আজ ২১ জানুয়ারি ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের মৃত্যুদিন। মাত্র ৫৩ বছর বয়সে থেমে যায় তাঁর জীবন। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া চিন্তা ও রাজনীতির প্রভাব এখনো আছে।
স্ট্রিম ডেস্ক

১৮৪৮ সালে কার্ল মার্ক্স বলেছিলেন, ‘ইউরোপ ভূত দেখেছে; কমিউনিজমের ভূত।’ বিশ শতকজুড়ে ইউরোপ ও আমেরিকাকে কমিউনিজমের এ ভূত তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। পৃথিবী থেকে সমাজতন্ত্র ধ্বংস করতে তারা কখনও চালিয়েছে সরাসরি যুদ্ধ, কখনও স্নায়ুযুদ্ধ। ১৯১৭ সালে সংঘটিত রুশ বিপ্লবের অগ্রনায়ক লেনিন প্রতিষ্ঠা করেন ইতিহাসের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। একটি পশ্চাৎপদ পুঁজিবাদী দেশে বিপ্লব সংঘটনের রাস্তা দেখিয়ে ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।
আজ ২১ জানুয়ারি। ১৯২৪ সালের এই দিনে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং রুশ বিপ্লবের মহানায়ক ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ, যাকে বিশ্ব চেনে ‘লেনিন’ নামে।
আজ তার ১০২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরে দেখা যাক এই বিপ্লবী নেতার জন্ম ও কর্মময় জীবন।
লেনিন ১৮৭০ সালের ২২ এপ্রিল রাশিয়ার সিম্বিরস্ক (বর্তমান উলিয়ানভস্ক) শহরে ভলগা নদীর তীরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ইলিয়া নিকোলভিচ ছিলেন স্কুল পরিদর্শক, মা মারিয়া আলেকজান্ড্রাভনা শিক্ষক। বেশ স্বচ্ছল ও শিক্ষিত পরিবারেই তাঁর বেড়ে ওঠা।

তবে কিশোর বয়সে একটি ট্র্যাজেডি তাঁর জীবনকে চিরতরে বদলে দেয়। ১৮৮৭ সালে তাঁর বড় ভাই আলেকজান্ডার উলিয়ানভকে জার (রাশিয়ার সম্রাট) হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। ভাইয়ের এই মৃত্যু লেনিনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, ভাইয়ের মতো আবেগী ও বিচ্ছিন্ন পথে নয়, তিনি জারের পতন ঘটাবেন এক সুসংগঠিত ও বিজ্ঞানসম্মত বিপ্লবের মাধ্যমে। এই সংকল্পই তাঁকে মার্কসবাদের দিকে ঠেলে দেয়।
কাজান বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়ার সময় ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে লেনিনকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি নেন। ১৮৯৫ সালে তিনি মার্কসবাদী দলের হয়ে কাজ শুরু করেন। রাজনৈতিক কার্যকলাপের জন্য তাঁকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। সেখানেই তিনি তাঁর ছদ্মনাম ‘লেনিন’ গ্রহণ করেন। ধারণা করা হয় সাইবেরিয়ার লেনা নদী থেকে এই নামকরণ।
স্বৈরতান্ত্রিক জারের ভয়ানক নির্যাতনে লেনিনের জীবন কখনোই স্থির ছিল না। বন্দি ও পলাতক জীবন এবং নির্বাসনের মধ্যে স্ত্রী ক্রুপস্কায়াকে নিয়ে কেটেছে তাঁর জীবন। তবুও এক অমিত শক্তি নিয়ে তিনি অব্যাহত রেখেছেন বিপ্লবী কর্মযজ্ঞ। অব্যাহতভাবে প্রকাশ করেছেন ইস্ক্রা পত্রিকা। এভাবে একদিন নতুন সূর্যের ভোর আসে ১৯১৭ সালে; সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে।
১৯১৪ সালের প্রথমার্ধে রাশিয়ায় বিপ্লবী আন্দোলন ক্রমেই ব্যাপক হয়ে ওঠে এবং ১৫ লাখ শ্রমিক সেই ধর্মঘটে অংশ নেয়। অর্থনৈতিক ধর্মঘটের সঙ্গে রাজনৈতিক ধর্মঘট জড়িয়ে পড়েছিল। এ বছরই ইউরোপে দুই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মধ্যে শুরু হয় লড়াই। যা বিশ্বযুদ্ধে রূপ নেয়। এদের এক দলে জার্মানি ও অস্ট্রো হাঙ্গেরি এবং অন্য দলে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও রাশিয়া। দুই দলই অনুসরণ করছিল রাজ্যগ্রাসী নীতি। পরে যুদ্ধে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অন্যান্য রাষ্ট্র।
যুদ্ধের সময় অস্ট্রিয়ার সরকার জার সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে লেনিনকে গ্রেফতার করে। তবে লেনিনের সমর্থকদের বিক্ষোভের কারণে দুই সপ্তাহ পর তিনি ছাড়া পেয়ে সুইজারল্যান্ড চলে যান। বিভিন্ন স্থানে গোপনে রাজনৈতিক কাজ করে প্রায় ১০ বছর পর ১৯১৭ সালের ৩ এপ্রিল রাতে লেনিন রাশিয়ায় পৌঁছতে সক্ষম হন। ভ্লাদিমির লেনিন বুর্জোয়া সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভ্যুত্থান, প্রলেতারীয় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালে তা সমর্থন করে দেশে ২৫০টির বেশি সোভিয়েত।

