স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি নিরাপদে পার হতে ইরানকে টোল দিলে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে শিপিং কোম্পানিগুলো। শুক্রবার (১ মে) মার্কিন অর্থ দপ্তরের অধীন বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ অফিস (ওএফএসি) এ ঘোষণা দেয়। খবর বিবিসি
সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানকে অর্থ দিতে পারে না। মার্কিন নাগরিক নন- এমন কেউ লেনদেন করলেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন।
ওএফএসি জানায়, ইরানের বন্দর ও শিপিং খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে ইরানি বন্দরে জাহাজ চলাচলের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ইরান সম্প্রতি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিতে তারা জাহাজ থেকে টোল আদায় করছে। তবে এর পরিমাণ, আদায়ের পদ্ধতি বা কারা অর্থ দিচ্ছে- এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তেহরান। তাদের দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ওএফএসি জানায়, এসব অর্থ লেনদেন শুধু নগদ নয়, ডিজিটাল মুদ্রা, পণ্য বিনিময়, অনানুষ্ঠানিক লেনদেন এমনকি দাতব্য সহায়তার মাধ্যমেও হতে পারে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এমন লেনদেনের কারণে যদি কোনো মার্কিন ব্যাংক বা বিমা কোম্পানি যুক্ত হয়, তারাও আইনগত ব্যবস্থা ও শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
মার্কিন অর্থ দপ্তর জানায়, তারা ইরানের তেল, পেট্রোকেমিক্যালসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব খাতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে শুক্রবার ইরানের তিনটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের অর্থ উপার্জন ও তা স্থানান্তরের সক্ষমতা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেবে। এসব কাজে যারা সহায়তা করছে তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনা কমান্ড সেন্টকম। তাদের তথ্যে, অবরোধ শুরুর পর ৪৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাধারণত মাসে প্রায় ৩ হাজার জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি দিয়ে চলাচল করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়।
পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেন। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার ব্যবস্থা করেন। তবে সেই আলোচনায় কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন।
ইরান ১৭ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়। কিন্তু মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে ১৮ এপ্রিল আবার বন্ধ করে দেয়।

হরমুজ প্রণালি নিরাপদে পার হতে ইরানকে টোল দিলে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে শিপিং কোম্পানিগুলো। শুক্রবার (১ মে) মার্কিন অর্থ দপ্তরের অধীন বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ অফিস (ওএফএসি) এ ঘোষণা দেয়। খবর বিবিসি
সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানকে অর্থ দিতে পারে না। মার্কিন নাগরিক নন- এমন কেউ লেনদেন করলেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন।
ওএফএসি জানায়, ইরানের বন্দর ও শিপিং খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে ইরানি বন্দরে জাহাজ চলাচলের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ইরান সম্প্রতি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিতে তারা জাহাজ থেকে টোল আদায় করছে। তবে এর পরিমাণ, আদায়ের পদ্ধতি বা কারা অর্থ দিচ্ছে- এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তেহরান। তাদের দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ওএফএসি জানায়, এসব অর্থ লেনদেন শুধু নগদ নয়, ডিজিটাল মুদ্রা, পণ্য বিনিময়, অনানুষ্ঠানিক লেনদেন এমনকি দাতব্য সহায়তার মাধ্যমেও হতে পারে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এমন লেনদেনের কারণে যদি কোনো মার্কিন ব্যাংক বা বিমা কোম্পানি যুক্ত হয়, তারাও আইনগত ব্যবস্থা ও শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
মার্কিন অর্থ দপ্তর জানায়, তারা ইরানের তেল, পেট্রোকেমিক্যালসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব খাতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে শুক্রবার ইরানের তিনটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের অর্থ উপার্জন ও তা স্থানান্তরের সক্ষমতা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেবে। এসব কাজে যারা সহায়তা করছে তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনা কমান্ড সেন্টকম। তাদের তথ্যে, অবরোধ শুরুর পর ৪৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাধারণত মাসে প্রায় ৩ হাজার জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি দিয়ে চলাচল করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়।
পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করেন। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার ব্যবস্থা করেন। তবে সেই আলোচনায় কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন।
ইরান ১৭ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়। কিন্তু মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে ১৮ এপ্রিল আবার বন্ধ করে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের জবাব পাঠিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই উত্তর পাঠানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিটের কন্যাসন্তানের জন্মে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে একই সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি স্কুলে মার্কিন হামলায় ১৬৮ শিশুর মৃত্যুর নির্মম স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে দেশটি।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে হামলা চালাতে ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছিল ইসরায়েল। মার্কিন কর্মকর্তাসহ বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন একাধিক ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
১১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে ফতেহ খেল পুলিশ পোস্টে এই হামলা হয়। খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের।
১৪ ঘণ্টা আগে