স্ট্রিম ডেস্ক

স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হয়েছেন ইলন মাস্ক। তবে বিপুল সম্পদের এই মালিক জীবনযাপন করেন বেশ সাদামাটাভাবে।
২০২১ সালে ইলন মাস্ক বলেছিলেন, তিনি প্রায় ৫০ হাজার ডলার মূল্যের একটি ছোট বাড়িতে থাকেন। আর ওই বাড়িটি তিনি ভাড়া নিয়েছেন তাঁর নিজেরই প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স থেকে।
বাড়িটি নির্মাণ করেছে আবাসন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বক্সএবল। এর আয়তন মাত্র ২০ ফুট × ২০ ফুট। টেক্সাসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রনের তথ্য অনুযায়ী, ছোট এই বাড়িতে একটি বসার জায়গা, শোবার অংশ, রান্নাঘর এবং বাথটাব-শাওয়ারসহ একটি বাথরুম রয়েছে। মাস্কের এই সাদামাটা জীবনযাপন তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিলাসবহুল বাড়িগুলোর সঙ্গে বেশ বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানায় টেক্সাসের ওয়েস্ট লেক হিলস এলাকায় অন্তত তিনটি বড় বাড়ি রয়েছে। এসব বাড়ির আয়তন ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার বর্গফুটের মধ্যে এবং প্রতিটিতেই রয়েছে সুইমিং পুলসহ নানা বিলাসবহুল সুবিধা।
২০২৩ সালে ইলন মাস্কের জীবনীকার ওয়াল্টার আইজাকসন বাড়িটির ভেতরের একটি ছবি প্রকাশ করেন। তিনি এটিকে ‘অত্যন্ত সাধারণ দুই কক্ষের বাড়ি’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মাস্ক এখানে একটি কাঠের টেবিলে বসেই প্রায়শই ফোনে ব্যবসায়িক আলাপ করতেন।
চলতি বছরের শুরুতে বাড়িটি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন মাস্কের মা মে মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ফ্রিজে কোনো খাবার নেই। ডান পাশে যে গ্যারেজটি দেখা যাচ্ছে, সেখানেই আমি ঘুমিয়েছি। বাথরুমে মাত্র একটি তোয়ালে ছিল, তাই সেটি আমি ইলনের জন্য রেখে দিয়েছিলাম। এতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ছোটবেলায় আমি কালাহারি মরুভূমিতে টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত গোসল ছাড়া কাটিয়েছি। এমন ঘটনা অনেকবার ঘটেছে। সেখানে পানিরই ব্যবস্থা ছিল না। আমার মনে হয়, আমার বাবা-মা আমাকে এমন জীবনযাপনের জন্যই প্রস্তুত করেছিলেন। তাই এটাকেই আমি বিলাসিতা মনে করি।’
কাজপাগল হিসেবে পরিচিত ইলন মাস্ক বরাবরই আরাম আয়েশের চেয়ে কাজকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। টেসলার মডেল ৩ উৎপাদন সংকটের সময় তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার কারখানাতেই রাত কাটাতেন।
মাস্কের এই সাধারণ জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতভেদ দেখা গেছে। এক্সে একজন লিখেছেন, ‘যারা অবাক হচ্ছেন, তাদের জন্য বলছি ট্রিলিয়নিয়ার হয়েও ইলন মাস্ক এখনো একটি সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। যদি তার অর্থসম্পদ দেখে আপনার রাগ হয়, তাহলে হয়তো আপনি কেবলই ঈর্ষান্বিত অথবা সমাজতন্ত্রী কমিউনিস্ট।’
আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই, ট্রিলিয়নিয়াররা এমনই হোক। তিনি নিজের সম্পদ নিয়ে জাঁকজমক দেখান না। তার হাতে নগদ অর্থ এক বিলিয়ন ডলারেরও কম। তার মোট সম্পদের ৯৯ শতাংশের বেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত।’
তবে সবাই এই ব্যাখ্যায় একমত নন। রেডিটে এক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতেই মাস্ক এমন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি লেখেন, ‘যারা এসব বিশ্বাস করে তারা বোকা।