১ অক্টোবরের পত্রে লেলিন আর বিলম্ব না করে এগুতে বলেন। ২৪ অক্টোবর রাতে রাশিয়ার পেত্রগ্রাদের ফাঁকা রাস্তাগুলোয় যখন কসাক ও ইউঙ্কার বাহিনী টহল দিচ্ছিল, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লেনিন স্মোলনি আসেন এবং অভ্যুত্থান পরিচালনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
লেনিন ও বলশেভিক পার্টির নেতৃত্ব, শ্রমিক, সৈন্য ও নাবিকদের আত্মোৎসর্গী সংগ্রাম ও বীরত্বের ফলে বিশ্ব ইতিহাসে এক মহাসাফল্যের ঘটনা ঘটে—জমিদার ও পুঁজিবাদ ধ্বংস হয়। ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় পেত্রগ্রাদ সোভিয়েতের অধীনস্থ সামরিক বিপ্লব কমিটি লেনিনের বিবৃতি প্রকাশ করে ঘোষণা দিল, ‘যে আদর্শের জন্য জনগণ লড়ছিল তা সফল হয়েছে।’ পরদিন সন্ধ্যায় স্মোলনিতে শুরু হয় দ্বিতীয় সোভিয়েত কংগ্রেস। এতে নানা অঞ্চল থেকে ৬৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪০০ জনই বলশেভিক।
এটিই ইতিহাসে ‘অক্টোবর বিপ্লব’ বা ‘রুশ বিপ্লব’ নামে পরিচিত। এই বিপ্লব পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পুঁজিবাদের পরিবর্তে শ্রমিক-কৃষকের রাষ্ট্র কায়েম করে।
ক্ষমতায় আসার পর লেনিনকে চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। একদিকে বিশ্বযুদ্ধ থেকে রাশিয়াকে বের করে আনা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ।
১৯২২ সালে লেনিন প্রতিষ্ঠা করেন ‘ইউনিয়ন অব সোভিয়েত সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকস’ বা সোভিয়েত ইউনিয়ন। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে তিনি ‘নয়া অর্থনৈতিক নীতি’ চালু করেন, যা সমাজতন্ত্রের পাশাপাশি সীমিত আকারে বাজার অর্থনীতির সুযোগ রেখেছিল।
১৯১৮ সালে ফানিয়া কাপলান নামের এক নারীর গুলিতে লেনিন গুরুতর আহত হন। এই আঘাত তার স্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে। পরবর্তীতে তিনি একাধিকবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৯২৪ সালের ২১ জানুয়ারি, আজকের এই দিনে ৫৩ বছর বয়সে তিনি মস্কোর অদূরে গোর্কি নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন।

১৮৪৮ সালে কার্ল মার্ক্স বলেছিলেন, ‘ইউরোপ ভূত দেখেছে; কমিউনিজমের ভূত।’ বিশ শতকজুড়ে ইউরোপ ও আমেরিকাকে কমিউনিজমের এ ভূত তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। পৃথিবী থেকে সমাজতন্ত্র ধ্বংস করতে তারা কখনও চালিয়েছে সরাসরি যুদ্ধ, কখনও স্নায়ুযুদ্ধ। ১৯১৭ সালে সংঘটিত রুশ বিপ্লবের অগ্রনায়ক লেনিন প্রতিষ্ঠা করেন ইতিহাসের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। একটি পশ্চাৎপদ পুঁজিবাদী দেশে বিপ্লব সংঘটনের রাস্তা দেখিয়ে ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।
আজ ২১ জানুয়ারি। ১৯২৪ সালের এই দিনে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং রুশ বিপ্লবের মহানায়ক ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ, যাকে বিশ্ব চেনে ‘লেনিন’ নামে।
আজ তার ১০২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরে দেখা যাক এই বিপ্লবী নেতার জন্ম ও কর্মময় জীবন।
লেনিন ১৮৭০ সালের ২২ এপ্রিল রাশিয়ার সিম্বিরস্ক (বর্তমান উলিয়ানভস্ক) শহরে ভলগা নদীর তীরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ইলিয়া নিকোলভিচ ছিলেন স্কুল পরিদর্শক, মা মারিয়া আলেকজান্ড্রাভনা শিক্ষক। বেশ স্বচ্ছল ও শিক্ষিত পরিবারেই তাঁর বেড়ে ওঠা।

তবে কিশোর বয়সে একটি ট্র্যাজেডি তাঁর জীবনকে চিরতরে বদলে দেয়। ১৮৮৭ সালে তাঁর বড় ভাই আলেকজান্ডার উলিয়ানভকে জার (রাশিয়ার সম্রাট) হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। ভাইয়ের এই মৃত্যু লেনিনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, ভাইয়ের মতো আবেগী ও বিচ্ছিন্ন পথে নয়, তিনি জারের পতন ঘটাবেন এক সুসংগঠিত ও বিজ্ঞানসম্মত বিপ্লবের মাধ্যমে। এই সংকল্পই তাঁকে মার্কসবাদের দিকে ঠেলে দেয়।
কাজান বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়ার সময় ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে লেনিনকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি নেন। ১৮৯৫ সালে তিনি মার্কসবাদী দলের হয়ে কাজ শুরু করেন। রাজনৈতিক কার্যকলাপের জন্য তাঁকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। সেখানেই তিনি তাঁর ছদ্মনাম ‘লেনিন’ গ্রহণ করেন। ধারণা করা হয় সাইবেরিয়ার লেনা নদী থেকে এই নামকরণ।
স্বৈরতান্ত্রিক জারের ভয়ানক নির্যাতনে লেনিনের জীবন কখনোই স্থির ছিল না। বন্দি ও পলাতক জীবন এবং নির্বাসনের মধ্যে স্ত্রী ক্রুপস্কায়াকে নিয়ে কেটেছে তাঁর জীবন। তবুও এক অমিত শক্তি নিয়ে তিনি অব্যাহত রেখেছেন বিপ্লবী কর্মযজ্ঞ। অব্যাহতভাবে প্রকাশ করেছেন ইস্ক্রা পত্রিকা। এভাবে একদিন নতুন সূর্যের ভোর আসে ১৯১৭ সালে; সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে।
১৯১৪ সালের প্রথমার্ধে রাশিয়ায় বিপ্লবী আন্দোলন ক্রমেই ব্যাপক হয়ে ওঠে এবং ১৫ লাখ শ্রমিক সেই ধর্মঘটে অংশ নেয়। অর্থনৈতিক ধর্মঘটের সঙ্গে রাজনৈতিক ধর্মঘট জড়িয়ে পড়েছিল। এ বছরই ইউরোপে দুই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মধ্যে শুরু হয় লড়াই। যা বিশ্বযুদ্ধে রূপ নেয়। এদের এক দলে জার্মানি ও অস্ট্রো হাঙ্গেরি এবং অন্য দলে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও রাশিয়া। দুই দলই অনুসরণ করছিল রাজ্যগ্রাসী নীতি। পরে যুদ্ধে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অন্যান্য রাষ্ট্র।
যুদ্ধের সময় অস্ট্রিয়ার সরকার জার সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে লেনিনকে গ্রেফতার করে। তবে লেনিনের সমর্থকদের বিক্ষোভের কারণে দুই সপ্তাহ পর তিনি ছাড়া পেয়ে সুইজারল্যান্ড চলে যান। বিভিন্ন স্থানে গোপনে রাজনৈতিক কাজ করে প্রায় ১০ বছর পর ১৯১৭ সালের ৩ এপ্রিল রাতে লেনিন রাশিয়ায় পৌঁছতে সক্ষম হন। ভ্লাদিমির লেনিন বুর্জোয়া সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভ্যুত্থান, প্রলেতারীয় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালে তা সমর্থন করে দেশে ২৫০টির বেশি সোভিয়েত।

১ অক্টোবরের পত্রে লেলিন আর বিলম্ব না করে এগুতে বলেন। ২৪ অক্টোবর রাতে রাশিয়ার পেত্রগ্রাদের ফাঁকা রাস্তাগুলোয় যখন কসাক ও ইউঙ্কার বাহিনী টহল দিচ্ছিল, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লেনিন স্মোলনি আসেন এবং অভ্যুত্থান পরিচালনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
লেনিন ও বলশেভিক পার্টির নেতৃত্ব, শ্রমিক, সৈন্য ও নাবিকদের আত্মোৎসর্গী সংগ্রাম ও বীরত্বের ফলে বিশ্ব ইতিহাসে এক মহাসাফল্যের ঘটনা ঘটে—জমিদার ও পুঁজিবাদ ধ্বংস হয়। ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় পেত্রগ্রাদ সোভিয়েতের অধীনস্থ সামরিক বিপ্লব কমিটি লেনিনের বিবৃতি প্রকাশ করে ঘোষণা দিল, ‘যে আদর্শের জন্য জনগণ লড়ছিল তা সফল হয়েছে।’ পরদিন সন্ধ্যায় স্মোলনিতে শুরু হয় দ্বিতীয় সোভিয়েত কংগ্রেস। এতে নানা অঞ্চল থেকে ৬৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪০০ জনই বলশেভিক।
এটিই ইতিহাসে ‘অক্টোবর বিপ্লব’ বা ‘রুশ বিপ্লব’ নামে পরিচিত। এই বিপ্লব পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পুঁজিবাদের পরিবর্তে শ্রমিক-কৃষকের রাষ্ট্র কায়েম করে।
ক্ষমতায় আসার পর লেনিনকে চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। একদিকে বিশ্বযুদ্ধ থেকে রাশিয়াকে বের করে আনা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ।
১৯২২ সালে লেনিন প্রতিষ্ঠা করেন ‘ইউনিয়ন অব সোভিয়েত সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকস’ বা সোভিয়েত ইউনিয়ন। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে তিনি ‘নয়া অর্থনৈতিক নীতি’ চালু করেন, যা সমাজতন্ত্রের পাশাপাশি সীমিত আকারে বাজার অর্থনীতির সুযোগ রেখেছিল।
১৯১৮ সালে ফানিয়া কাপলান নামের এক নারীর গুলিতে লেনিন গুরুতর আহত হন। এই আঘাত তার স্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে। পরবর্তীতে তিনি একাধিকবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৯২৪ সালের ২১ জানুয়ারি, আজকের এই দিনে ৫৩ বছর বয়সে তিনি মস্কোর অদূরে গোর্কি নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন।
.png)

পৃথিবীতে এমনও একটি দেশ আছে, যেখানে ট্রেনের দেরি মিনিটে নয়, সেকেন্ডে মাপা হয়। আর সামান্য দেরি হলেও যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চায় রেল কর্তৃপক্ষ। কীভাবে এমন রেলব্যবস্থা গড়ে তুলেছে জাপান?
২ ঘণ্টা আগে
মুসলিম বিশ্বে ভাস্কর্য নিয়ে নানা ধরনের মতভেদ দেখা যায়। কোথাও ধর্মীয় ব্যাখ্যার কারণে মানবমূর্তি নির্মাণে সংযম দেখা যায়, কোথাও আবার জাতীয় বীর, স্বাধীনতা সংগ্রাম বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে স্মরণ করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ। ফলে ‘মুসলিম দুনিয়ায় ভাস্কর্য নেই’—এমন ধারণা যেমন সঠিক নয়, ত
৫ ঘণ্টা আগে
এরই মধ্যে র্যাপ এই আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক নতুন গান প্রকাশ হচ্ছে, যা মুহূর্তেই পৌঁছে যাচ্ছে লাখো মানুষের কাছে। অনেক পরিচিত র্যাপারও সরাসরি আন্দোলনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর শিল্পচর্চার সবচেয়ে পুরোনো মাধ্যমগুলোর একটি ভাস্কর্য। এর মাধ্যমে কোনো ঘটনা, ব্যক্তি বা সময়কে আটকে দেওয়া যায়। হাজার বছর থেকেই মানুষ পাথর কেটে বানিয়েছে বিখ্যাত সব ভাস্কর্য। উদ্দেশ্য, মানুষের মনে সেই স্মৃতি জাগিয়ে রাখা।
৮ ঘণ্টা আগে