স্ট্রিম ডেস্ক

একটি নতুন আঞ্চলিক সংগঠন গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে পাকিস্তান ও চীন। নতুন এই সংগঠন গত ১০ বছর ধরে ‘কার্যত অচল’ থাকা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।
এ-সংক্রান্ত কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, এই মুহূর্তে ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দুই পক্ষই বিশ্বাস করে, আঞ্চলিক সম্পর্ক ও সংহতির জন্য একটি নতুন সংগঠন এখন সময়ের দাবি।
চলতি মাসের ১৯ জুন চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান, চীন ও বাংলাদেশের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক এই কূটনৈতিক তৎপরতারই অংশ ছিল। বৈঠকে ভারতের অনুপস্থিতি প্রত্যাশিত হলেও বাংলাদেশের উপস্থিতি এই অঞ্চলে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন অনেকেই। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ভারতকে খুশি রাখতে ইসলামাবাদের সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বর্জন করেছিল বাংলাদেশ। ১০ বছর পর সেই বাংলাদেশই ভারতের অনুপস্থিতিতে যোগ দিল এই নতুন উদ্যোগে। তিন দেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বৈঠক ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
কুনমিং বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল সার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোকে নতুন এই জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো। ভারতকেও এই প্রস্তাবিত ফোরামে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা আছে। তবে সূত্র বলছে, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন বিবেচনায় ভারতের ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা কম।
তবে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তানের মতো অন্যান্য দেশগুলো নতুন এই জোটের অংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন এই সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হলো বাণিজ্য এবং সংযোগ বৃদ্ধি করে আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা জোরদার করা।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়ার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নামে পরিচিত সার্ক পুরোপুরি অকেজো হয়ে যাবে। ভারত-পাকিস্তানের বৈরী সম্পর্কের কারণে সার্ক নিজের লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হয়ে এসেছে।
২০১৬ সালে নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সার্কের সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা কেন্দ্র করে ইসলামাবাদের বৈঠক বর্জন করে ভারত। তখন বাংলাদেশের শাসনে থাকা আওয়ামী সরকারও নয়াদিল্লির সঙ্গে একাত্ম হয়ে সম্মেলনে অংশ নেয়নি। ফলে সম্মেলনটি স্থগিত হয়ে যায়। এরপর সার্ককে পুনরায় কার্যকর করার কোনো প্রচেষ্টা দেখা যায়নি।
সম্প্রতি, পেহেলগাম হামলার পর ব্যবসায়ীদের জন্য সার্কভিত্তিক বিশেষ ভিসা-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সার্কের সমাপ্তিতে এটিই ছিলো কফিনের শেষ পেরেক। এমন পরিস্থিতিতে নতুন একটি আঞ্চলিক সংগঠনের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহল।
এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে দীর্ঘ দিন ধরে নতুন সংগঠন নিয়ে পাকিস্তান ও চীনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
(পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে প্রকাশিত কামরান ইউসুফের লেখা অবলম্বনে তুফায়েল আহমদ)

একটি নতুন আঞ্চলিক সংগঠন গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে পাকিস্তান ও চীন। নতুন এই সংগঠন গত ১০ বছর ধরে ‘কার্যত অচল’ থাকা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।
এ-সংক্রান্ত কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, এই মুহূর্তে ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দুই পক্ষই বিশ্বাস করে, আঞ্চলিক সম্পর্ক ও সংহতির জন্য একটি নতুন সংগঠন এখন সময়ের দাবি।
চলতি মাসের ১৯ জুন চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান, চীন ও বাংলাদেশের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক এই কূটনৈতিক তৎপরতারই অংশ ছিল। বৈঠকে ভারতের অনুপস্থিতি প্রত্যাশিত হলেও বাংলাদেশের উপস্থিতি এই অঞ্চলে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন অনেকেই। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ভারতকে খুশি রাখতে ইসলামাবাদের সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বর্জন করেছিল বাংলাদেশ। ১০ বছর পর সেই বাংলাদেশই ভারতের অনুপস্থিতিতে যোগ দিল এই নতুন উদ্যোগে। তিন দেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বৈঠক ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
কুনমিং বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল সার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোকে নতুন এই জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো। ভারতকেও এই প্রস্তাবিত ফোরামে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা আছে। তবে সূত্র বলছে, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন বিবেচনায় ভারতের ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা কম।
তবে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তানের মতো অন্যান্য দেশগুলো নতুন এই জোটের অংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন এই সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হলো বাণিজ্য এবং সংযোগ বৃদ্ধি করে আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা জোরদার করা।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়ার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নামে পরিচিত সার্ক পুরোপুরি অকেজো হয়ে যাবে। ভারত-পাকিস্তানের বৈরী সম্পর্কের কারণে সার্ক নিজের লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ হয়ে এসেছে।
২০১৬ সালে নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সার্কের সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা কেন্দ্র করে ইসলামাবাদের বৈঠক বর্জন করে ভারত। তখন বাংলাদেশের শাসনে থাকা আওয়ামী সরকারও নয়াদিল্লির সঙ্গে একাত্ম হয়ে সম্মেলনে অংশ নেয়নি। ফলে সম্মেলনটি স্থগিত হয়ে যায়। এরপর সার্ককে পুনরায় কার্যকর করার কোনো প্রচেষ্টা দেখা যায়নি।
সম্প্রতি, পেহেলগাম হামলার পর ব্যবসায়ীদের জন্য সার্কভিত্তিক বিশেষ ভিসা-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সার্কের সমাপ্তিতে এটিই ছিলো কফিনের শেষ পেরেক। এমন পরিস্থিতিতে নতুন একটি আঞ্চলিক সংগঠনের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহল।
এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে দীর্ঘ দিন ধরে নতুন সংগঠন নিয়ে পাকিস্তান ও চীনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
(পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে প্রকাশিত কামরান ইউসুফের লেখা অবলম্বনে তুফায়েল আহমদ)

সুইজারল্যান্ডের ক্র্যানস-মন্টানা স্কি রিসোর্টে থার্টি ফার্স্ট নাইটের পার্টি চলাকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন মতে, একটি জনাকীর্ণ বারে ঘটা এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১০০ জন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যয়বহুল শহর নিউইয়র্ক সিটির ১১২ তম মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন জোহরান মামদানি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তিনি নিউইউর্কের ওল্ড সিটি হলের নিচের একটি পরিত্যক্ত সাবওয়ে (পাতালরেল) স্টেশনে পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে শপথ নেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রার অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে শুরু হওয়া ইরানের আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়াল। ইরান সরকার বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নতুন কৌশল নিয়েছে। দেশটি বিক্ষোভ ঠেকাতে দ্বৈতনীতি অবলম্বন করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর বয়সে আরও এক বছর যোগ হলো। যুদ্ধ, বিগ্রহ, আনন্দ, বেদনা আর ঘটনার ঘনঘটার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইংরেজি বছর ২০২৫। পুরোনোকে পেছনে ফেলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ নতুন বছরকে উৎসব আনন্দে বরণ করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে