স্ট্রিম ডেস্ক

বিভিন্ন দেশে ইরানের জব্দ অর্থের মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি কিস্তি ছাড় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচক দলের প্রধান ও মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়ায় তেল রপ্তানিতে আংশিক নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও তেল বিক্রি ও ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় অব্যাহতির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর আলজাজিরার।
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এসব তথ্য দিয়েছেন তিনি। গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি, লেবানন পরিস্থিতি, তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং জব্দ করা তহবিল ছাড়— এই চারটি বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘এটি শান্তি প্রক্রিয়ার শুরু মাত্র, এখনও অনেক পথ বাকি।’
বৈঠকের পরপরই ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও জানান, ইরান তাদের দেশে জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের আবার ফিরে আসার অনুমতি দেবে। সই হওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরান কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাবে এবং আটকে থাকা সম্পদ অবমুক্ত করা হবে।
এদিকে লেবানন প্রসঙ্গে গালিবাফ জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য লেবাননে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি, আবারও যুদ্ধে ফিরে যাওয়া ঠেকানো ও স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে কেন্দ্রটি। এ ছাড়া ইসরায়েল-অধিকৃত এলাকা খালি করার বিষয়েও কাজ করবে এই কেন্দ্র।
আর হরমুজ প্রণালি নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনাকে গালিবাফ বলেছেন, ‘প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর কখনোই যুদ্ধের আগের মতো অবস্থায় ফিরে যাবে না।’ যেকোনো বিরোধ দ্রুত মেটাতে হটলাইনসহ একটি স্থায়ী সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপনেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একমত হয়েছে বলে জানান তিনি।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সইয়ের পর গত সপ্তাহে এটি আবার খুলে দেওয়া হয়। তবে লেবাননে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার তেহরান আবারও প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করে। আলোচনার পর থেকে প্রণালি দিয়ে আবার স্বাভাবিক গতিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো।

বিভিন্ন দেশে ইরানের জব্দ অর্থের মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি কিস্তি ছাড় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচক দলের প্রধান ও মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়ায় তেল রপ্তানিতে আংশিক নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও তেল বিক্রি ও ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় অব্যাহতির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর আলজাজিরার।
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এসব তথ্য দিয়েছেন তিনি। গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি, লেবানন পরিস্থিতি, তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং জব্দ করা তহবিল ছাড়— এই চারটি বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তবে তিনি স্বীকার করেন, ‘এটি শান্তি প্রক্রিয়ার শুরু মাত্র, এখনও অনেক পথ বাকি।’
বৈঠকের পরপরই ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও জানান, ইরান তাদের দেশে জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের আবার ফিরে আসার অনুমতি দেবে। সই হওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরান কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাবে এবং আটকে থাকা সম্পদ অবমুক্ত করা হবে।
এদিকে লেবানন প্রসঙ্গে গালিবাফ জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য লেবাননে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি, আবারও যুদ্ধে ফিরে যাওয়া ঠেকানো ও স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে কেন্দ্রটি। এ ছাড়া ইসরায়েল-অধিকৃত এলাকা খালি করার বিষয়েও কাজ করবে এই কেন্দ্র।
আর হরমুজ প্রণালি নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনাকে গালিবাফ বলেছেন, ‘প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর কখনোই যুদ্ধের আগের মতো অবস্থায় ফিরে যাবে না।’ যেকোনো বিরোধ দ্রুত মেটাতে হটলাইনসহ একটি স্থায়ী সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপনেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একমত হয়েছে বলে জানান তিনি।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সইয়ের পর গত সপ্তাহে এটি আবার খুলে দেওয়া হয়। তবে লেবাননে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার তেহরান আবারও প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করে। আলোচনার পর থেকে প্রণালি দিয়ে আবার স্বাভাবিক গতিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো।
.png)

যুক্তরাজ্যের সদ্য পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান-যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না দাঁড়ানোয় ব্রিটিশ জনগণ স্টারমারকে পছন্দ করেনি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ‘স্টারমার উইনস্টন চার্চিল নন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প।
৩ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চলমান আলোচনায় কারিগরি পর্যায়ে প্রথম দফার বৈঠক শেষ হয়েছে। এতে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক কর্মসূচি, দেশটির পুনর্গঠন এবং সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন নিশ্চিত নিয়ে পৃথক ওয়ার্ক গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
কাতারের রাস লাফান গ্যাস টার্মিনালে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ১৩ শ্রমিক নিহত এবং ৬৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে দোহায় সংবাদ সম্মেলনে কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী এবং দেশটির জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাদ শেরিদা আল-কাবি এই তথ্য জানান।
১৬ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর ইরানের ওপর থেকে সাময়িকভাবে তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২২ জুন) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এ সংক্রান্ত ৬০ দিনের একটি সাধারণ লাইসেন্স ইস্যু করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে