স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত থামাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফি বলেছেন, চলমান হামলা ও পাল্টা হামলা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এতে কারও লাভ নেই।
কাতারভিত্তিক আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খুলাইফি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইরানের হামলা কারও জন্যই কোনো উপকার বয়ে আনে না। চলমান সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধানের একমাত্র পথ কূটনৈতিক আলোচনা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। ওইদিনই তারা একটি স্কুল এবং বাসভবনে হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের হত্যা করে। এখনো তেহরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
তেহরানের দাবি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলে হামলা করছে। এসব হামলায় উভয়পক্ষে হতাহতের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জ্বালানিনির্ভর আঞ্চলিক অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়েছে।

আল-খুলাইফি বলেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলাসহ সংঘাতের বিস্তার নিয়ে দোহা ‘চরম উদ্বিগ্ন’। একইসঙ্গে নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে ‘সম্ভব সব আইনি পদক্ষেপ’ নেবে বলেও জানান তিনি।
আল-খুলাইফি বলেন, বর্তমান সংঘাতের একটি ‘বৈশ্বিক সমাধান’ প্রয়োজন, যাতে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি কয়েক দিন আগে তেহরানের সঙ্গে ফোনালাপে দেশটিকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হামলা বন্ধে আহ্বান জানিয়েছেন, যোগ করেন আল-খুলাইফি।
এদিকে, দোহা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে এবং সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করছে। কাতারের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগোনোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত থামাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফি বলেছেন, চলমান হামলা ও পাল্টা হামলা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এতে কারও লাভ নেই।
কাতারভিত্তিক আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খুলাইফি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইরানের হামলা কারও জন্যই কোনো উপকার বয়ে আনে না। চলমান সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধানের একমাত্র পথ কূটনৈতিক আলোচনা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। ওইদিনই তারা একটি স্কুল এবং বাসভবনে হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের হত্যা করে। এখনো তেহরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
তেহরানের দাবি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলে হামলা করছে। এসব হামলায় উভয়পক্ষে হতাহতের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জ্বালানিনির্ভর আঞ্চলিক অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়েছে।

আল-খুলাইফি বলেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলাসহ সংঘাতের বিস্তার নিয়ে দোহা ‘চরম উদ্বিগ্ন’। একইসঙ্গে নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে ‘সম্ভব সব আইনি পদক্ষেপ’ নেবে বলেও জানান তিনি।
আল-খুলাইফি বলেন, বর্তমান সংঘাতের একটি ‘বৈশ্বিক সমাধান’ প্রয়োজন, যাতে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি কয়েক দিন আগে তেহরানের সঙ্গে ফোনালাপে দেশটিকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হামলা বন্ধে আহ্বান জানিয়েছেন, যোগ করেন আল-খুলাইফি।
এদিকে, দোহা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে এবং সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করছে। কাতারের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগোনোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এ তথ্য জানায়। খবর আল জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)।
১২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের (হিমার্স) মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। কৌশলগত জলসীমায় চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশটির দিকে প্রথমবার বুধবার (১০ জুন) এই মহড়া চালানো হয়।
২০ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
১ দিন আগে