স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হয়েছেন ইলন মাস্ক। তবে বিপুল সম্পদের এই মালিক জীবনযাপন করেন বেশ সাদামাটাভাবে।
২০২১ সালে ইলন মাস্ক বলেছিলেন, তিনি প্রায় ৫০ হাজার ডলার মূল্যের একটি ছোট বাড়িতে থাকেন। আর ওই বাড়িটি তিনি ভাড়া নিয়েছেন তাঁর নিজেরই প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স থেকে।
বাড়িটি নির্মাণ করেছে আবাসন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বক্সএবল। এর আয়তন মাত্র ২০ ফুট × ২০ ফুট। টেক্সাসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রনের তথ্য অনুযায়ী, ছোট এই বাড়িতে একটি বসার জায়গা, শোবার অংশ, রান্নাঘর এবং বাথটাব-শাওয়ারসহ একটি বাথরুম রয়েছে। মাস্কের এই সাদামাটা জীবনযাপন তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিলাসবহুল বাড়িগুলোর সঙ্গে বেশ বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাস্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানায় টেক্সাসের ওয়েস্ট লেক হিলস এলাকায় অন্তত তিনটি বড় বাড়ি রয়েছে। এসব বাড়ির আয়তন ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার বর্গফুটের মধ্যে এবং প্রতিটিতেই রয়েছে সুইমিং পুলসহ নানা বিলাসবহুল সুবিধা।
২০২৩ সালে ইলন মাস্কের জীবনীকার ওয়াল্টার আইজাকসন বাড়িটির ভেতরের একটি ছবি প্রকাশ করেন। তিনি এটিকে ‘অত্যন্ত সাধারণ দুই কক্ষের বাড়ি’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মাস্ক এখানে একটি কাঠের টেবিলে বসেই প্রায়শই ফোনে ব্যবসায়িক আলাপ করতেন।
চলতি বছরের শুরুতে বাড়িটি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন মাস্কের মা মে মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ফ্রিজে কোনো খাবার নেই। ডান পাশে যে গ্যারেজটি দেখা যাচ্ছে, সেখানেই আমি ঘুমিয়েছি। বাথরুমে মাত্র একটি তোয়ালে ছিল, তাই সেটি আমি ইলনের জন্য রেখে দিয়েছিলাম। এতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ছোটবেলায় আমি কালাহারি মরুভূমিতে টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত গোসল ছাড়া কাটিয়েছি। এমন ঘটনা অনেকবার ঘটেছে। সেখানে পানিরই ব্যবস্থা ছিল না। আমার মনে হয়, আমার বাবা-মা আমাকে এমন জীবনযাপনের জন্যই প্রস্তুত করেছিলেন। তাই এটাকেই আমি বিলাসিতা মনে করি।’
কাজপাগল হিসেবে পরিচিত ইলন মাস্ক বরাবরই আরাম আয়েশের চেয়ে কাজকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। টেসলার মডেল ৩ উৎপাদন সংকটের সময় তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার কারখানাতেই রাত কাটাতেন।
মাস্কের এই সাধারণ জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতভেদ দেখা গেছে। এক্সে একজন লিখেছেন, ‘যারা অবাক হচ্ছেন, তাদের জন্য বলছি ট্রিলিয়নিয়ার হয়েও ইলন মাস্ক এখনো একটি সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। যদি তার অর্থসম্পদ দেখে আপনার রাগ হয়, তাহলে হয়তো আপনি কেবলই ঈর্ষান্বিত অথবা সমাজতন্ত্রী কমিউনিস্ট।’
আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই, ট্রিলিয়নিয়াররা এমনই হোক। তিনি নিজের সম্পদ নিয়ে জাঁকজমক দেখান না। তার হাতে নগদ অর্থ এক বিলিয়ন ডলারেরও কম। তার মোট সম্পদের ৯৯ শতাংশের বেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত।’
তবে সবাই এই ব্যাখ্যায় একমত নন। রেডিটে এক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতেই মাস্ক এমন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি লেখেন, ‘যারা এসব বিশ্বাস করে তারা বোকা।
.png)

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরীপুর জামে মসজিদ, যা অনেকের কাছে ‘বাঁকড়া মসজিদ’ নামেও পরিচিত, তাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরান নয়, সুরক্ষার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রই হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই) ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সম্ভবত আমরাই পরিচালনা করব। আমরা এই প্রণালির অভিভাবক (গার্ডিয়ান) হতে যাচ্ছি।’
৭ ঘণ্টা আগে
নদীকে ঘিরেই মানবসভ্যতার জন্ম। কিন্তু সেই নদীই কখনো কখনো সভ্যতার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছে। ইতিহাসে এমন অনেক বন্যা আছে, যেগুলো শুধু কয়েকটি শহর বা গ্রামের ক্ষতি করেনি, বদলে দিয়েছে একটি দেশের অর্থনীতি, নগর পরিকল্পনা, এমনকি রাষ্ট্রের দুর্যোগ মোকাবিলার চিন্তাভাবনাও।
১০ ঘণ্টা আগে
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে কাতারকে সফট পাওয়ারের এক অনন্য মডেলে রূপান্তরিত করেন। আল জাজিরা প্রতিষ্ঠা, লেবানন-দারফুর-ফিলিস্তিন সংকটে মধ্যস্থতা এবং আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করে দেশটি।
১৩ ঘণ্টা আগে