স্ট্রিম ডেস্ক

টানা কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনা, হুমকি-ধমকি ও কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মাস্কটে এ বৈঠককে দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ এড়ানোর প্রচেষ্টায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনার ফলাফল নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা কাটেনি। কারণ, উভয়পক্ষ আলোচনায় বসতে সম্মত হলেও ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে আলোচনার এজেন্ডা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ঐকমত্য হয়নি। খবর আল জাজিরার।
আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতোমধ্যে ওমানের রাজধানী মাসকাটে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
আলোচনাটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য একটি বড় সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখতে চান আদৌ কোনো চুক্তি করা যায় কিনা। একই সঙ্গে ‘পরোক্ষ হুমকি’ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কূটনীতির বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও অনেক বিকল্প রয়েছে, কারণ ট্রাম্প ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত ছিল। তবে এই আলোচনার মাধ্যমে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
রুবিওর মতে, অর্থবহ কোনো অগ্রগতির জন্য আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির খুব চিন্তিত হওয়া উচিত।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো পারমাণবিক ইস্যুতে একটি ন্যায্য, পারস্পরিকভাবে সন্তোষজনক এবং সম্মানজনক চুক্তি।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আলোচনার পথ সুগম করতে যারা ভূমিকা রেখেছে, সেই সব প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি ইরান কৃতজ্ঞ। একসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্বশীলতা ও বাস্তবতার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবে।
এর আগে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, ইরানি জাতি ওয়াশিংটনের হুমকিতে ভয় পাবে না এবং কোনো হামলা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

টানা কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনা, হুমকি-ধমকি ও কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মাস্কটে এ বৈঠককে দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ এড়ানোর প্রচেষ্টায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনার ফলাফল নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা কাটেনি। কারণ, উভয়পক্ষ আলোচনায় বসতে সম্মত হলেও ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে আলোচনার এজেন্ডা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ঐকমত্য হয়নি। খবর আল জাজিরার।
আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতোমধ্যে ওমানের রাজধানী মাসকাটে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
আলোচনাটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য একটি বড় সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখতে চান আদৌ কোনো চুক্তি করা যায় কিনা। একই সঙ্গে ‘পরোক্ষ হুমকি’ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কূটনীতির বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও অনেক বিকল্প রয়েছে, কারণ ট্রাম্প ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত ছিল। তবে এই আলোচনার মাধ্যমে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
রুবিওর মতে, অর্থবহ কোনো অগ্রগতির জন্য আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির খুব চিন্তিত হওয়া উচিত।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো পারমাণবিক ইস্যুতে একটি ন্যায্য, পারস্পরিকভাবে সন্তোষজনক এবং সম্মানজনক চুক্তি।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আলোচনার পথ সুগম করতে যারা ভূমিকা রেখেছে, সেই সব প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি ইরান কৃতজ্ঞ। একসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্বশীলতা ও বাস্তবতার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবে।
এর আগে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, ইরানি জাতি ওয়াশিংটনের হুমকিতে ভয় পাবে না এবং কোনো হামলা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব চুক্তি অনুমোদন করায় দেশটিতে পূর্বনির্ধারিত সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
১ ঘণ্টা আগে
খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে গোলাগুলির জেরে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনো যাতায়াত করছে।
৮ ঘণ্টা আগে