জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কা সার কারখানায়, পাঁচটির উৎপাদন বন্ধ, আমদানিতে বিকল্প খুঁজছে সরকার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০: ৫৭
চট্টগ্রামের ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্নের কারণে গ্যাস সংকটে দেশের ছয়টি প্রধান ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত এবং একটি বেসরকারি কারখানা বন্ধ রয়েছে। গ্যাস সংকটের কারণে গত ৫ মার্চ এসব কারখানার উৎপাদন বন্ধ করা হয়। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সরকার এখন বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে ১৫ দিনের মধ্যে উৎপাদন আবার চালু করা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বন্ধের ফলে সাময়িকভাবে ১ লাখ টনের বেশি সম্ভাব্য ইউরিয়া উৎপাদন ঘাটতি হবে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য থেকে সার আমদানিতেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সংকট না হলেও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন বন্ধ হলো সার কারখানাগুলো

ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশের প্রধান সার কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী হয়ে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বাংলাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অগ্রাধিকার দিতে সরকার শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

দেশে বছরে ইউরিয়ার চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ টন দেশে উৎপাদন হয়। বাকি ১৬ লাখ টন ইউরিয়া আমদানি করা হয়। কিন্তু কারখানা বন্ধ থাকলে এবার আরও বেশি ইউরিয়া সার আমদানি করতে হবে।

এর ফলে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি সার কারখানা বন্ধ করা হয়। বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো হলো— ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা, চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল), যমুনা সার কারখানা, আশুগঞ্জ সার কারখানা, কর্ণফুলি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। বর্তমানে কেবল শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি উৎপাদন চালু রেখেছে।

বিসিআইসির পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান বলেন, “গ্যাস সংকটে আমাদের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা ১৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। টিএসপি ও ডিএপি কারখানাগুলো চালু আছে। আপাতত এই সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

দেশে বছরে ইউরিয়ার চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ টন দেশে উৎপাদন হয়। বাকি ১৬ লাখ টন ইউরিয়া আমদানি করা হয়। কিন্তু কারখানা বন্ধ থাকলে এবার আরও বেশি ইউরিয়া সার আমদানি করতে হবে।

আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা

ইউরিয়ার পর দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সার হলো ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি)। সৌদি আরব বাংলাদেশের জন্য ডিএপি সারের অন্যতম প্রধান উৎস। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরব থেকে ডিএপি আমদানিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

চলমান বোরো মৌসুমে ডিএপির কোনো বড় সংকট না থাকলেও জুনে আমন মৌসুম শুরু হলে চাহিদা বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সৌদি আরব থেকে ডিএপি আমদানি বন্ধ থাকে এবং বিকল্প উৎস নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে ডিএপির সরবরাহ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়তে পারে।

কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে ডিএপি সারের চাহিদা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন। এর মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বছরে প্রায় ১ লাখ টন উৎপাদন করে। বাকি চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) চলতি বছর (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) মোট ২৬ লাখ টন সার আমদানির পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— ১১ লাখ ৭০ হাজার টন ডিএপি, ৮ লাখ ৫৯ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি), ৬ লাখ ৫০ হাজার টন ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি)।

বাংলাদেশ মূলত সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—মধ্যপ্রাচ্যের এই তিনটি দেশ থেকে সার আমদানি করে। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইউরিয়া, সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া ও ডিএপি আসে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সরকার এখন বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

বিএডিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিকল্প উৎস দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনাও চলছে। ইতোমধ্যে চীন ও মিসর বাংলাদেশকে ডিএপি সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকেও বাংলাদেশকে টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি—প্রতিটি সারের ২ লাখ টন করে সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে দুবাই অন্য দেশ থেকে সার সংগ্রহ করে বাংলাদেশে সরবরাহ করতে পারে। মিসর থেকে বছরে ৩ লাখ টন ডিএপি এবং ৩ লাখ টন টিএসপি রপ্তানির প্রস্তাব এসেছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।

আপাতত সংকট নেই

দেশে ব্যবহৃত মোট রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়ার অংশ প্রায় ৭০–৭৫ শতাংশ। বোরো ধান চাষে এই সারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪ কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়, যার অর্ধেকেরও বেশি আসে বোরো মৌসুম থেকে। বর্তমানে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ প্রায় শেষ। এ মৌসুমে ইউরিয়ার প্রধান ব্যবহার হয় ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে। এই সময়ের জন্য পর্যাপ্ত সার মজুত থাকায় কৃষকদের জন্য তাত্ক্ষণিক কোনো সংকট দেখা দেবে না বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয় ও বিসিআইসি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং শাখার যুগ্মসচিব মো. খোরশেদ আলম জানান, বর্তমানে দেশে মোট সারের মজুত রয়েছে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টন। এর মধ্যে ইউরিয়া রয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টন, ডিএপি ৪ লাখ ৭১ হাজার টন এবং এমওপি ৩ লাখ ৪৯ হাজার টন। এই মজুত মে-জুন মাস পর্যন্ত চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ বোরো ধান মৌসুমে আপাতত সারের কোনো ঘাটতি নেই। বর্তমানে দেশে প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮১ হাজার টন ইউরিয়া মজুত রয়েছে এবং অন্যান্য সারসহ মোট মজুতের পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার টন। এই মজুত মে-জুন পর্যন্ত চাহিদা পূরণে যথেষ্ট বলে তারা মনে করছেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহাম্মদ বলেন, ‘এই মুহূর্তে দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। দেশে যে মজুত আছে তা দিয়ে আগামী দুই মাস চলবে। তাই সার কারখানাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও কৃষিতে এর কোনো প্রভাব পড়বে না। আগামী মৌসুমেও যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয় তার জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমরা মিশর ও চীনসহ অন্যান্য দেশ থেকেও সার আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছি।’

বিসিআইসির পরিচালক মনিরুজ্জামানও বলেন, ‘কারখানাগুলো এই কয়দিন বন্ধ থাকায় সার উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি হলেও আপাতত তেমন কোনও সংকট দেখা দিবে না। বর্তমানে সারের যে মজুদ আছে তা দিয়ে জুন পর্যন্ত অনায়াসে চলে যাবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ রাখতে হলে সংকট দেখা দিতে পারে। যদি তেমন পরিস্থিতি আসে তখন আমরা এই বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা করব।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং শাখার যুগ্মসচিব মো. খোরশেদ আলম জানান, বর্তমানে দেশে মোট সারের মজুত রয়েছে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টন। এর মধ্যে ইউরিয়া রয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টন, ডিএপি ৪ লাখ ৭১ হাজার টন এবং এমওপি ৩ লাখ ৪৯ হাজার টন। এই মজুত মে-জুন মাস পর্যন্ত চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে।

দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, সার ও এর কাঁচামালের সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকলেও এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষি খাতে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এতে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম সতর্ক করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আন্তর্জাতিক বাজারে সারের সংকট তৈরি করেছে। দাম দ্রুত বেড়েছে এবং যুদ্ধ বন্ধ না হলে আরও বাড়তে পারে। দেশের ভেতরেও চলতি বোরো মৌসুমে ইতোমধ্যে কিছু সংকট দেখা যাচ্ছে। কৃষকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না এবং অনেক ক্ষেত্রে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে যদি আমাদের নিজস্ব সার কারখানাগুলো দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তাহলে তা কৃষির জন্য বিপর্যয়কর হবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অ্যামোনিয়া ও নাইট্রোজেন পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুটি উপাদান সার উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। এর ফলে বৈশ্বিক সার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি বড় সার কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম দ্রুত বাড়ছে।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন ইউরিয়ার দাম ছিল ৪৮৪ থেকে ৪৯০ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে ৬২৫ ডলারে পৌঁছেছে। সিআরইউর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সব ধরনের সারের দাম গড়ে ১২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বব্যাপী সার, খনি ও ধাতু বাজার নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠান সিআরইউ আন্তর্জাতিক সারের বেঞ্চমার্ক মূল্য নির্ধারণ করে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর থেকে ইউরিয়া সারের দাম ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন ইউরিয়ার দাম ছিল ৪৮৪ থেকে ৪৯০ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে ৬২৫ ডলারে পৌঁছেছে। সিআরইউর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সব ধরনের সারের দাম গড়ে ১২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড সল্যুশনস (ডাব্লিইআইটিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরান বিশ্বে ইউরিয়া রপ্তানিতে চতুর্থ বৃহত্তম দেশ। এর আগে রয়েছে রাশিয়া, মিশর ও সৌদি আরব। বিশ্বে সার উৎপাদনের কাঁচামালের প্রায় এক-চতুর্থাংশ থেকে এক-তৃতীয়াংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়। এর পাশাপাশি সালফারের উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে, যা উদ্ভিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি আমদানিকারক দেশগুলো সময়মতো সার বা সারের কাঁচামাল না পায়, তাহলে কৃষকদের সামনে কয়েকটি কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যেমন বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হওয়া, সারের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া, অথবা বিকল্প ফসলের দিকে ঝুঁকে পড়া।

এসব পরিবর্তন শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক খাদ্য উৎপাদন এবং খাদ্যের দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

সম্পর্কিত