স্ট্রিম ডেস্ক

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা হ্রাসে আঞ্চলিক শক্তিগুলো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যেই আরব সাগরে ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী একটি রণতরির দিকে ধেয়ে আসা ড্রোনটি ভূপাতিত করার পর বিবৃতি দিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স বলেছেন, বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানি ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রণতরি থেকে একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ড্রোনটি ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানরত মার্কিন রণতরির দিকে ‘আক্রমণাত্মকভাবে’এগিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য দেয়নি। তবে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তাদের একটি ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ড্রোনটি নিখোঁজ হওয়ার আগ পর্যন্ত রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) কাছে সফলভাবে তথ্য পাঠাচ্ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তেহরান।
এমন এক সময়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করার খবর এলো, যখন উভয় দেশ আলোচনার টেবিলে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার হুমকি দেওয়ার পর রণতরিটি ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল।
জানা যায়, আগামী শুক্রবার দুপক্ষের মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার কথা। তুরস্ক বা ওমান এই আলোচনার মধ্যস্থতা করতে পারে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা হ্রাসে আঞ্চলিক শক্তিগুলো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যেই আরব সাগরে ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী একটি রণতরির দিকে ধেয়ে আসা ড্রোনটি ভূপাতিত করার পর বিবৃতি দিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স বলেছেন, বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানি ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রণতরি থেকে একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ড্রোনটি ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানরত মার্কিন রণতরির দিকে ‘আক্রমণাত্মকভাবে’এগিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য দেয়নি। তবে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তাদের একটি ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ড্রোনটি নিখোঁজ হওয়ার আগ পর্যন্ত রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) কাছে সফলভাবে তথ্য পাঠাচ্ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তেহরান।
এমন এক সময়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করার খবর এলো, যখন উভয় দেশ আলোচনার টেবিলে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার হুমকি দেওয়ার পর রণতরিটি ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল।
জানা যায়, আগামী শুক্রবার দুপক্ষের মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার কথা। তুরস্ক বা ওমান এই আলোচনার মধ্যস্থতা করতে পারে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ ও তাসনিম এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫ ঘণ্টা আগে