স্ট্রিম সংবাদদাতা

রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা। বাহরাইনের মানামা শহরের আরসি ড্রাইডক প্রাঙ্গণ। কাজ শেষে ঘরমুখো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এস এম তারেক। হয়তো মনে মনে ভাবছিলেন, আর মাত্র পাঁচ মিনিট! এরপরই সুপারভাইজারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ফিরবেন নিজের ডেরায়। কিন্তু সেই পাঁচ মিনিট আর ফুরায়নি । ইরানের ছোঁড়া একটি ড্রোনের খণ্ডাংশ কেড়ে নেয় সন্দ্বীপের এই প্রবাসী শ্রমিকের প্রাণ।
২৭ বছরের প্রবাস জীবনের ইতি ঘটল একনিমিষেই। যে মানুষটি দুই যুগ ধরে বিদেশের মাটিতে ঘাম ঝরিয়েছেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে, তাঁর নিথর দেহ এখন পড়ে আছে বিদেশের হাসপাতালের হিমঘরে।
তারেকের মামাতো ভাই ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, তারেকের কর্মস্থলটি ছিল একটি মার্কিন ঘাঁটির ঠিক পাশেই। ধারণা করা হচ্ছে, আকাশপথে ধেয়ে আসা ড্রোনটি লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কাজ শুরু করে। ওপরেই বিস্ফোরিত হয় ড্রোনটি। কিন্তু সেই বিস্ফোরিত ড্রোনেরই একটি তপ্ত খণ্ডাংশ এসে পড়ে ঠিক তারেকের মাথায়। সঙ্গে থাকা সহকর্মী আহত হলেও তারেক আর সময় পাননি।
চট্টগ্রাম নগরীর বউ বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এখন শুধুই কান্না। সেখানে উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া একমাত্র সন্তান তাসনিম তামান্না বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। রোববার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা সাড়ে চার ঘণ্টা ভিডিও কলে বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। কে জানত, স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বাবার সেই হাসিমুখই হবে তামান্নার শেষ স্মৃতি!
তামান্না শোনালেন তাঁর অপূর্ণ ইচ্ছার কথা। তিনি বলেন, ‘বাবা আমাকে রাজকন্যার মতো আগলে রাখতেন। আমার প্রতিটি আবদার তিনি পূরণ করতেন। এ বছর জানুয়ারিতে আসার কথা ছিল, কিন্তু গতবছর ওমরাহ করায় এ বছর আসতে পারেননি। আমি যখনই বায়না ধরেছি, বাবা বলেছেন, রোজার শেষ দিকে বা কোরবানির ঈদে অবশ্যই আসবেন। বাবার আসা তো হচ্ছে, কিন্তু তিনি তো কথা বলবেন না।’
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নের পাহাড়েরগো বাড়ির বাসিন্দা এস এম তারেক ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শেষবারের মতো দেশে এসেছিলেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে তাঁর একমাত্র স্বপ্ন ছিল মেয়ের ভবিষ্যৎ। সেই মেয়েকে একা রেখে আজ তিনি পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
তারেকের কর্মস্থল আরসি ড্রাইডক কর্তৃপক্ষ এবং বাহরাইন সরকার ইতিমধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা। বাহরাইনের মানামা শহরের আরসি ড্রাইডক প্রাঙ্গণ। কাজ শেষে ঘরমুখো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এস এম তারেক। হয়তো মনে মনে ভাবছিলেন, আর মাত্র পাঁচ মিনিট! এরপরই সুপারভাইজারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ফিরবেন নিজের ডেরায়। কিন্তু সেই পাঁচ মিনিট আর ফুরায়নি । ইরানের ছোঁড়া একটি ড্রোনের খণ্ডাংশ কেড়ে নেয় সন্দ্বীপের এই প্রবাসী শ্রমিকের প্রাণ।
২৭ বছরের প্রবাস জীবনের ইতি ঘটল একনিমিষেই। যে মানুষটি দুই যুগ ধরে বিদেশের মাটিতে ঘাম ঝরিয়েছেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে, তাঁর নিথর দেহ এখন পড়ে আছে বিদেশের হাসপাতালের হিমঘরে।
তারেকের মামাতো ভাই ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, তারেকের কর্মস্থলটি ছিল একটি মার্কিন ঘাঁটির ঠিক পাশেই। ধারণা করা হচ্ছে, আকাশপথে ধেয়ে আসা ড্রোনটি লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কাজ শুরু করে। ওপরেই বিস্ফোরিত হয় ড্রোনটি। কিন্তু সেই বিস্ফোরিত ড্রোনেরই একটি তপ্ত খণ্ডাংশ এসে পড়ে ঠিক তারেকের মাথায়। সঙ্গে থাকা সহকর্মী আহত হলেও তারেক আর সময় পাননি।
চট্টগ্রাম নগরীর বউ বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এখন শুধুই কান্না। সেখানে উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া একমাত্র সন্তান তাসনিম তামান্না বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। রোববার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা সাড়ে চার ঘণ্টা ভিডিও কলে বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। কে জানত, স্ক্রিনে ভেসে ওঠা বাবার সেই হাসিমুখই হবে তামান্নার শেষ স্মৃতি!
তামান্না শোনালেন তাঁর অপূর্ণ ইচ্ছার কথা। তিনি বলেন, ‘বাবা আমাকে রাজকন্যার মতো আগলে রাখতেন। আমার প্রতিটি আবদার তিনি পূরণ করতেন। এ বছর জানুয়ারিতে আসার কথা ছিল, কিন্তু গতবছর ওমরাহ করায় এ বছর আসতে পারেননি। আমি যখনই বায়না ধরেছি, বাবা বলেছেন, রোজার শেষ দিকে বা কোরবানির ঈদে অবশ্যই আসবেন। বাবার আসা তো হচ্ছে, কিন্তু তিনি তো কথা বলবেন না।’
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নের পাহাড়েরগো বাড়ির বাসিন্দা এস এম তারেক ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শেষবারের মতো দেশে এসেছিলেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে তাঁর একমাত্র স্বপ্ন ছিল মেয়ের ভবিষ্যৎ। সেই মেয়েকে একা রেখে আজ তিনি পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
তারেকের কর্মস্থল আরসি ড্রাইডক কর্তৃপক্ষ এবং বাহরাইন সরকার ইতিমধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া, মাথায় যমটুপি। ছুটন্ত মাইক্রোবাসে বসে হুমকি—‘যা জিজ্ঞাসা করব সত্য বলতে হবে, অন্যথায় ক্রসফায়ার দিয়ে লাশ গুম করে ফেলব।’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাঁড়িয়ে ২০১৮ সালে নিজের গুম হওয়ার ও জীবন্ত কবরে বন্দিজীবনের এভাবেই বর্ণনা দিয়েছেন ৭১ বছর বয়সী ইকবাল চৌধুরী।
২ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সালেহ আহমদ (৫৫) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত শনিবার রাতে ইফতারের পর এই ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে