স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত রবিবার (১১ মে) একান্ত পারিবারিক পরিসরে কয়েক ঘণ্টার উষ্ণতা ভাগাভাগি করতে বাসভবন ‘ফিরোজা’ ছেড়ে বের হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের। চিকিৎসা ও পরিবারের সাথে পুনর্মিলন শেষে গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর, তিনি গিয়েছিলেন কোনো নিকটাত্মীয়ের বাসায়। গন্তব্য-গুলশান ৪২ নম্বর সড়কের ২৪/বি বাড়ি, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের ঠিকানা।

রাত ৯টা ১৩ মিনিট। নীল রঙের একটি প্রাইভেটকারে করে ফিরোজা থেকে রওনা হন খালেদা জিয়া। শামীম ইস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমার স্বাগতবাণী, ফুলেল শুভেচ্ছা, এবং ঘরের আপন পরিবেশ যেন মুছে দিয়েছিল এই নেত্রীর রাজনীতির দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। সেই রাতের পারিবারিক মাহফিলে খালেদা জিয়াকে ঘিরে ছিলেন তার দুই পুত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা খালেদা জিয়ার সেই রাতের এক ছবিতে দেখা যায়, তিনি পরিপাটি শাড়িতে সজ্জিত হয়ে বসে আছেন আর পাশে মুখে চিরচেনা স্নিগ্ধ হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে জোবাইদা রহমান। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, ছোট ভাই শামীম, প্রয়াত ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন আহমেদ ও সেজো বোন সেলিনা ইসলামকে নিয়ে হাসিমুখে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
পারিবারিক ওই পুনর্মিলনের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ।

বাসভবন ফিরোজে থেকে খালেদা জিয়ার বের হওয়া নিয়ে তাঁর বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘ম্যাডাম এমনিতেই সচরাচর বের হন না। পরিবারের একান্ত আমন্ত্রণে এসেছেন। পরিবারের সদস্যরা ভীষণ খুশি। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ম্যাডামকে কাছে পেয়ে আপ্লুত।’
ভাইয়ের বাসা থেকে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ফিরে যান ফিরোজায়। তবে এই কয়েক ঘণ্টার পারিবারিক মুহূর্ত তাঁর নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে যেন এঁকে দিয়েছে এক অনন্য আনন্দের রেখা । এমন নিখাদ পারিবারিক সময় খালেদা জিয়ার জীবনে দীর্ঘদিন পর ফিরে এলো। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১১ জুন, আপন ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের (সাবেক সংসদ সদস্য) বনানীর বাসায় ঈদের দিন কিছুটা সময় কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর থেকে রাজনীতি, মামলা, এবং শারীরিক অসুস্থতা মিলিয়ে এমন ঘরোয়া উপস্থিতি প্রায় অনুপস্থিতই ছিল তাঁর জীবনে। তাই গুলশানের সেই চেনা ছাদ আর আপনজনদের হাসিমুখে ওই রাত যেন ফিরিয়ে দিল একটুখানি স্বস্তি - যেখানে তিনি ছিলেন কেবল একজন বড় আপা, প্রিয় খালা, কিংবা পরিবারের ‘ম্যাডাম’, রাজনীতিক নন।

গত রবিবার (১১ মে) একান্ত পারিবারিক পরিসরে কয়েক ঘণ্টার উষ্ণতা ভাগাভাগি করতে বাসভবন ‘ফিরোজা’ ছেড়ে বের হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের। চিকিৎসা ও পরিবারের সাথে পুনর্মিলন শেষে গত ৬ মে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর, তিনি গিয়েছিলেন কোনো নিকটাত্মীয়ের বাসায়। গন্তব্য-গুলশান ৪২ নম্বর সড়কের ২৪/বি বাড়ি, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের ঠিকানা।

রাত ৯টা ১৩ মিনিট। নীল রঙের একটি প্রাইভেটকারে করে ফিরোজা থেকে রওনা হন খালেদা জিয়া। শামীম ইস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমার স্বাগতবাণী, ফুলেল শুভেচ্ছা, এবং ঘরের আপন পরিবেশ যেন মুছে দিয়েছিল এই নেত্রীর রাজনীতির দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। সেই রাতের পারিবারিক মাহফিলে খালেদা জিয়াকে ঘিরে ছিলেন তার দুই পুত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা খালেদা জিয়ার সেই রাতের এক ছবিতে দেখা যায়, তিনি পরিপাটি শাড়িতে সজ্জিত হয়ে বসে আছেন আর পাশে মুখে চিরচেনা স্নিগ্ধ হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে জোবাইদা রহমান। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, ছোট ভাই শামীম, প্রয়াত ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন আহমেদ ও সেজো বোন সেলিনা ইসলামকে নিয়ে হাসিমুখে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
পারিবারিক ওই পুনর্মিলনের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ।

বাসভবন ফিরোজে থেকে খালেদা জিয়ার বের হওয়া নিয়ে তাঁর বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘ম্যাডাম এমনিতেই সচরাচর বের হন না। পরিবারের একান্ত আমন্ত্রণে এসেছেন। পরিবারের সদস্যরা ভীষণ খুশি। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ম্যাডামকে কাছে পেয়ে আপ্লুত।’
ভাইয়ের বাসা থেকে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ফিরে যান ফিরোজায়। তবে এই কয়েক ঘণ্টার পারিবারিক মুহূর্ত তাঁর নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে যেন এঁকে দিয়েছে এক অনন্য আনন্দের রেখা । এমন নিখাদ পারিবারিক সময় খালেদা জিয়ার জীবনে দীর্ঘদিন পর ফিরে এলো। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১১ জুন, আপন ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের (সাবেক সংসদ সদস্য) বনানীর বাসায় ঈদের দিন কিছুটা সময় কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর থেকে রাজনীতি, মামলা, এবং শারীরিক অসুস্থতা মিলিয়ে এমন ঘরোয়া উপস্থিতি প্রায় অনুপস্থিতই ছিল তাঁর জীবনে। তাই গুলশানের সেই চেনা ছাদ আর আপনজনদের হাসিমুখে ওই রাত যেন ফিরিয়ে দিল একটুখানি স্বস্তি - যেখানে তিনি ছিলেন কেবল একজন বড় আপা, প্রিয় খালা, কিংবা পরিবারের ‘ম্যাডাম’, রাজনীতিক নন।
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