স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবতের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। একই সঙ্গে আরএসএসের সদস্য এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর রয়টার্স
মোহন ভাগবত বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। আগামী শনিবার নিউইয়র্ক শহরের একটি অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ গত বুধবার (২৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বলেন, আরএসএসের সদস্য ও ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এর মধ্যে মোহন ভাগবতকে দেওয়া ভিসা বাতিলের বিষয়টিও রয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি স্বাধীন দ্বিদলীয় সংস্থা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংস্থাটি। এরপর মার্কিন সরকারের কাছে বিভিন্ন নীতিগত সুপারিশ করে। তবে এসব সুপারিশ সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইউএসসিআইআরএফের এমন বক্তব্য আগেও প্রত্যাখ্যান করেছে। নয়াদিল্লির অভিযোগ, সংস্থাটি ভারতের বিষয়ে পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থান নেয়।
আরএসএস একটি প্রভাবশালী হিন্দু সংগঠন। এই সংগঠন থেকেই বিজেপির রাজনৈতিক উত্থান হয়েছে। সংগঠনটির বিরুদ্ধে ভারতে সংখ্যালঘুদের প্রতি অসহিষ্ণুতা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও দাবি, আরএসএসের হিন্দু জাতীয়তাবাদী আদর্শ দেশটিতে সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
তবে আরএসএস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। সংগঠনটি নিজেদের ‘হিন্দুকেন্দ্রিক সভ্যতাগত ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন’ হিসেবে বর্ণনা করে। তাদের লক্ষ্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করে ভারতকে ‘গৌরবের শিখরে’ নিয়ে যাওয়া।
আরএসএসের পক্ষ থেকে গত মে মাসে বলা হয়েছিল, সংগঠনটির বিরুদ্ধে থাকা নেতিবাচক ধারণা দূর করতে বিদেশে বিভিন্ন সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। বিশেষ করে আরএসএসকে একটি আধাসামরিক সংগঠন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত সংগঠন হিসেবে যে ধারণা রয়েছে, তা দূর করাই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বেড়েছে। তারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বৃদ্ধি, ধর্মভিত্তিক নাগরিকত্ব আইন, মুসলিমদের মালিকানাধীন স্থাপনা ও সম্পত্তি ভেঙে ফেলা, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল এবং ধর্মান্তরবিরোধী আইনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সরকারের দাবি, তাদের বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচি— খাদ্য ভর্তুকি ও বিদ্যুতায়ন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের উপকার করছে।

ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবতের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। একই সঙ্গে আরএসএসের সদস্য এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর রয়টার্স
মোহন ভাগবত বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। আগামী শনিবার নিউইয়র্ক শহরের একটি অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ গত বুধবার (২৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বলেন, আরএসএসের সদস্য ও ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এর মধ্যে মোহন ভাগবতকে দেওয়া ভিসা বাতিলের বিষয়টিও রয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি স্বাধীন দ্বিদলীয় সংস্থা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংস্থাটি। এরপর মার্কিন সরকারের কাছে বিভিন্ন নীতিগত সুপারিশ করে। তবে এসব সুপারিশ সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইউএসসিআইআরএফের এমন বক্তব্য আগেও প্রত্যাখ্যান করেছে। নয়াদিল্লির অভিযোগ, সংস্থাটি ভারতের বিষয়ে পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থান নেয়।
আরএসএস একটি প্রভাবশালী হিন্দু সংগঠন। এই সংগঠন থেকেই বিজেপির রাজনৈতিক উত্থান হয়েছে। সংগঠনটির বিরুদ্ধে ভারতে সংখ্যালঘুদের প্রতি অসহিষ্ণুতা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও দাবি, আরএসএসের হিন্দু জাতীয়তাবাদী আদর্শ দেশটিতে সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
তবে আরএসএস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। সংগঠনটি নিজেদের ‘হিন্দুকেন্দ্রিক সভ্যতাগত ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন’ হিসেবে বর্ণনা করে। তাদের লক্ষ্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করে ভারতকে ‘গৌরবের শিখরে’ নিয়ে যাওয়া।
আরএসএসের পক্ষ থেকে গত মে মাসে বলা হয়েছিল, সংগঠনটির বিরুদ্ধে থাকা নেতিবাচক ধারণা দূর করতে বিদেশে বিভিন্ন সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। বিশেষ করে আরএসএসকে একটি আধাসামরিক সংগঠন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত সংগঠন হিসেবে যে ধারণা রয়েছে, তা দূর করাই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বেড়েছে। তারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বৃদ্ধি, ধর্মভিত্তিক নাগরিকত্ব আইন, মুসলিমদের মালিকানাধীন স্থাপনা ও সম্পত্তি ভেঙে ফেলা, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল এবং ধর্মান্তরবিরোধী আইনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সরকারের দাবি, তাদের বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচি— খাদ্য ভর্তুকি ও বিদ্যুতায়ন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের উপকার করছে।
.png)

চাপ প্রয়োগ বন্ধ করে ইরানকে সম্মান দেখালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফেরা অসম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে যে চাপ প্রয়োগে কোনো ফল আসবে না। তিনি লেখেন, ‘যুক্তর
২০ মিনিট আগে
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি সহায়তায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)। এর আগে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বরাদ্দ করেছে তারা।
২ ঘণ্টা আগে
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নদীর পানির স্তর মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে ২৯ দশমিক ৫ ফুট বা ৯ মিটার বেড়ে গিয়েছিল। উপগ্রহের ছবি ও ভূ-উপরিতলের তথ্য বিশ্লেষণ করে হিমবাহ ধসের স্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হিমালয় পর্বতমালায়ও এর প্রভাব পড়ছে। ফলে হিমবাহ ও পাহাড়ি ঢালের অস্থিতিশীলতা ব
৩ ঘণ্টা আগে
আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টা পর্যন্ত এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ। এছাড়া তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে ১ হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে