দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নের মাঝে দল পরিচালনায় ব্যস্ত সময় কেটেছে খালেদা জিয়ার। এরপর অসুস্থতা, কারাবাস ও ঘরবন্দি জীবনের কঠিন সময়ে পেরিয়ে গেছে বছর দশেক। সেই সব অধ্যায় পেরিয়ে, গুলশানের চেনা ঠিকানায় এখন কিছুটা নির্ভার সময় কাটাচ্ছেন এই নেত্রী।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত রবিবার (১১ মে) একান্ত পারিবারিক পরিসরে কয়েক ঘণ্টার উষ্ণতা ভাগাভাগি করতে বাসভবন ‘ফিরোজা’ ছেড়ে বের হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের। চিকিৎসা ও পরিবারের সাথে পুনর্মিলন শেষে গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর, তিনি গিয়েছিলেন কোনো নিকটাত্মীয়ের বাসায়। গন্তব্য-গুলশান ৪২ নম্বর সড়কের ২৪/বি বাড়ি, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের ঠিকানা।

রাত ৯টা ১৩ মিনিট। নীল রঙের একটি প্রাইভেটকারে করে ফিরোজা থেকে রওনা হন খালেদা জিয়া। শামীম ইস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমার স্বাগতবাণী, ফুলেল শুভেচ্ছা, এবং ঘরের আপন পরিবেশ যেন মুছে দিয়েছিল এই নেত্রীর রাজনীতির দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। সেই রাতের পারিবারিক মাহফিলে খালেদা জিয়াকে ঘিরে ছিলেন তার দুই পুত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা খালেদা জিয়ার সেই রাতের এক ছবিতে দেখা যায়, তিনি পরিপাটি শাড়িতে সজ্জিত হয়ে বসে আছেন আর পাশে মুখে চিরচেনা স্নিগ্ধ হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে জোবাইদা রহমান। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, ছোট ভাই শামীম, প্রয়াত ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন আহমেদ ও সেজো বোন সেলিনা ইসলামকে নিয়ে হাসিমুখে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
পারিবারিক ওই পুনর্মিলনের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ।

বাসভবন ফিরোজে থেকে খালেদা জিয়ার বের হওয়া নিয়ে তাঁর বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘ম্যাডাম এমনিতেই সচরাচর বের হন না। পরিবারের একান্ত আমন্ত্রণে এসেছেন। পরিবারের সদস্যরা ভীষণ খুশি। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ম্যাডামকে কাছে পেয়ে আপ্লুত।’
ভাইয়ের বাসা থেকে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ফিরে যান ফিরোজায়। তবে এই কয়েক ঘণ্টার পারিবারিক মুহূর্ত তাঁর নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে যেন এঁকে দিয়েছে এক অনন্য আনন্দের রেখা । এমন নিখাদ পারিবারিক সময় খালেদা জিয়ার জীবনে দীর্ঘদিন পর ফিরে এলো। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১১ জুন, আপন ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের (সাবেক সংসদ সদস্য) বনানীর বাসায় ঈদের দিন কিছুটা সময় কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর থেকে রাজনীতি, মামলা, এবং শারীরিক অসুস্থতা মিলিয়ে এমন ঘরোয়া উপস্থিতি প্রায় অনুপস্থিতই ছিল তাঁর জীবনে। তাই গুলশানের সেই চেনা ছাদ আর আপনজনদের হাসিমুখে ওই রাত যেন ফিরিয়ে দিল একটুখানি স্বস্তি - যেখানে তিনি ছিলেন কেবল একজন বড় আপা, প্রিয় খালা, কিংবা পরিবারের ‘ম্যাডাম’, রাজনীতিক নন।

গত রবিবার (১১ মে) একান্ত পারিবারিক পরিসরে কয়েক ঘণ্টার উষ্ণতা ভাগাভাগি করতে বাসভবন ‘ফিরোজা’ ছেড়ে বের হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের। চিকিৎসা ও পরিবারের সাথে পুনর্মিলন শেষে গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর, তিনি গিয়েছিলেন কোনো নিকটাত্মীয়ের বাসায়। গন্তব্য-গুলশান ৪২ নম্বর সড়কের ২৪/বি বাড়ি, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের ঠিকানা।

রাত ৯টা ১৩ মিনিট। নীল রঙের একটি প্রাইভেটকারে করে ফিরোজা থেকে রওনা হন খালেদা জিয়া। শামীম ইস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমার স্বাগতবাণী, ফুলেল শুভেচ্ছা, এবং ঘরের আপন পরিবেশ যেন মুছে দিয়েছিল এই নেত্রীর রাজনীতির দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। সেই রাতের পারিবারিক মাহফিলে খালেদা জিয়াকে ঘিরে ছিলেন তার দুই পুত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা খালেদা জিয়ার সেই রাতের এক ছবিতে দেখা যায়, তিনি পরিপাটি শাড়িতে সজ্জিত হয়ে বসে আছেন আর পাশে মুখে চিরচেনা স্নিগ্ধ হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে জোবাইদা রহমান। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, ছোট ভাই শামীম, প্রয়াত ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন আহমেদ ও সেজো বোন সেলিনা ইসলামকে নিয়ে হাসিমুখে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
পারিবারিক ওই পুনর্মিলনের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ।

বাসভবন ফিরোজে থেকে খালেদা জিয়ার বের হওয়া নিয়ে তাঁর বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘ম্যাডাম এমনিতেই সচরাচর বের হন না। পরিবারের একান্ত আমন্ত্রণে এসেছেন। পরিবারের সদস্যরা ভীষণ খুশি। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ম্যাডামকে কাছে পেয়ে আপ্লুত।’
ভাইয়ের বাসা থেকে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ফিরে যান ফিরোজায়। তবে এই কয়েক ঘণ্টার পারিবারিক মুহূর্ত তাঁর নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে যেন এঁকে দিয়েছে এক অনন্য আনন্দের রেখা । এমন নিখাদ পারিবারিক সময় খালেদা জিয়ার জীবনে দীর্ঘদিন পর ফিরে এলো। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১১ জুন, আপন ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের (সাবেক সংসদ সদস্য) বনানীর বাসায় ঈদের দিন কিছুটা সময় কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর থেকে রাজনীতি, মামলা, এবং শারীরিক অসুস্থতা মিলিয়ে এমন ঘরোয়া উপস্থিতি প্রায় অনুপস্থিতই ছিল তাঁর জীবনে। তাই গুলশানের সেই চেনা ছাদ আর আপনজনদের হাসিমুখে ওই রাত যেন ফিরিয়ে দিল একটুখানি স্বস্তি - যেখানে তিনি ছিলেন কেবল একজন বড় আপা, প্রিয় খালা, কিংবা পরিবারের ‘ম্যাডাম’, রাজনীতিক নন।

সৌন্দর্য বোঝার ক্ষেত্রে তাই দুটো দিক কাজ করে। একদিকে আছে বস্তুনিষ্ঠ দিক, অর্থাৎ কোনো জিনিসের গঠন, ভারসাম্য বা বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে আছে ব্যক্তিনিষ্ঠ দিক, মানে ব্যক্তির অনুভূতি, রুচি আর অভিজ্ঞতা। এই দুই দিক একসঙ্গে জড়িত বলেই সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া এত কঠিন।
৪ ঘণ্টা আগে
আমরা শুধু আমাদের মস্তিষ্কের বাসিন্দা নই। আমরা এর স্থপতিও হতে পারি। নিজেদের ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা নিজেদের নতুন করে গড়ার ক্ষমতা রাখি। প্রকৃতি আমাদের হাতে পরিবর্তনের চাবি তুলে দিয়েছে। সেই চাবি দিয়ে আমরা কোন দরজা খুলব তা একান্তই আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
৮ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে