জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

যুক্তরাষ্ট্রের হম্বিতম্বির মধ্যেই চীন-ইরান ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৪৪
ইরানি পত্রিকার প্রচ্ছদে ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির মধ্যেই চীন থেকে জাহাজবিধ্বংসী সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ইরান। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, চীনা প্রযুক্তির ‘সিএম-৩০২’ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার এই চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২৯০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। গতির ক্ষিপ্রতার কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্র রাডারে শনাক্ত করা বা আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মাঝপথে ধ্বংস করা কঠিন।

সংশ্লিষ্ট ছয়টি সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছে, গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আলোচনা গতি পায়। ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাসুদ ওরাই সম্প্রতি এই অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনার জন্য গোপনে চীন সফর করেছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরান এই সক্ষমতা অর্জন করলে তা যুদ্ধের ময়দানে ‘গেম-চেঞ্জার’ হিসেবে কাজ করবে।

এই চুক্তি এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য ১০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন। বর্তমানে ইরানের উপকূলে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ অবস্থান করছে এবং দ্বিতীয় রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’ সেদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই দুই রণতরী মোট ৫ হাজার নৌ-সেনা এবং ১৫০টি যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলেন, চীন কোনোভাবেই ইরানে পশ্চিমাপন্থী সরকার দেখতে চায় না। তাই বর্তমান সরকারকে টিকে থাকতে সহায়তা করা বেইজিংয়ের কৌশলগত স্বার্থের অংশ।

উল্লেখ্য, ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও বেইজিংয়ের কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক অস্ত্র এবং অ্যান্টি-স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কেনার বিষয়েও আলোচনা চালাচ্ছে তেহরান।

Ad 300x250

সম্পর্কিত