স্ট্রিম ডেস্ক

ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনসভা (ইউরোপীয় পার্লামেন্ট)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকির মুখে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে তারা।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির চেয়ারম্যান বার্ন্ড ল্যাঞ্জ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই চুক্তির সব কাজ বন্ধ থাকবে। তিনি লেখেন, ‘টার্নবেরি চুক্তির আইনি বাস্তবায়নের কাজ আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের আলোচক দল।’
বার্ন্ড ল্যাঞ্জ জোর দিয়ে বলেন, পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে মার্কিন শুল্ক নীতির বিষয়ে পূর্ণ স্পষ্টতা এবং আইনি নিশ্চয়তা প্রয়োজন।
এই স্থবিরতার মূল কারণ হলো ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করার পর তিনি তাঁর ঘোষিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেন। সোমবার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যেসব দেশ ‘খেলা দেখাচ্ছে’ (সুযোগ নিচ্ছে), তাদের ওপর আরও কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে।
এরই প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এই কঠোর অবস্থান নিল। ইইউ কর্মকর্তারা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই অস্থির শুল্ক নীতির ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আইনি নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে সই করা ইউরোপের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
গত জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত টার্নবেরি চুক্তির অধীনে ইউরোপীয় পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক রাখার বিনিময়ে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন ১৫ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক ঘোষণার ফলে এই চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই তীরের বাণিজ্য সম্পর্ক এখন গভীর সংকটের মুখে।

ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনসভা (ইউরোপীয় পার্লামেন্ট)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকির মুখে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে তারা।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির চেয়ারম্যান বার্ন্ড ল্যাঞ্জ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই চুক্তির সব কাজ বন্ধ থাকবে। তিনি লেখেন, ‘টার্নবেরি চুক্তির আইনি বাস্তবায়নের কাজ আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের আলোচক দল।’
বার্ন্ড ল্যাঞ্জ জোর দিয়ে বলেন, পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে মার্কিন শুল্ক নীতির বিষয়ে পূর্ণ স্পষ্টতা এবং আইনি নিশ্চয়তা প্রয়োজন।
এই স্থবিরতার মূল কারণ হলো ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করার পর তিনি তাঁর ঘোষিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেন। সোমবার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যেসব দেশ ‘খেলা দেখাচ্ছে’ (সুযোগ নিচ্ছে), তাদের ওপর আরও কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে।
এরই প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এই কঠোর অবস্থান নিল। ইইউ কর্মকর্তারা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই অস্থির শুল্ক নীতির ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আইনি নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে সই করা ইউরোপের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
গত জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত টার্নবেরি চুক্তির অধীনে ইউরোপীয় পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক রাখার বিনিময়ে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন ১৫ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক ঘোষণার ফলে এই চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই তীরের বাণিজ্য সম্পর্ক এখন গভীর সংকটের মুখে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই জোটের মূল লক্ষ্য হবে ‘উগ্রবাদী’ শত্রুদের সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করা। গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন ইসরায়েল সফর উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু জানান, ভারত হবে এই জোটের অন্যতম
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের স্থানীয় পাঁচটি সংবাদমাধ্যমকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক সামরিক আদেশে এই ঘোষণা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সীমিত পরিসরে হামলাসহ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের আক্রমণকে ‘আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ড’ মনে করবে ইরান। আর ওই হামলার জবাবও দ্রুত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার আক্রমণের শিকার হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই সতর্কবার্তা দেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে