ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়?
লেখা:

ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দের বড় একটা অংশ জুড়ে থাকে নতুন পোশাক। ঈদ এলেই ঢাকার নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি বা গাউসিয়ায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। কিন্তু এত সব আয়োজন আর হাজারো পোশাকের ভিড়ে আমরা প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়ি, ঠিক কোনটা কিনব?
ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’।
সাধারণ অর্থে আমাদের মনে হয়, যত বেশি বিকল্প থাকবে সিদ্ধান্ত নেওয়া তত সহজ হবে। কিন্তু বাস্তবে হয় তার উল্টো। যখন আমাদের সামনে অগুনতি অপশন থাকে, তখন মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়।
যেমন ধরুন, একটি দোকানে যদি মাত্র ১০ ধরনের পাঞ্জাবি আছে। তাহলে সেগুলোর মধ্যে তুলনা করা সহজ। কিন্তু যদি সেখানে ১০০ ধরনের পাঞ্জাবি থাকে এবং সেগুলোর রং, ডিজাইন, কাপড়, দাম সবকিছু আলাদা থাকে, তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। আবার একটার পর একটা পোশাক দেখা, তুলনা করা, দাম জিজ্ঞেস করা—এসব করতে করতে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন ক্রেতারা। অনেক বিকল্প থাকলে ক্রেতা ভয়ে থাকেন, আমি কি তবে ভুলটা বেছে নিচ্ছি? একে বলা হয় ‘অ্যানালাইসিস প্যারালাইসিস’।
প্রতিবছর ঈদে নতুন কোনো না কোনো নামকরা ট্রেন্ড বা বিদেশি সিরিয়ালের নামে পোশাকের জোয়ার আসে। একদিকে নিজের পুরোনো পছন্দ, অন্যদিকে বর্তমান ফ্যাশন। এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে এবং আমরা দোটানায় পড়ে যাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকে প্রতিদিন নতুন নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড দেখা যায়। ফলে মানুষ শুধু দোকানের পোশাকের সঙ্গে নয়, অনলাইনেও দেখা অসংখ্য ডিজাইনের সঙ্গে তুলনা করতে থাকে।
এর ফলে তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও জটিল হয়ে যায়। আবার অনেক সময় আমাদের যা পছন্দ, তা বাজেটের বাইরে চলে যায়। আবার বাজেটের মধ্যে যা পাওয়া যায়, তা পছন্দ হয়না।
একটু সচেতন হলেই এই ‘চয়েস ওভারলোড’ কাটিয়ে কেনাকাটাকে স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব। এর জন্য মনোবিজ্ঞানীরা কিছু সহজ পরামর্শ দিয়েছেন।
এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মার্কেটে যাওয়ার আগেই নিজের জন্য কিছুটা ‘হোমওয়ার্ক’ করে নেওয়া। বর্তমান সময়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা বিভিন্ন অনলাইন শপগুলোতে ফ্যাশনের হাজারো ট্রেন্ড দেখা যায়।
সেখান থেকে আপনি ঠিক কেমন ধরনের পোশাক, কী রঙ বা কেমন ডিজাইনের কিছু খুঁজছেন, তার একটি প্রাথমিক ধারণা নিয়ে মনে মনে একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। এতে করে আপনি যখন বড় কোনো শপিং মলে যাবেন, তখন হাজার হাজার অপশনের ভিড়ে নিজেকে আর দিশেহারা মনে হবে না।
এর পাশাপাশি কেনাকাটার সঙ্গী নির্বাচনের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে মনে করেন বড় দল নিয়ে শপিং করতে যাওয়া আনন্দের, কিন্তু বাস্তবে বেশি মানুষ সাথে থাকলে একেক জন একেক রকম মতামত দিতে শুরু করেন।
এতে আপনার নিজের পছন্দ ঢাকা পড়ে যায় এবং দোটানা বা বিভ্রান্তি আরও বেড়ে যায়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি একা কেনাকাটা করতে পারেন, অথবা এমন একজনকে সঙ্গে নিন যার ফ্যাশন সচেতনতা বা রুচির সাথে আপনার মিল রয়েছে।
আরেকটি বিষয় যা আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করিয়ে দেয়, তা হলো অতিরিক্ত তুলনা করা। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সাধারণত প্রথম নজরে আমাদের যা ভালো লাগে, সেটিই আমাদের অবচেতন মনের প্রকৃত পছন্দ হয়ে থাকে।
তাই অহেতুক বিশ-ত্রিশটি দোকান ঘুরে তুলনা করতে গিয়ে নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত না করে নিজের সেই প্রথম পছন্দের ওপর আস্থা রাখা উচিত।

ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দের বড় একটা অংশ জুড়ে থাকে নতুন পোশাক। ঈদ এলেই ঢাকার নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি বা গাউসিয়ায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। কিন্তু এত সব আয়োজন আর হাজারো পোশাকের ভিড়ে আমরা প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়ি, ঠিক কোনটা কিনব?
ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’।
সাধারণ অর্থে আমাদের মনে হয়, যত বেশি বিকল্প থাকবে সিদ্ধান্ত নেওয়া তত সহজ হবে। কিন্তু বাস্তবে হয় তার উল্টো। যখন আমাদের সামনে অগুনতি অপশন থাকে, তখন মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়।
যেমন ধরুন, একটি দোকানে যদি মাত্র ১০ ধরনের পাঞ্জাবি আছে। তাহলে সেগুলোর মধ্যে তুলনা করা সহজ। কিন্তু যদি সেখানে ১০০ ধরনের পাঞ্জাবি থাকে এবং সেগুলোর রং, ডিজাইন, কাপড়, দাম সবকিছু আলাদা থাকে, তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যায়। আবার একটার পর একটা পোশাক দেখা, তুলনা করা, দাম জিজ্ঞেস করা—এসব করতে করতে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন ক্রেতারা। অনেক বিকল্প থাকলে ক্রেতা ভয়ে থাকেন, আমি কি তবে ভুলটা বেছে নিচ্ছি? একে বলা হয় ‘অ্যানালাইসিস প্যারালাইসিস’।
প্রতিবছর ঈদে নতুন কোনো না কোনো নামকরা ট্রেন্ড বা বিদেশি সিরিয়ালের নামে পোশাকের জোয়ার আসে। একদিকে নিজের পুরোনো পছন্দ, অন্যদিকে বর্তমান ফ্যাশন। এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে এবং আমরা দোটানায় পড়ে যাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকে প্রতিদিন নতুন নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড দেখা যায়। ফলে মানুষ শুধু দোকানের পোশাকের সঙ্গে নয়, অনলাইনেও দেখা অসংখ্য ডিজাইনের সঙ্গে তুলনা করতে থাকে।
এর ফলে তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও জটিল হয়ে যায়। আবার অনেক সময় আমাদের যা পছন্দ, তা বাজেটের বাইরে চলে যায়। আবার বাজেটের মধ্যে যা পাওয়া যায়, তা পছন্দ হয়না।
একটু সচেতন হলেই এই ‘চয়েস ওভারলোড’ কাটিয়ে কেনাকাটাকে স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব। এর জন্য মনোবিজ্ঞানীরা কিছু সহজ পরামর্শ দিয়েছেন।
এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মার্কেটে যাওয়ার আগেই নিজের জন্য কিছুটা ‘হোমওয়ার্ক’ করে নেওয়া। বর্তমান সময়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা বিভিন্ন অনলাইন শপগুলোতে ফ্যাশনের হাজারো ট্রেন্ড দেখা যায়।
সেখান থেকে আপনি ঠিক কেমন ধরনের পোশাক, কী রঙ বা কেমন ডিজাইনের কিছু খুঁজছেন, তার একটি প্রাথমিক ধারণা নিয়ে মনে মনে একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। এতে করে আপনি যখন বড় কোনো শপিং মলে যাবেন, তখন হাজার হাজার অপশনের ভিড়ে নিজেকে আর দিশেহারা মনে হবে না।
এর পাশাপাশি কেনাকাটার সঙ্গী নির্বাচনের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে মনে করেন বড় দল নিয়ে শপিং করতে যাওয়া আনন্দের, কিন্তু বাস্তবে বেশি মানুষ সাথে থাকলে একেক জন একেক রকম মতামত দিতে শুরু করেন।
এতে আপনার নিজের পছন্দ ঢাকা পড়ে যায় এবং দোটানা বা বিভ্রান্তি আরও বেড়ে যায়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি একা কেনাকাটা করতে পারেন, অথবা এমন একজনকে সঙ্গে নিন যার ফ্যাশন সচেতনতা বা রুচির সাথে আপনার মিল রয়েছে।
আরেকটি বিষয় যা আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করিয়ে দেয়, তা হলো অতিরিক্ত তুলনা করা। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সাধারণত প্রথম নজরে আমাদের যা ভালো লাগে, সেটিই আমাদের অবচেতন মনের প্রকৃত পছন্দ হয়ে থাকে।
তাই অহেতুক বিশ-ত্রিশটি দোকান ঘুরে তুলনা করতে গিয়ে নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত না করে নিজের সেই প্রথম পছন্দের ওপর আস্থা রাখা উচিত।

পৃথিবীর ১০ শতাংশের কম এলাকা জুড়ে থাকলেও ৪০ শতাংশ প্রাণের আশ্রয়স্থল এই জলাভূমি আজ বিপন্ন। ৩০০ বছরে হারিয়েছে প্রায় ৮৭ শতাংশ জলাশয়। দূষণের পাশাপাশি ‘অ্যালজি ব্লুম’ বা ক্ষতিকর শৈবাল এখন নতুন আতঙ্ক। চীন থেকে আমেরিকা—রঙিন এই ‘ভূতের’ বিষে জলজ জীবন ও বাস্তুসংস্থান আজ ধ্বংসের মুখে।
১১ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার বিশ্বজুড়ে মানুষের যোগাযোগ, চিন্তা ও প্রতিবাদের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। একসময় পরিবেশ আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল মিছিল, সেমিনার কিংবা সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে। কিন্তু এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে সেই আন্দোলন পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে, মুহূর্তের মধ্যেই।
১২ ঘণ্টা আগে
১৮৮৪ সালের ১৯ এপ্রিল। কাদম্বরী দেবী আফিম গ্রহণ করেন। শরীর ধীরে ধীরে বিষে নীল হয়ে যায়। ২১ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
ঘাম শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। গরমে একটু বেশি ঘাম হলে আর বিরক্ত হবেন না। ঘামলে শরীর একটু চটচটে লাগে ঠিকই। কিন্তু এই বিরক্তিকর ঘামই আপনাকে অনেক সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে।
২ দিন আগে