জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

কম্বোডিয়ার সঙ্গে সংঘাত, সংসদ ভেঙে নির্বাচনের ঘোষণা থাই প্রধানমন্ত্রীর

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ২২
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়া সীমান্তে নতুন করে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলার মধ্যেই সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। দেশটির আইন অনুযায়ী, আগামী ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইন এই খবর দিয়েছে।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের বরাতে আজ দেশটির রাজকীয় এক অধ্যাদেশে বলা হয়, তিন মাস আগে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে অনুতিনের সংখ্যালঘু সরকার অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় লড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে অন্যতম হলো কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ।

অধ্যাদেশে অনুতিন লিখেন, সবচেয়ে যথোপোযুক্ত সমাধান হলো সংসদ ভেঙে দেওয়া…এটিই রাজনৈতিক ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায়।

অনুতিন থাইল্যান্ডের একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। ২০২৩ সালের আগস্টের পর তিনি দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হন। এর আগে এই সময়ের মধ্যে আরও দুইজন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে তিনি ক্ষমতা গ্রহণের সময় বলেছিলেন, আসছে বছরের জানুয়ারির শেষে তিনি সংসদ ভেঙে দেবেন। কিন্তু তিনি এখন অনাস্থা ভোটের সম্মুখীন হয়েছেন। তাই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন।

এর আগে, গতমাসে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে গিয়ে অনুতিন এবং তাঁর ভূমজাইথাই পার্টি ব্যাপক সমালোচিত হয়। ওই বন্যায় অন্তত ১৭৬ জনের প্রাণহানী ঘটে।

এদিকে, কম্বোডিয়ার সঙ্গে নতুন করে চলা সংঘাতের মধ্যেই সংসদ ভেঙে দেওয়ার এই ঘোষণা এলো। নতুন এই সংঘাতের ফলে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন অনুমোদিত অধ্যাদেশে অনুতিন লিখেছেন, দেশকে বিপর্যস্ত করে তোলা জরুরি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে সরকার জনপ্রশাসনের সব ধরনের উপায় অবলম্বন করেছে…কিন্তু দেশ পরিচালনার জন্য স্থিতিশীলতা প্রয়াজন।

তিনি লিখেন, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিতেও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সংখ্যালঘু সরকার হিসেবে দক্ষতা ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে জনপ্রশাসন পরিচালনা করতে পারছে না।

দেশটির প্রগতিশীল পিপলস পার্টির সমর্থন হারানোর পর এই সংসদ ভেঙে দেওয়ার এই আদেশ জারি হলো। সংসদে পিপলস পার্টি সবচেয়ে বড় দল। আগে দলটি অনুতিনের প্রধানমন্ত্রীত্বকে সমর্থন দিয়েছিল।

সম্পর্কিত