জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন

যুদ্ধ সত্ত্বেও ইরান থেকে দেশত্যাগের ঘটনা ঘটেনি: ইউএনএইচসিআর

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১৫: ২৮
ছবি: সংগৃহীত

ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান থেকে দেশত্যাগের ঘটনা ঘটছে না। অর্থাৎ, ইরান থেকে সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা এখনও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের আগের স্বাভাবিক দৈনিক গড় সীমার মধ্যেই রয়েছে। টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

জেনেভায় শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি, ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশের ভেতরে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ইরান থেকে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার মতো বড় ধরনের কোনো ঘটনা এখনও ঘটেনি। ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, ‘আমরা ইরান থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বড় ধরনের কোনো সীমান্ত পারাপারের প্রবণতা দেখছি না।’

তুর্কি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রায় ১১ হাজার ৪০০ ইরানি নাগরিক তুরস্কে প্রবেশ করেছেন। অন্যদিকে ২৪ হাজার ৬০০-এর বেশি আফগান নাগরিক ইরান থেকে আফগানিস্তানে ফিরে গেছেন। মুখপাত্র উল্লেখ করেন যে, উভয় সংখ্যাই বর্তমান সংকটের আগের স্বাভাবিক দৈনিক পারাপারের গড়ের মধ্যেই রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ইরানি নাগরিকরা কোনো ভিসা ছাড়াই ৯০ দিন পর্যন্ত তুরস্কে অবস্থান করতে পারেন।

দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুতি

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে যে, সীমান্ত পারাপারের ঘটনা সীমিত থাকলেও এই সংঘাত ইরানের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। দেশের অভ্যন্তরেই মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হচ্ছে।

ইরানে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান সালভাদর গুটিয়েরেজ জানান, প্রায় ২২ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র তেহরানেই ১৭ হাজারের বেশি আবাসিক ভবন রয়েছে। ফলে হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখন হোটেল, জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে।

চলাচলের তথ্য থেকেও দেখা গেছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশের ভেতরে অন্য এলাকায় সরে যাচ্ছে। মার্চ মাসের শুরুতে কাস্পিয়ান সাগর তীরবর্তী প্রদেশগুলোতে ৪ লাখের বেশি যানবাহনের প্রবেশ রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর অনেক বাসিন্দা নিরাপদ উত্তরের অঞ্চলগুলোতে চলে গেছেন।

সম্পর্কিত