স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তেলের এ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার’ অঙ্গীকার করে। এরপরই ইরান কর্তৃপক্ষ অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে।
এরই মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী ও তার আশপাশে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে। থাই-নিবন্ধিত ময়ুরি নারি জাহাজের তিন ক্রু সদস্য ‘আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন জাহাজটির মালিক।
এদিকে, দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর ইরাক তার তেলবন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। বাহরাইনের মুহাররাক প্রদেশে জ্বালানি ট্যাংকে ইরানি হামলার পর দেশটি বাসিন্দাদের ঘরে থাকতে বলেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ওমান তার প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল মিনা আল ফাহাল থেকে সব জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বে অপরিশোধিত তেল পাঠানোর যে কয়েকটি বন্দর এখনও সচল ছিল তার একটি এটি। অন্য একটি বন্দরে ড্রোন হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আজ ৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ দশমিক ২৯ ডলারে উঠেছে। পরে কিছুটা কমে ৯৮ ডলারে নামে, তবু প্রায় ৬ শতাংশ বেশি।
এর আগে, সোমবার (৯ মার্চ) চার বছরের মধ্যে প্রথমবার তেলের মূল্য সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি তিন অঙ্ক ১১৯ ডলারে উঠেছিল। তবে ট্রাম্প যুদ্ধকে ‘অনেকটাই শেষ’ বলে পরস্পরবিরোধী কিছু মন্তব্য করার পর দাম দ্রুত নেমে আসে। বছরের শুরুতে দাম ছিল প্রায় ৬০ ডলার।
প্রসঙ্গত, তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রশমনে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বুধবার (১১ মার্চ) ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মজুদ ছাড়ের নির্দেশ দিয়েছে। ৩২ সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ৪০ কোটি ব্যারেল জরুরি মজুদ ছাড়া হবে। তবে এই রেকর্ড ছাড়ের ঘোষণা যেন দ্রুতই ম্লান হয়ে গেছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সহিংসতা এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অবনতির শঙ্কা বাড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তেলের এ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার’ অঙ্গীকার করে। এরপরই ইরান কর্তৃপক্ষ অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে।
এরই মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী ও তার আশপাশে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে। থাই-নিবন্ধিত ময়ুরি নারি জাহাজের তিন ক্রু সদস্য ‘আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন জাহাজটির মালিক।
এদিকে, দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর ইরাক তার তেলবন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। বাহরাইনের মুহাররাক প্রদেশে জ্বালানি ট্যাংকে ইরানি হামলার পর দেশটি বাসিন্দাদের ঘরে থাকতে বলেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ওমান তার প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল মিনা আল ফাহাল থেকে সব জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বে অপরিশোধিত তেল পাঠানোর যে কয়েকটি বন্দর এখনও সচল ছিল তার একটি এটি। অন্য একটি বন্দরে ড্রোন হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আজ ৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ দশমিক ২৯ ডলারে উঠেছে। পরে কিছুটা কমে ৯৮ ডলারে নামে, তবু প্রায় ৬ শতাংশ বেশি।
এর আগে, সোমবার (৯ মার্চ) চার বছরের মধ্যে প্রথমবার তেলের মূল্য সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি তিন অঙ্ক ১১৯ ডলারে উঠেছিল। তবে ট্রাম্প যুদ্ধকে ‘অনেকটাই শেষ’ বলে পরস্পরবিরোধী কিছু মন্তব্য করার পর দাম দ্রুত নেমে আসে। বছরের শুরুতে দাম ছিল প্রায় ৬০ ডলার।
প্রসঙ্গত, তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রশমনে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বুধবার (১১ মার্চ) ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মজুদ ছাড়ের নির্দেশ দিয়েছে। ৩২ সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ৪০ কোটি ব্যারেল জরুরি মজুদ ছাড়া হবে। তবে এই রেকর্ড ছাড়ের ঘোষণা যেন দ্রুতই ম্লান হয়ে গেছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সহিংসতা এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অবনতির শঙ্কা বাড়িয়েছে।

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব চুক্তি অনুমোদন করায় দেশটিতে পূর্বনির্ধারিত সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
১০ ঘণ্টা আগে
খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
১২ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
১৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে গোলাগুলির জেরে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনো যাতায়াত করছে।
১৭ ঘণ্টা আগে