স্ট্রিম ডেস্ক

দিনের তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে উড়িষ্যা রাজ্যের ৯টি জেলার জেলা প্রশাসকরা সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় রাজ্য সরকার একটি মানসম্মত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্বলপুর, সুন্দরগড়, বালাঙ্গির, নুয়াপাড়া ও ঝাড়সুগুদা— এই পাঁচ জেলায় আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে সাম্বলপুরের জেলা প্রশাসক শনিবার ঘোষণা দিয়েছেন, আগামীকাল (২০ এপ্রিল) সোমবার থেকে টানা তিন দিনের জন্য সব স্কুল বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে ঝাড়সুগুদায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে নবরঙ্গপুর ও নুয়াপাড়ায় সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া বালাঙ্গির, বৌধ, সোনেপুর ও কালাহান্ডিতে তিন থেকে চার দিন পর পুনরায় স্কুল খোলার কথা জানানো হয়েছে। ময়ূরভঞ্জ জেলায় ২০ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সুরেশ পূজারি জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন থেকে জেলা প্রশাসকদের স্থানীয় আবহাওয়ার অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি, স্কুল ও কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পর্যায়ের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুবিধার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চরম তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় যাত্রী ও চালকদের সুরক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পূজারি জানিয়েছেন, যেসব এলাকায় তীব্র গরম পড়ছে, (দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সময়) সেখানে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী উভয় ধরনের যান চলাচল সীমিত রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকার বিভিন্ন সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে সড়কের পাশে অস্থায়ী বিশ্রামশালা স্থাপন করবে। এসব বিশ্রামশালায় থাকবে নিরাপদ পানীয় জল ও ওআরএস (ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন) সরবরাহের ব্যবস্থা, যাতে চালকরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন এবং শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারেন।
এছাড়া জাতীয় মহাসড়কগুলো দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য পানীয় জল ও ওআরএস সরবরাহে রাষ্ট্রায়ত্ত ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলোকেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তীব্র গরমে পথচারী ও চালকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করছে সরকার।

দিনের তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে উড়িষ্যা রাজ্যের ৯টি জেলার জেলা প্রশাসকরা সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় রাজ্য সরকার একটি মানসম্মত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্বলপুর, সুন্দরগড়, বালাঙ্গির, নুয়াপাড়া ও ঝাড়সুগুদা— এই পাঁচ জেলায় আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে সাম্বলপুরের জেলা প্রশাসক শনিবার ঘোষণা দিয়েছেন, আগামীকাল (২০ এপ্রিল) সোমবার থেকে টানা তিন দিনের জন্য সব স্কুল বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে ঝাড়সুগুদায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে নবরঙ্গপুর ও নুয়াপাড়ায় সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া বালাঙ্গির, বৌধ, সোনেপুর ও কালাহান্ডিতে তিন থেকে চার দিন পর পুনরায় স্কুল খোলার কথা জানানো হয়েছে। ময়ূরভঞ্জ জেলায় ২০ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সুরেশ পূজারি জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন থেকে জেলা প্রশাসকদের স্থানীয় আবহাওয়ার অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি, স্কুল ও কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পর্যায়ের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুবিধার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চরম তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় যাত্রী ও চালকদের সুরক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পূজারি জানিয়েছেন, যেসব এলাকায় তীব্র গরম পড়ছে, (দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সময়) সেখানে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী উভয় ধরনের যান চলাচল সীমিত রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকার বিভিন্ন সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে সড়কের পাশে অস্থায়ী বিশ্রামশালা স্থাপন করবে। এসব বিশ্রামশালায় থাকবে নিরাপদ পানীয় জল ও ওআরএস (ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন) সরবরাহের ব্যবস্থা, যাতে চালকরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন এবং শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারেন।
এছাড়া জাতীয় মহাসড়কগুলো দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য পানীয় জল ও ওআরএস সরবরাহে রাষ্ট্রায়ত্ত ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলোকেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তীব্র গরমে পথচারী ও চালকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করছে সরকার।

ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসতে আগামীকাল সোমবার পাকিস্তান যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল। রোববার (১৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এ তথ্য জানান। খবর আল-জাজিরা
৪১ মিনিট আগে
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে সমুদ্র মাইন ফেলে ইরান। প্রণালিটিতে ফেলা এসব মাইন শনাক্ত ও অপসারণে ‘সি-রোবট’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কঠোর অবস্থানের মধ্যেও দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতির আলোচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আলোচনার তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে সকল প্রস্ততি চলছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ২ সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ হতে বাকি মাত্র তিন দিন। তবে দু’পক্ষের হুমকি-পাল্টা হুমকি ও নানা কর্মকাণ্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠার কোনো লক্ষণ মিলছে না। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ খোলার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা বন্ধ করেছে ইরান। আগামীকাল সোমবার দু’পক
১২ ঘণ্টা আগে