স্ট্রিম ডেস্ক

সপ্তাহান্তে শুক্রবার ছুটি পাই আমরা। তাই ছুটির আগের রাত কি এক ‘পাগলা হাওয়ার তোড়’? নগর বাউল জেমস কি এই গান ছুটির আগের রাতেই প্রথম গেয়েছিলেন? সারা সপ্তাহের ক্লান্তির ভারে ‘ছুটি’র রিলিফকে স্মরণ করে শরীরও মাটির পিদিমের মতো নিভু নিভু করে! নতুন সপ্তাহের অনেক কাজের পরিকল্পনা, পাশাপাশি ছয় দিনের ভারকে একটু ভুলে যাওয়ার বাহানা নিয়ে ছুটির আগের রাত মূলত নগর জীবনের একটা ‘এক্সাইটিং’ ঘটনা।
কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সপ্তাহের একটা দিন কিংবা মাসের কোনো উৎসব বা সরকারি ছুটি আমাদের যেন দেয় মুক্তির স্বাদ। তবে কেউ কেউ ছুটির দিনের সকালটা শুরু করেন ক্লান্ত, এলোমেলোভাবে। এমনভাবে যেন ছুটির আবেশ বুঝে ওঠার আগেই ফুরিয়ে গেল। এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারণটি হলো ছুটির আগের রাত গুছিয়ে যাপন না করা।
আমরা প্রায়ই ভাবি, ‘কাল তো ছুটি, আজ একটু এলিয়ে থাকা হোক !’ কিন্তু সেই থাকা কি নিয়মমাফিক হয়? আসলে ছুটির পূর্ণ স্বাদ পেতে হলে ছুটির আগের রাতকে গুরুত্ব দিতেই হবে। জানতে হবে কী করা উচিত আর কী এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
ছুটির দিন মানেই ‘যা খুশি তাই’ নয়। এক মুহূর্তে ভেবে রাখুন, নতুন কোন সিরিজ দেখবেন, কোন কোন রিলস আপনাকে টানছে? ছুটির দিনে কোনো বই পড়বেন কি? আত্মীয়ের বাসায় যাবেন, নাকি একা এক কাপ কফির সঙ্গে বারান্দায় বসে সময় কাটাবেন? অথবা মানুষের সর্বোত্তম অবসর হিসেবে কিছু না করাকেই বেছে নেবেন?
ছুটির আগে অনেকেই ভাবেন, ‘আজ তো দেরিতে ঘুমালেও চলবে।’ কিন্তু আপনি যদি দেরি করে ঘুমান, তাহলে পরদিন সকালও আপনার দেরিতে শুরু হবে। রাতে সময়মতো ঘুমালে সকালে শরীর ফুরফুরে থাকে। মন থাকে নির্মল, এটা চিকিৎসকদের কথা।
রাতের খাবার হোক হালকা ও সহজপাচ্য। বেশি তেল-ঝাল খেলে তা শরীরকে ভারী করে দেয়, ঘুম নষ্ট করে। পাশাপাশি ঘুমানোর আগে কিছু হালকা স্ট্রেচিং, প্রাণায়াম বা শান্ত মিউজিক আপনার শরীরকে প্রস্তুত করবে গভীর ঘুমের জন্য। এটা মনকেও রাখবে শান্ত।
ফোন হাতে নিয়েই আমরা ভাবি, ‘আর মাত্র পাঁচ মিনিট’। কিন্তু সে পাঁচ মিনিট চলে যায় দুই ঘণ্টায়। ছুটির আগের রাতে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন অন্তত ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে। চোখ আর মস্তিষ্ক পাবে বিশ্রাম, মন আসবে আপনার দখলে।
বিকল্প হিসেবে বই পড়তে পারেন, ডায়েরি লিখতে পারেন কিংবা পছন্দের মৃদু সংগীত শুনে ঘুমাতে পারেন।
একটি রিফ্লেকশন বা ‘থ্যাংকফুল জার্নাল’ লিখুন
সপ্তাহজুড়ে কী করলেন, কী ভালো লাগল, কার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ করছেন, এই ছোট ছোট কথাগুলো ডায়েরিতে লিখে ফেলুন। এটা কেবল আত্মসচেতনতা গড়তে সাহায্য করে না, বরং মানসিক ভারসাম্যও রক্ষা করে।
ফোন হাতে নিয়েই আমরা ভাবি, ‘আর মাত্র পাঁচ মিনিট’। কিন্তু সে পাঁচ মিনিট চলে যায় দুই ঘণ্টায়। ছুটির আগের রাতে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন অন্তত ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে। চোখ আর মস্তিষ্ক পাবে বিশ্রাম, মন আসবে আপনার দখলে।
‘কাল ছুটি’ শুনে যদি আপনি রাতে বন্ধুদের নিয়ে হইচই করতে বেরিয়ে পড়েন, সিনেমার পর সিনেমা দেখে ফেলেন, কিংবা আনন্দে ডুবে যান, তবে সকালবেলাতেই আপনার শরীর প্রতিবাদ করতে পারে। রাত জাগার আনন্দ হয়তো মুহূর্তের, কিন্তু নির্ঘুম থাকার ক্লান্তি সারাদিনের।
নিজেকে উপহার দেওয়ার মাত্রা অতিক্রম করবেন না
সারা সপ্তাহ দীর্ঘক্লান্তি শেষে নিজেকে উপহার দেওয়া বা নিজেকে আদর করা জরুরি। তবে কখনো অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথায় থামা উচিত। শৃঙ্খলহীনতার শৃঙ্খলাও কখনো কখনো নিজেকে ভালো রাখতে জরুরি হয়ে ওঠে। তাই নিজেকে অতি উপহার দিতে গিয়ে স্বস্তির জায়গাকে যেন অনুশোচনার জায়গা না বানিয়ে ফেলেন।
আগাম কাজের চিন্তায় ডুবে যাবেন না
ছুটির আগের রাত মানে ছুটি শুরু। কাজের চিন্তা বন্ধ। কিন্তু অনেকেই ভাবেন, ‘পরের সপ্তাহে কীভাবে কাজ সামলাব?’ এই আগাম উদ্বেগ ছুটির আনন্দটাই মাটি করে দেয়। চেষ্টা করুন রাতটা নিজের জন্য রাখতে, কাজের জন্য নয়।
মনের ওপর বাড়তি চাপ নেবেন না
অনেকের মনে ছুটির আগের রাতে হঠাৎ করেই একাকিত্ব, অবসাদ, কিংবা সামাজিক চাপ ভর করে। অন্যের আনন্দ দেখে নিজে আনন্দ করবেন, সবক্ষেত্রে এমন ভাবনা ঠিক নয়। নিজের বক্স অব চকলেটস নিজেই তৈরি করুন।
কেন প্রস্তুতি জরুরি
অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন, ‘একটা রাত, তাতেই বা কী যায় আসে?’ অথচ বাস্তবতা হলো, রাতের শেষ যেমন হয়, পরদিনের সকালও ঠিক সেভাবেই শুরু হয়। তাই ছুটির আগের রাত যদি হয় বিশৃঙ্খল, ক্লান্তিকর বা হঠকারিতায় ভরা, তাহলে সেই ছুটিও যায় নিজের হাতে হারিয়ে।

সপ্তাহান্তে শুক্রবার ছুটি পাই আমরা। তাই ছুটির আগের রাত কি এক ‘পাগলা হাওয়ার তোড়’? নগর বাউল জেমস কি এই গান ছুটির আগের রাতেই প্রথম গেয়েছিলেন? সারা সপ্তাহের ক্লান্তির ভারে ‘ছুটি’র রিলিফকে স্মরণ করে শরীরও মাটির পিদিমের মতো নিভু নিভু করে! নতুন সপ্তাহের অনেক কাজের পরিকল্পনা, পাশাপাশি ছয় দিনের ভারকে একটু ভুলে যাওয়ার বাহানা নিয়ে ছুটির আগের রাত মূলত নগর জীবনের একটা ‘এক্সাইটিং’ ঘটনা।
কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সপ্তাহের একটা দিন কিংবা মাসের কোনো উৎসব বা সরকারি ছুটি আমাদের যেন দেয় মুক্তির স্বাদ। তবে কেউ কেউ ছুটির দিনের সকালটা শুরু করেন ক্লান্ত, এলোমেলোভাবে। এমনভাবে যেন ছুটির আবেশ বুঝে ওঠার আগেই ফুরিয়ে গেল। এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারণটি হলো ছুটির আগের রাত গুছিয়ে যাপন না করা।
আমরা প্রায়ই ভাবি, ‘কাল তো ছুটি, আজ একটু এলিয়ে থাকা হোক !’ কিন্তু সেই থাকা কি নিয়মমাফিক হয়? আসলে ছুটির পূর্ণ স্বাদ পেতে হলে ছুটির আগের রাতকে গুরুত্ব দিতেই হবে। জানতে হবে কী করা উচিত আর কী এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
ছুটির দিন মানেই ‘যা খুশি তাই’ নয়। এক মুহূর্তে ভেবে রাখুন, নতুন কোন সিরিজ দেখবেন, কোন কোন রিলস আপনাকে টানছে? ছুটির দিনে কোনো বই পড়বেন কি? আত্মীয়ের বাসায় যাবেন, নাকি একা এক কাপ কফির সঙ্গে বারান্দায় বসে সময় কাটাবেন? অথবা মানুষের সর্বোত্তম অবসর হিসেবে কিছু না করাকেই বেছে নেবেন?
ছুটির আগে অনেকেই ভাবেন, ‘আজ তো দেরিতে ঘুমালেও চলবে।’ কিন্তু আপনি যদি দেরি করে ঘুমান, তাহলে পরদিন সকালও আপনার দেরিতে শুরু হবে। রাতে সময়মতো ঘুমালে সকালে শরীর ফুরফুরে থাকে। মন থাকে নির্মল, এটা চিকিৎসকদের কথা।
রাতের খাবার হোক হালকা ও সহজপাচ্য। বেশি তেল-ঝাল খেলে তা শরীরকে ভারী করে দেয়, ঘুম নষ্ট করে। পাশাপাশি ঘুমানোর আগে কিছু হালকা স্ট্রেচিং, প্রাণায়াম বা শান্ত মিউজিক আপনার শরীরকে প্রস্তুত করবে গভীর ঘুমের জন্য। এটা মনকেও রাখবে শান্ত।
ফোন হাতে নিয়েই আমরা ভাবি, ‘আর মাত্র পাঁচ মিনিট’। কিন্তু সে পাঁচ মিনিট চলে যায় দুই ঘণ্টায়। ছুটির আগের রাতে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন অন্তত ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে। চোখ আর মস্তিষ্ক পাবে বিশ্রাম, মন আসবে আপনার দখলে।
বিকল্প হিসেবে বই পড়তে পারেন, ডায়েরি লিখতে পারেন কিংবা পছন্দের মৃদু সংগীত শুনে ঘুমাতে পারেন।
একটি রিফ্লেকশন বা ‘থ্যাংকফুল জার্নাল’ লিখুন
সপ্তাহজুড়ে কী করলেন, কী ভালো লাগল, কার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ করছেন, এই ছোট ছোট কথাগুলো ডায়েরিতে লিখে ফেলুন। এটা কেবল আত্মসচেতনতা গড়তে সাহায্য করে না, বরং মানসিক ভারসাম্যও রক্ষা করে।
ফোন হাতে নিয়েই আমরা ভাবি, ‘আর মাত্র পাঁচ মিনিট’। কিন্তু সে পাঁচ মিনিট চলে যায় দুই ঘণ্টায়। ছুটির আগের রাতে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন অন্তত ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে। চোখ আর মস্তিষ্ক পাবে বিশ্রাম, মন আসবে আপনার দখলে।
‘কাল ছুটি’ শুনে যদি আপনি রাতে বন্ধুদের নিয়ে হইচই করতে বেরিয়ে পড়েন, সিনেমার পর সিনেমা দেখে ফেলেন, কিংবা আনন্দে ডুবে যান, তবে সকালবেলাতেই আপনার শরীর প্রতিবাদ করতে পারে। রাত জাগার আনন্দ হয়তো মুহূর্তের, কিন্তু নির্ঘুম থাকার ক্লান্তি সারাদিনের।
নিজেকে উপহার দেওয়ার মাত্রা অতিক্রম করবেন না
সারা সপ্তাহ দীর্ঘক্লান্তি শেষে নিজেকে উপহার দেওয়া বা নিজেকে আদর করা জরুরি। তবে কখনো অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথায় থামা উচিত। শৃঙ্খলহীনতার শৃঙ্খলাও কখনো কখনো নিজেকে ভালো রাখতে জরুরি হয়ে ওঠে। তাই নিজেকে অতি উপহার দিতে গিয়ে স্বস্তির জায়গাকে যেন অনুশোচনার জায়গা না বানিয়ে ফেলেন।
আগাম কাজের চিন্তায় ডুবে যাবেন না
ছুটির আগের রাত মানে ছুটি শুরু। কাজের চিন্তা বন্ধ। কিন্তু অনেকেই ভাবেন, ‘পরের সপ্তাহে কীভাবে কাজ সামলাব?’ এই আগাম উদ্বেগ ছুটির আনন্দটাই মাটি করে দেয়। চেষ্টা করুন রাতটা নিজের জন্য রাখতে, কাজের জন্য নয়।
মনের ওপর বাড়তি চাপ নেবেন না
অনেকের মনে ছুটির আগের রাতে হঠাৎ করেই একাকিত্ব, অবসাদ, কিংবা সামাজিক চাপ ভর করে। অন্যের আনন্দ দেখে নিজে আনন্দ করবেন, সবক্ষেত্রে এমন ভাবনা ঠিক নয়। নিজের বক্স অব চকলেটস নিজেই তৈরি করুন।
কেন প্রস্তুতি জরুরি
অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন, ‘একটা রাত, তাতেই বা কী যায় আসে?’ অথচ বাস্তবতা হলো, রাতের শেষ যেমন হয়, পরদিনের সকালও ঠিক সেভাবেই শুরু হয়। তাই ছুটির আগের রাত যদি হয় বিশৃঙ্খল, ক্লান্তিকর বা হঠকারিতায় ভরা, তাহলে সেই ছুটিও যায় নিজের হাতে হারিয়ে।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়?
১ ঘণ্টা আগে
তাহলে কি সত্যিই ক্যাফেইন কমালে এমন স্বপ্ন দেখা শুরু হয়? অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক শার্লট গুপ্তা এবং অস্ট্রেলিয়ান ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির গবেষক কারিসা গার্ডিনার এই বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর শপিংমল ও বিপণিবিতানগুলোতে এখন জমজমাট কেনাকাটা। বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বড় বড় শপিং মলগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
১ দিন আগে
ছেলেদের শখ খুব অল্প। সুন্দর কেডস বা জুতা, সানগ্লাস, মানিব্যাগ বা পারফিউম ছাড়িয়ে সবার পছন্দ এক জায়গায় মেলে। তা হলো ফ্যাশনেবল হাতঘড়ি। ছেলেরা আবার এসব জিনিস উপহার পেতেই পছন্দ করে। যেমন আমার। বৈবাহিক সূত্রে যেসব ঘড়ি পেয়েছিলাম তা উচ্চমূল্যের এবং এগুলো নিজের টাকা দিয়ে কেনার সামর্থ্য ছিল না। নিজের টাকায় যে
১ দিন আগে