স্ট্রিম ডেস্ক

ফিলিস্তিন ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে কাজ করা ৩৭টি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। এতে করে জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রম নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ইতোমধ্যে সংকটে থাকা গাজাবাসী আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হবেন বলে জাতিসংঘ, বিশেষজ্ঞ ও মুসলিম বিশ্ব মনে করছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা ঠেকানোর কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কেউ নিচ্ছে না। জাতিসংঘ কেবল একটি বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে গাজাবাসীর সংকট ঘনীভূত হওয়ার যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে তা দূর করতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস সংস্থাগুলোর কাজকে ‘জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য’ উল্লেখ করেছেন। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকের বরাতে এই খবর দিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মহাসচিব বলেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, আগেও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এখন আবার এনজিও’র ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। আগের নিষেধাজ্ঞা-ই ইতোমধ্যে গাজায় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য, চিকিৎসা, স্বাস্থ্যবিধি এবং আশ্রয় সরবরাহ প্রবেশ বিলম্বিত করেছে।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা যে মানবিক সংকটের মুখে আছে সাম্প্রতিক এই নিষেধাজ্ঞা তা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
প্রসঙ্গত, নিবন্ধনের নতুন শর্ত পূরণ করতে না পারায় ইসরায়েল এই মানবিক সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নতুন শর্ত অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলে কাজ করা সংস্থাগুলোর কর্মী, তহবিল ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অঙ্গীকার করেছে ইসরায়েল।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা একে মনগড়া শর্ত এবং মানবিক নীতির লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছেন। ত্রাণ সহায়তাকারী সংস্থাগুলো বলছে, সংস্থার ফিলিস্তিনি কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য ইসরায়েলকে দিলে তা তাঁদেরকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
এনজিওগুলোর মধ্যে ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (ফরাসি সংক্ষিপ্ত রূপ এমএসএফ), নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল এবং ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিও রয়েছে।
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত গাজায় চালানো গণহত্যার মধ্যে প্রায় ৫০০ ত্রাণকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ২৭১ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধ চলাকালে গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং অনেকে এখনো তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন।
গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ বজায় রেখেছিল ইসরায়েল। চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের বাধাহানী ত্রাণ প্রবেশ করবে—এমনটাই আশা করা হয়েছিল। তবে মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েল এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহে বাধা দিচ্ছে।
জাতিসংঘের মতে, বন্যা এবং শীতকালীন ঝড় থেকে রক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ব্যবহার হতে পারে এমন উপাদানও চলমান নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার কাতার, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা সতর্ক করেছেন, গাজার ‘অবনতিশীল’ পরিস্থিতি আরও বেশি প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এক বিবৃতিতে তাঁরা বলছেন, বন্যা কবলিত আশ্রয় শিবির, ক্ষতিগ্রস্ত তাঁবু, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়া, তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং অপুষ্টি—সব মিলিয়ে বেসামরিক জীবনের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাঁবু, আশ্রয় সামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা, বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি এবং স্যানিটেশন সহায়তা সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রবেশ ও বিতরণে নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলতে দখলদার ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

ফিলিস্তিন ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে কাজ করা ৩৭টি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। এতে করে জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রম নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ইতোমধ্যে সংকটে থাকা গাজাবাসী আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হবেন বলে জাতিসংঘ, বিশেষজ্ঞ ও মুসলিম বিশ্ব মনে করছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা ঠেকানোর কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কেউ নিচ্ছে না। জাতিসংঘ কেবল একটি বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে গাজাবাসীর সংকট ঘনীভূত হওয়ার যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে তা দূর করতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস সংস্থাগুলোর কাজকে ‘জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য’ উল্লেখ করেছেন। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকের বরাতে এই খবর দিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মহাসচিব বলেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, আগেও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এখন আবার এনজিও’র ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। আগের নিষেধাজ্ঞা-ই ইতোমধ্যে গাজায় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য, চিকিৎসা, স্বাস্থ্যবিধি এবং আশ্রয় সরবরাহ প্রবেশ বিলম্বিত করেছে।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা যে মানবিক সংকটের মুখে আছে সাম্প্রতিক এই নিষেধাজ্ঞা তা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
প্রসঙ্গত, নিবন্ধনের নতুন শর্ত পূরণ করতে না পারায় ইসরায়েল এই মানবিক সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নতুন শর্ত অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলে কাজ করা সংস্থাগুলোর কর্মী, তহবিল ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অঙ্গীকার করেছে ইসরায়েল।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা একে মনগড়া শর্ত এবং মানবিক নীতির লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছেন। ত্রাণ সহায়তাকারী সংস্থাগুলো বলছে, সংস্থার ফিলিস্তিনি কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য ইসরায়েলকে দিলে তা তাঁদেরকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
এনজিওগুলোর মধ্যে ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (ফরাসি সংক্ষিপ্ত রূপ এমএসএফ), নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল এবং ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিও রয়েছে।
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত গাজায় চালানো গণহত্যার মধ্যে প্রায় ৫০০ ত্রাণকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ২৭১ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধ চলাকালে গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং অনেকে এখনো তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন।
গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ বজায় রেখেছিল ইসরায়েল। চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের বাধাহানী ত্রাণ প্রবেশ করবে—এমনটাই আশা করা হয়েছিল। তবে মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েল এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহে বাধা দিচ্ছে।
জাতিসংঘের মতে, বন্যা এবং শীতকালীন ঝড় থেকে রক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ব্যবহার হতে পারে এমন উপাদানও চলমান নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার কাতার, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা সতর্ক করেছেন, গাজার ‘অবনতিশীল’ পরিস্থিতি আরও বেশি প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এক বিবৃতিতে তাঁরা বলছেন, বন্যা কবলিত আশ্রয় শিবির, ক্ষতিগ্রস্ত তাঁবু, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়া, তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং অপুষ্টি—সব মিলিয়ে বেসামরিক জীবনের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাঁবু, আশ্রয় সামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা, বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি এবং স্যানিটেশন সহায়তা সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রবেশ ও বিতরণে নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলতে দখলদার ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, নিজের ভাগ্য নিজে নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে ভেনেজুয়েলার। সেখানে বিদেশি শক্তির সামরিক হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় হামলার পর প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে ভেনেজুয়েলা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এই দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় রাত প্রায় ২টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর) অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় রাজধানী কারাকাসজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মালিকানাধীন দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশি বাঁ হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
৫ ঘণ্টা আগে