স্ট্রিম ডেস্ক

চীন-তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের ব্যাপক বিধ্বংসী রূপ দেখা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৬২, বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪ শতাধিক মানুষ।
‘হিমালয় কন্যা’ নামে পরিচিত নেপালে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরের দিকে নেপালের আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের কারণ রিখটার স্কেলের ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে নেপালের আকস্মিক বন্যার আগে একটি ভূমিধস হয়েছিল এবং সেখানে কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি।
তাহলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার যে কম্পন তরঙ্গ রেকর্ড হয়েছিল সেটি কীসের?
কৃত্রিম উপগ্রহের চিত্র এবং ভূ-কম্পন কেন্দ্রের সূক্ষ্ম উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ইউএসজিএস জানিয়েছে, আসলে কোনো ভূমিকম্প হয়নি। হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহের একটি বিশাল অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়ার প্রবল ধাক্কা এবং পরবর্তীতে পাহাড় ধসের কারণে উৎপন্ন প্রচণ্ড গতির ধস ও কাদাস্রোত থেকেই সেই কম্পন তরঙ্গের সৃষ্টি হয়েছিল।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের (আইসিএমওডি) বিজ্ঞানী শাশ্বত সান্যাল জানান, সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যাটি হয়েছিল ভোতে কোশী নদীর উপনদী ‘লেন্দে খোলা’তে। সেখানে একটি হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নেমে এসে বাঁধ সৃষ্টি করে নদীটির প্রবাহ আটকে দেয়। পরবর্তীতে পানি বেড়ে সেই বাঁধ ভেঙে তীব্র বেগে নিচে নেমে আসে।
কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত কায়াস্থ জানান, গত বছরও এরকম এক ঘটনায় লেন্দে খোলা নদী আটকে গিয়েছিল।

গবেষকরা ২৪ আগস্টের উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন , সেখানে হঠাৎ করে প্রচুর পানির প্রবাহ বেড়ে গিয়েছিল।
এই বিশেষজ্ঞদের মতামতে একটি মিল খুঁজে পাওয়া যায়। সেটি হলো, হিমালয়ের কোনো একটি নদীতে মাটি-বরফের ধস নেমে সাময়িকভাবে পানিপ্রবাহ আটকে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে সেই মাটির বা বরফের বাঁধ ভেঙে একসঙ্গে প্রচুর পানি নিচে নেমে আসায় এরকম ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।
হিমালয় অঞ্চল অথবা হিন্দু কুশ পর্বতমালায় ২০০০ সালের পর থেকে হিমবাহ গলার গতি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। ফলে নেপালে হিমবাহের বরফ গলে জমা হওয়া পানির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে হঠাৎ নেমে আসা এই ‘অভ্যন্তরীণ সুনামি’ বা আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে এসব নদীর নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকা তীব্র হুমকির মুখে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিশ্লেষণ বলছে, নেপাল-তিব্বতে হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদ ফেটে শত শত বছর ধরে এই অঞ্চলে এরকম খরস্রোতা বন্যা-ভূমিধসের ঘটনা ঘটে আসছে।
এর আগে ১৯৮১ সালের জুলাইয়ে তিব্বতের ঝাংঝাংবো উপত্যকার একটি হিমবাহের হ্রদ কোনো আগাম সংকেত ছাড়াই হঠাৎ ভেঙে পড়েছিল। ওই বিপর্যয় দুই শতাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় এবং ঐতিহাসিক ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ ও সান কোশী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শুরুতে ওই বিপর্যয়ের কারণ অজানা থাকলেও বহু বছর পর প্রকাশিত চীনা বৈজ্ঞানিক গবেষণা নিশ্চিত করে, ঘটনাটি হিমবাহের হ্রদের বাঁধ হঠাৎ ভেঙে যাওয়ার কারণেই ঘটেছিল। এমনকি তিব্বতের এই একই হ্রদভিত্তিক বৈশিষ্ট্যের কারণে ১৯৬৪ ও ১৯৮৩ সালের বড় বন্যাগুলো ঘটেছিল।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নেপালের ইতিহাসে এমন বড় ধরনের আকস্মিক বন্যার রেকর্ড শতাব্দী প্রাচীন। এগুলোর মধ্যে ১৪টি নেপালের অভ্যন্তরে এবং ১০টি তিব্বতের ভেতরে থাকা হিমবাহের হ্রদ বা উৎস থেকে সৃষ্টি হয়েছিল।

গত বছরের ৮ জুলাই নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এরকমই বন্যা হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট কারণ পরে জানা যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘স্টিমসন সেন্টার’-এর তথ্যমতে, সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত একটি হিমবাহের ওপর জমা হওয়া পানি (সুপ্ৰাগ্লেসিয়াল লেক) হঠাৎ ভেঙে গড়িয়ে পড়ার কারণেই ওই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল।
নেপাল-তিব্বতে এরকম বিপজ্জনক হিমবাহ-হ্রদের অভাব নেই। হিমবাহ গলে বরফের ওপর এভাবে ঝুঁকিপূর্ণভাবে জমে থাকা বহু হ্রদ পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির একটি সমীক্ষায় কোশী, গণ্ডকী ও কর্ণালী অববাহিকায় এমন ৩ হাজার ৬২৪টি হিমবাহ হ্রদ চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে ৪৭টি অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর মধ্যে ২৫টি তিব্বতে, ২১টি নেপালে এবং ১টি ভারতে অবস্থিত।
হিমালয় কোলের দেশ নেপাল আরেকটি বড় প্রাকৃতিক ঝুঁকিতে এমনিতেই আছে।
নেপাল ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা প্রতি বছর প্রায় ২০-২১ মিলিমিটার গতিতে একে অপরের দিকে এগিয়ে আসছে। প্রায় ৫ কোটি বছর আগে এই দুই প্লেটের মুখোমুখি ধাক্কায় প্রাচীন টেথিস মহাসাগর বিলুপ্ত হয়ে টেকটোনিক প্লেটের ঊর্ধ্বমুখী ভাঁজের ফলে হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি হয়, যা বছরে প্রায় ৫ মিলিমিটার করে এখনও উঁচু হচ্ছে।
এই ধীরগতির কিন্তু চলমান সংঘর্ষের কারণে ভূত্বকে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়, যা ঘন ঘন ভূমিকম্পের জন্ম দেয় এবং এতে পাহাড়ি ঢালগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এজন্য বড় কোনো ভূমিকম্প না হলেও সাধারণ একটি পাহাড় ধসের ধাক্কাই নদী আটকে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট।

চীন-তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের ব্যাপক বিধ্বংসী রূপ দেখা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৬২, বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪ শতাধিক মানুষ।
‘হিমালয় কন্যা’ নামে পরিচিত নেপালে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরের দিকে নেপালের আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসের কারণ রিখটার স্কেলের ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে নেপালের আকস্মিক বন্যার আগে একটি ভূমিধস হয়েছিল এবং সেখানে কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি।
তাহলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার যে কম্পন তরঙ্গ রেকর্ড হয়েছিল সেটি কীসের?
কৃত্রিম উপগ্রহের চিত্র এবং ভূ-কম্পন কেন্দ্রের সূক্ষ্ম উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ইউএসজিএস জানিয়েছে, আসলে কোনো ভূমিকম্প হয়নি। হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহের একটি বিশাল অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়ার প্রবল ধাক্কা এবং পরবর্তীতে পাহাড় ধসের কারণে উৎপন্ন প্রচণ্ড গতির ধস ও কাদাস্রোত থেকেই সেই কম্পন তরঙ্গের সৃষ্টি হয়েছিল।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের (আইসিএমওডি) বিজ্ঞানী শাশ্বত সান্যাল জানান, সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যাটি হয়েছিল ভোতে কোশী নদীর উপনদী ‘লেন্দে খোলা’তে। সেখানে একটি হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নেমে এসে বাঁধ সৃষ্টি করে নদীটির প্রবাহ আটকে দেয়। পরবর্তীতে পানি বেড়ে সেই বাঁধ ভেঙে তীব্র বেগে নিচে নেমে আসে।
কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত কায়াস্থ জানান, গত বছরও এরকম এক ঘটনায় লেন্দে খোলা নদী আটকে গিয়েছিল।

গবেষকরা ২৪ আগস্টের উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন , সেখানে হঠাৎ করে প্রচুর পানির প্রবাহ বেড়ে গিয়েছিল।
এই বিশেষজ্ঞদের মতামতে একটি মিল খুঁজে পাওয়া যায়। সেটি হলো, হিমালয়ের কোনো একটি নদীতে মাটি-বরফের ধস নেমে সাময়িকভাবে পানিপ্রবাহ আটকে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে সেই মাটির বা বরফের বাঁধ ভেঙে একসঙ্গে প্রচুর পানি নিচে নেমে আসায় এরকম ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।
হিমালয় অঞ্চল অথবা হিন্দু কুশ পর্বতমালায় ২০০০ সালের পর থেকে হিমবাহ গলার গতি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। ফলে নেপালে হিমবাহের বরফ গলে জমা হওয়া পানির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে হঠাৎ নেমে আসা এই ‘অভ্যন্তরীণ সুনামি’ বা আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে এসব নদীর নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকা তীব্র হুমকির মুখে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিশ্লেষণ বলছে, নেপাল-তিব্বতে হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদ ফেটে শত শত বছর ধরে এই অঞ্চলে এরকম খরস্রোতা বন্যা-ভূমিধসের ঘটনা ঘটে আসছে।
এর আগে ১৯৮১ সালের জুলাইয়ে তিব্বতের ঝাংঝাংবো উপত্যকার একটি হিমবাহের হ্রদ কোনো আগাম সংকেত ছাড়াই হঠাৎ ভেঙে পড়েছিল। ওই বিপর্যয় দুই শতাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় এবং ঐতিহাসিক ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ ও সান কোশী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শুরুতে ওই বিপর্যয়ের কারণ অজানা থাকলেও বহু বছর পর প্রকাশিত চীনা বৈজ্ঞানিক গবেষণা নিশ্চিত করে, ঘটনাটি হিমবাহের হ্রদের বাঁধ হঠাৎ ভেঙে যাওয়ার কারণেই ঘটেছিল। এমনকি তিব্বতের এই একই হ্রদভিত্তিক বৈশিষ্ট্যের কারণে ১৯৬৪ ও ১৯৮৩ সালের বড় বন্যাগুলো ঘটেছিল।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নেপালের ইতিহাসে এমন বড় ধরনের আকস্মিক বন্যার রেকর্ড শতাব্দী প্রাচীন। এগুলোর মধ্যে ১৪টি নেপালের অভ্যন্তরে এবং ১০টি তিব্বতের ভেতরে থাকা হিমবাহের হ্রদ বা উৎস থেকে সৃষ্টি হয়েছিল।

গত বছরের ৮ জুলাই নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এরকমই বন্যা হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট কারণ পরে জানা যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘স্টিমসন সেন্টার’-এর তথ্যমতে, সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত একটি হিমবাহের ওপর জমা হওয়া পানি (সুপ্ৰাগ্লেসিয়াল লেক) হঠাৎ ভেঙে গড়িয়ে পড়ার কারণেই ওই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল।
নেপাল-তিব্বতে এরকম বিপজ্জনক হিমবাহ-হ্রদের অভাব নেই। হিমবাহ গলে বরফের ওপর এভাবে ঝুঁকিপূর্ণভাবে জমে থাকা বহু হ্রদ পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির একটি সমীক্ষায় কোশী, গণ্ডকী ও কর্ণালী অববাহিকায় এমন ৩ হাজার ৬২৪টি হিমবাহ হ্রদ চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে ৪৭টি অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর মধ্যে ২৫টি তিব্বতে, ২১টি নেপালে এবং ১টি ভারতে অবস্থিত।
হিমালয় কোলের দেশ নেপাল আরেকটি বড় প্রাকৃতিক ঝুঁকিতে এমনিতেই আছে।
নেপাল ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা প্রতি বছর প্রায় ২০-২১ মিলিমিটার গতিতে একে অপরের দিকে এগিয়ে আসছে। প্রায় ৫ কোটি বছর আগে এই দুই প্লেটের মুখোমুখি ধাক্কায় প্রাচীন টেথিস মহাসাগর বিলুপ্ত হয়ে টেকটোনিক প্লেটের ঊর্ধ্বমুখী ভাঁজের ফলে হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি হয়, যা বছরে প্রায় ৫ মিলিমিটার করে এখনও উঁচু হচ্ছে।
এই ধীরগতির কিন্তু চলমান সংঘর্ষের কারণে ভূত্বকে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়, যা ঘন ঘন ভূমিকম্পের জন্ম দেয় এবং এতে পাহাড়ি ঢালগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এজন্য বড় কোনো ভূমিকম্প না হলেও সাধারণ একটি পাহাড় ধসের ধাক্কাই নদী আটকে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট।
.png)

জেন-জিদের সাম্প্রতিক আন্দোলন ও বিক্ষোভ এশিয়াজুড়ে রাজনীতির প্রচলিত বয়ান বদলে দিচ্ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসছে– রাজপথে তারুণ্যের প্রতিবাদ কী তাহলে শাসন ক্ষমতা ও স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে, নাকি আন্দোলন শেষে তাদের তেজ নিঃশেষ হয়ে যায়?
১ দিন আগে
দিনাজপুরের কিশোরী ইয়াসমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর ৩১ বছর কেটে গেছে। এই তিন দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অনেক দূর এগিয়েছে। শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র— সর্বস্তরে নারীদের সরব উপস্থিতি দৃশ্যমান। কিন্তু ৩১ বছর পরও যে প্রশ্নটি ঘুরেফিরে আসছে—নারীর নিরাপত্তা কতটা বাড়ল? ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের
২৪ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। ঢাকা হয়তো সরাসরি এই জোটে যোগ দেবে না। তবে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং দক্ষিণ এশিয়া
২৩ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত নতুন সামরিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশ। চুক্তিটিকে অনেকে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে অভিহিত করছেন। মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত এই সামরিক চুক্তিটি গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের
২৩ আগস্ট ২০২৬