স্ট্রিম ডেস্ক

ইদানীং বিয়ের আয়োজন মানেই বিরাট ঝক্কি! মেহেদি উৎসব, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউ-ভাত, বিবাহ-উত্তর সংবর্বধনা—এ রকম নানা আয়োজন করতে হয়। আর আয়োজন মানেই হাজারো অতিথি, বিপুল খরচ। তাই অনেকেই বিয়ে করতেই ভয় পান।
এসব অহেতুক খরচের এবং খাদ্য সংকটের কথা মাথায় রেখে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ‘গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার’ নামে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছিল। ব্রিটিশ আমলের আইনি ধারার ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৫৬ সালের ‘কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩(১) ধারার ক্ষমতা ব্যবহার করে ওই বছরের ৩ জুলাই খাদ্য মন্ত্রণালয় এই আদেশটি কার্যকর করে।
সম্প্রতি বিষয়টি আবার সামনে এসেছে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি বক্তব্যের সূত্রে। গত ২২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিয়ে এবং গায়েহলুদের মতো অনুষ্ঠানে যে মাত্রাতিরিক্ত আড়ম্বর ও অপচয় হচ্ছে তা ঠেকাতে পুরনো এই ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরায় কার্যকর করার প্রস্তাব রাখেন।
আদেশে কী বলা আছে
আদেশের মূল শর্ত হচ্ছে—বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা অন্য যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে আয়োজক পরিবারের বাইরে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে চাল বা গম থেকে তৈরি কোনো খাবার খাওয়ানো যাবে না।
অনিবার্য কারণে শতাধিক অতিথি আপ্যায়নের প্রয়োজন হলে আগেভাগেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে অনুমতি নিতে হবে। এর পাশাপাশি ১০০ জনের বাইরে প্রতিটি অতিরিক্ত অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ টাকা (প্রথমদিকে যা ছিল মাত্র ১০ টাকা) জমা দিতে হবে।
নজরদারি ও তল্লাশির ব্যবস্থা
আদেশ সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসক ও ইউএনও মনোনীত সরকারি প্রতিনিধিকে যেকোনো অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি চালানোর আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।
১৯৫৬ সালের মূল আইনের অধীনে এই আদেশ লঙ্ঘন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য। নিয়ম অমান্য করলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে ভেন্যুতে অনুষ্ঠান হয়েছে সেই স্থানের মালিক—উভয়কেই জরিমানা এমনকি কারাদণ্ড পর্যন্ত ভোগ করতে হতে পারে।
সংশোধনী ও বর্তমান অবস্থা
২০০৩ সালে আদেশটিতে একটি পরিবর্তন আনা হয়, যার ফলে মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো খাঁটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাগুলোকে অতিথি সীমা ও অতিরিক্ত ফির বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আদেশটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বলবৎ থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রয়োগ নেই বললেই চলে। কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হলে হাজার হাজার অতিথি নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে, অথচ অনুমতি নেওয়া বা ফি পরিশোধের বিষয়টি কেউ আর আমলে নেন না। বাংলাদেশে এ রকম বহু আইন রয়েছে, যেগুলো কাগজে টিকে আছে কিন্তু বাস্তবে অস্তিত্বহীন।

ইদানীং বিয়ের আয়োজন মানেই বিরাট ঝক্কি! মেহেদি উৎসব, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউ-ভাত, বিবাহ-উত্তর সংবর্বধনা—এ রকম নানা আয়োজন করতে হয়। আর আয়োজন মানেই হাজারো অতিথি, বিপুল খরচ। তাই অনেকেই বিয়ে করতেই ভয় পান।
এসব অহেতুক খরচের এবং খাদ্য সংকটের কথা মাথায় রেখে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ‘গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার’ নামে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছিল। ব্রিটিশ আমলের আইনি ধারার ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৫৬ সালের ‘কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩(১) ধারার ক্ষমতা ব্যবহার করে ওই বছরের ৩ জুলাই খাদ্য মন্ত্রণালয় এই আদেশটি কার্যকর করে।
সম্প্রতি বিষয়টি আবার সামনে এসেছে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি বক্তব্যের সূত্রে। গত ২২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিয়ে এবং গায়েহলুদের মতো অনুষ্ঠানে যে মাত্রাতিরিক্ত আড়ম্বর ও অপচয় হচ্ছে তা ঠেকাতে পুরনো এই ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরায় কার্যকর করার প্রস্তাব রাখেন।
আদেশে কী বলা আছে
আদেশের মূল শর্ত হচ্ছে—বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা অন্য যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে আয়োজক পরিবারের বাইরে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে চাল বা গম থেকে তৈরি কোনো খাবার খাওয়ানো যাবে না।
অনিবার্য কারণে শতাধিক অতিথি আপ্যায়নের প্রয়োজন হলে আগেভাগেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে অনুমতি নিতে হবে। এর পাশাপাশি ১০০ জনের বাইরে প্রতিটি অতিরিক্ত অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ টাকা (প্রথমদিকে যা ছিল মাত্র ১০ টাকা) জমা দিতে হবে।
নজরদারি ও তল্লাশির ব্যবস্থা
আদেশ সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসক ও ইউএনও মনোনীত সরকারি প্রতিনিধিকে যেকোনো অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি চালানোর আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।
১৯৫৬ সালের মূল আইনের অধীনে এই আদেশ লঙ্ঘন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য। নিয়ম অমান্য করলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে ভেন্যুতে অনুষ্ঠান হয়েছে সেই স্থানের মালিক—উভয়কেই জরিমানা এমনকি কারাদণ্ড পর্যন্ত ভোগ করতে হতে পারে।
সংশোধনী ও বর্তমান অবস্থা
২০০৩ সালে আদেশটিতে একটি পরিবর্তন আনা হয়, যার ফলে মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো খাঁটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাগুলোকে অতিথি সীমা ও অতিরিক্ত ফির বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আদেশটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বলবৎ থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রয়োগ নেই বললেই চলে। কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হলে হাজার হাজার অতিথি নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে, অথচ অনুমতি নেওয়া বা ফি পরিশোধের বিষয়টি কেউ আর আমলে নেন না। বাংলাদেশে এ রকম বহু আইন রয়েছে, যেগুলো কাগজে টিকে আছে কিন্তু বাস্তবে অস্তিত্বহীন।
.png)

এমনই এক তাঁবুতে বাস করেন ৪৩ বছর বয়সী সামিহ তোতাহ। মোবাইল ফোনের ছোট স্ক্রিনে তিনি দেখছেন আগের রাতে হওয়া বিশ্বকাপের ম্যাচটি। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যখন বড় পর্দায় রিয়েল-টাইমে এই মহাযজ্ঞ উপভোগ করছেন, গাজার মানুষদের ভাগ্য তখন হাইলাইটস কিংবা ম্যাচের টুকরো ক্লিপ দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
৪ ঘণ্টা আগে
আমাদের চারপাশে এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের দুজনের স্বভাব সম্পূর্ণ বিপরীত। দেখা যায়, হয়তো ছুটির দিনে স্বামী পাড়ার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। কিংবা অচেনা কোনো মানুষের সঙ্গেও আড্ডা জমিয়েছেন। অন্যদিকে, স্ত্রী হয়তো খুব শান্ত ও চুপচাপ। বাইরে পরিচিত কাউকে দেখলেও তিনি এড়িয়ে চলেন বা ভিড়
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে মাদক ব্যবসা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি শত শত বিলিয়ন ডলারের একটি অবৈধ অর্থনীতি। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোকেন, হেরোইন, মেথামফেটামিন ও অন্যান্য মাদকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি, অস্ত্র পাচার এবং সহিংসতার অন্যতম প্রধান উৎস।
২১ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
২ দিন আগে