স্ট্রিম ডেস্ক

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি সহায়তায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে রেড ক্রস।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই আবেদন জানায়। এর আগে তাৎক্ষণিক জীবনরক্ষাকারী কার্যক্রমে সহায়তায় সংস্থাটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১২ লাখ ৪২ হাজার ডলার) বরাদ্দ করেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টা পর্যন্ত বন্যায় নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯। নেপালে তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশে নিখোঁজ ১ হাজারের বেশি মানুষ, যার প্রায় অর্ধেকই বিদেশি পর্যটক।
আবার বন্যার শঙ্কা
এদিকে নেপাল ও তিব্বতে উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নেপালের রসুয়া জেলায় ভোতেকোশি নদীর একটি অংশে ধ্বংসাবশেষ আটকে হ্রদের মতো তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময়ে সেখানকার পানির তোড়ে ভাটিতে বন্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে তিব্বতেও একটি বাধ দিয়ে অবরুদ্ধ হ্রদে আগামী তিনদিনে পানির প্রবাহ বাড়বে, যা বন্যা তৈরি করতে পারে। দ্বিতীয় দফার এই বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা হিসেবে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
আইএফআরসির নতুন তহবিল থেকে আগামী দুই বছর জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়া হবে। এই অর্থ নেপাল রেড ক্রসের (এনআরসি) স্থানীয় টিমগুলোর কার্যক্রমে সহায়তা করবে। এর আওতায় আশ্রয়, নগদ সহায়তা, প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের সেবা দেওয়া হবে।
আইএফআরসির মহাসচিব জগন চাপাগাঁই এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। পুরো গ্রাম পানির স্রোতে ভেসে গেছে। আগামী দিনগুলোয় জরুরি সহায়তার চাহিদা আরও বাড়বে। এছাড়া ঘরবাড়ি ও জীবিকার উৎস হারানো মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো ও নতুন করে জীবন গড়তে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রয়োজন হবে।’
আইএফআরসি জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৯৩ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে দুর্গম এলাকাগুলোয় ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি বলেছে, দুর্গত এলাকাগুলো প্রত্যন্ত হওয়ায় এবং সেখানকার যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো দুটিই কঠিন হয়ে পড়েছে।
আইএফআরসি জানিয়েছে, এনআরসির টিমগুলো এরই মধ্যে দুর্গতদের খাবার, পানি ও ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করছে। এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ত্রিপল, কম্বল, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, স্ট্রেচার ও মরদেহ বহনের ব্যাগ।
সূত্র: এএফপি, বিবিসি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি সহায়তায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে রেড ক্রস।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই আবেদন জানায়। এর আগে তাৎক্ষণিক জীবনরক্ষাকারী কার্যক্রমে সহায়তায় সংস্থাটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১২ লাখ ৪২ হাজার ডলার) বরাদ্দ করেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টা পর্যন্ত বন্যায় নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯। নেপালে তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশে নিখোঁজ ১ হাজারের বেশি মানুষ, যার প্রায় অর্ধেকই বিদেশি পর্যটক।
আবার বন্যার শঙ্কা
এদিকে নেপাল ও তিব্বতে উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নেপালের রসুয়া জেলায় ভোতেকোশি নদীর একটি অংশে ধ্বংসাবশেষ আটকে হ্রদের মতো তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময়ে সেখানকার পানির তোড়ে ভাটিতে বন্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে তিব্বতেও একটি বাধ দিয়ে অবরুদ্ধ হ্রদে আগামী তিনদিনে পানির প্রবাহ বাড়বে, যা বন্যা তৈরি করতে পারে। দ্বিতীয় দফার এই বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা হিসেবে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
আইএফআরসির নতুন তহবিল থেকে আগামী দুই বছর জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়া হবে। এই অর্থ নেপাল রেড ক্রসের (এনআরসি) স্থানীয় টিমগুলোর কার্যক্রমে সহায়তা করবে। এর আওতায় আশ্রয়, নগদ সহায়তা, প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের সেবা দেওয়া হবে।
আইএফআরসির মহাসচিব জগন চাপাগাঁই এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। পুরো গ্রাম পানির স্রোতে ভেসে গেছে। আগামী দিনগুলোয় জরুরি সহায়তার চাহিদা আরও বাড়বে। এছাড়া ঘরবাড়ি ও জীবিকার উৎস হারানো মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো ও নতুন করে জীবন গড়তে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রয়োজন হবে।’
আইএফআরসি জানিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৯৩ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে দুর্গম এলাকাগুলোয় ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি বলেছে, দুর্গত এলাকাগুলো প্রত্যন্ত হওয়ায় এবং সেখানকার যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো দুটিই কঠিন হয়ে পড়েছে।
আইএফআরসি জানিয়েছে, এনআরসির টিমগুলো এরই মধ্যে দুর্গতদের খাবার, পানি ও ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করছে। এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ত্রিপল, কম্বল, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, স্ট্রেচার ও মরদেহ বহনের ব্যাগ।
সূত্র: এএফপি, বিবিসি
.png)

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নদীর পানির স্তর মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে ২৯ দশমিক ৫ ফুট বা ৯ মিটার বেড়ে গিয়েছিল। উপগ্রহের ছবি ও ভূ-উপরিতলের তথ্য বিশ্লেষণ করে হিমবাহ ধসের স্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হিমালয় পর্বতমালায়ও এর প্রভাব পড়ছে। ফলে হিমবাহ ও পাহাড়ি ঢালের অস্থিতিশীলতা ব
১ ঘণ্টা আগে
আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টা পর্যন্ত এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ। এছাড়া তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে ১ হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
নেপাল ও তিব্বতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯২ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ জনে। অন্যদিকে তিব্বত অঞ্চলে ৩ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম। নেপাল ও তিব্বতজুড়ে এখনো ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখো
১৪ ঘণ্টা আগে
নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯২ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ, যাদের মধ্যে ৭০০ জনই বিদেশি পর্যটক। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে নেপাল পুলিশ।
১৪ ঘণ্টা আগে