পরিবারকে হেনস্তা করেছে তারা।’
আজ যা জানা যাচ্ছে
আজ বুধবার সকাল থেকে আবারও রিপন মিয়াকে নিয়ে নতুন নতুন ভিডিও প্রকাশিত হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং স্থানীয়রা তাঁর বাড়ির আশপাশে ভিড় করছেন। এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রামের চায়ের দোকানে রিপনের এক প্রতিবেশি বলছেন, রিপন মিয়া একসময় আয়-রোজকার করতেন না। তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এখন ভিডিও বানিয়ে রোজগার করছেন। এখন বিভিন্ন কোম্পানির (স্পন্সর) টাকায় এক-আধ শতক জমি কিনে ঘর তুলেছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, রিপন মিয়া বাবা-মাকে সাহায্য করতে চান, কিন্তু তাঁরা সেটা গ্রহণ করেন না। পাশে থাকা কয়েকজনও তাঁর কথায় সম্মতি দেন।

আরেকটি ভিডিওতে রিপন মিয়ার বাবার সাক্ষাৎকার দেখা যায়। তিনি জানান, সাংবাদিকেরা তাঁর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনার ছেলে কি আপনাকে খরচ দেয়?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন, তিন সন্তানের কেউই তেমন সাহায্য করে না। এরপর রিপন মিয়াকে নিয়ে কথা বলা শুরু করেন।
রিপনের প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বলেন, বড় ছেলে ভিক্ষা করে, ছোট ছেলেও সামান্য সাহায্য করে। রিপন মিয়াও মাঝেমধ্যে টাকা-পয়সা দেয়, এটা-ওটা কিনে আনে, দেখা হলে সালাম করে। তিনি দাবি করেছেন, রিপন মিয়াকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
কে এই রিপন মিয়া? কেন এত আলোচনায়
রিপন মিয়া তাঁর সহজ-সরল কথা আর গ্রামের দৈনন্দিন জীবনের গল্প বলার কারণে অনলাইনে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর শুরুটা হয় ২০১৬ সালে। তাঁর সেই বিখ্যাত ভিডিও ‘বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক, তোমার সাথে গল্প করব আমি সারা রাত’ প্রথম ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রিপন মিয়ার মজার ভিডিওগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর পরিচিতি। প্রথমদিকে তিনি কাজের ফাঁকে কবিতা পড়ার ভিডিও বানাতেন। এ ছাড়া কাঠমিস্ত্রির কাজের ভিডিও, উদ্দেশ্যহীন হাঁটাহাঁটি, সাইকেলে চড়ে কাজে যাওয়া, নিজের রান্না করা খাবার খাওয়া কিংবা মজার ছলে ইংরেজি সংবাদপত্র পড়ার ভান করার মতো সাধারণ ঘটনাগুলো নিয়ে ভিডিও বানাতেন। ধীরে ধীরে শহরের মধ্যবিত্ত দর্শকদের কাছেও তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন গ্রামীণ কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে।

রিপন মিয়ার কনটেন্টে কোনো বাড়াবাড়ি নেই। অতিরিক্ত সাজসজ্জা বা ‘স্পেশাল এফেক্ট’ নেই। এই সরল, বাস্তব জীবনের দৃশ্য দিয়েই তিনি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। রিপনের গ্রামীণ ও সহজ জীবনযাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকদিন ধরেই নানা রূপে প্রকাশ পেয়েছে।
শুরুর দিকে রিপন এমন কিছু ভিডিও বানাতেন, যেগুলোকে অনেকেই ‘ক্রিঞ্জ’ বলে ঠাট্টা করতেন। প্রথমদিকে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেলেও তিনি তা দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেননি। এমনকি পরে ভাইরাল ভিডিও থেকে তেমন অর্থ উপার্জন করতে পারেননি। একের পর এক চ্যানেল-পেজ হ্যাক হয়ে যাচ্ছিল। ২০১৯ সালের দিকে একসময় মনে করেছিলেন, সব ছেড়ে দেবেন। কনটেন্ট বানানো ছেড়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কাঠমিস্ত্রির কাজে।
এরপর এক মিডিয়া ম্যানেজারের সঙ্গে পরিচয় হয় রিপনের। নতুনভাবে আবার শুরু করেন কনটেন্ট নির্মাণ। তবে এবারে ভিডিও বানানো বাদে বাকি সবকিছুর দায়িত্ব নেয় ম্যানেজার। এখন তাঁর ভিডিও তৈরি থেকে সম্পাদনা পর্যন্ত একটি দল কাজ করে। রিপন মিয়া মনে করেন, তাঁর জনপ্রিয়তার পেছনে এই দলের ভূমিকা অনেক বেশি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, ভিডিও থেকে উপার্জিত অর্থের লভ্যাংশও তাঁরা সমানভাবে ভাগাভাগি করে নেন।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১ দিন আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে