গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে লুলা বলেন, ব্রাজিলের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা সার্বভৌমত্বে গুরুতর আঘাত।
স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ও ব্রাজিলিয়ান বিচার বিভাগের সমালোচনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ব্রাজিলের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে লুলা বলেন, ব্রাজিলের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা সার্বভৌমত্বে গুরুতর আঘাত।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ আগস্ট থেকে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর ৫০% আমদানি শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, সাবেক ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।
ট্রাম্পের এমন হুমকির উত্তরে লুলা বলেন, ‘আমি কোনো বিদেশির আদেশ মানব না।’
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে লুলা বলেন, যারা ব্রাজিলের মাটিতে বসে ট্রাম্পের নীতিকে সমর্থন করে, তারা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লুলা বলেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধে কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না। ব্রাজিল একটি শান্তিপ্রিয় দেশ, আমাদের কোনো শত্রু নেই। আমরা সব পক্ষের সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপনে বিশ্বাস করি। তবে কেউ ভুলে যাবেন না, ব্রাজিলের একমাত্র মালিক হলো ব্রাজিলিয়ান জনগণ।’
উল্লেখ্য, ২০২২-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী লুলার কাছে পরাজিত হন ডানপন্থী বলসোনারো। ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি লুলার সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়। এই অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে বলসোনারোর জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে বলসোনারো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এর আগে সিএনএনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লুলা বলেছিলেন, ‘বলসোনারোর বিচার প্রক্রিয়া রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। ব্রাজিলের বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার বিভাগের ওপর আমার বা অন্য কারো কোনো প্রভাব নেই।’
চলতি মাসের ৬ তারিখ অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লুলা বলেন, ‘পৃথিবী বদলে গেছে। আমরা আর কোনো সম্রাট চাই না।’
তবে, ট্রাম্পের প্রতি কড়া সমালোচনা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্রাজিলে আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেন লুলা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ও ব্রাজিলিয়ান বিচার বিভাগের সমালোচনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ব্রাজিলের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে লুলা বলেন, ব্রাজিলের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা সার্বভৌমত্বে গুরুতর আঘাত।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ আগস্ট থেকে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর ৫০% আমদানি শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, সাবেক ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।
ট্রাম্পের এমন হুমকির উত্তরে লুলা বলেন, ‘আমি কোনো বিদেশির আদেশ মানব না।’
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে লুলা বলেন, যারা ব্রাজিলের মাটিতে বসে ট্রাম্পের নীতিকে সমর্থন করে, তারা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লুলা বলেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধে কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না। ব্রাজিল একটি শান্তিপ্রিয় দেশ, আমাদের কোনো শত্রু নেই। আমরা সব পক্ষের সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপনে বিশ্বাস করি। তবে কেউ ভুলে যাবেন না, ব্রাজিলের একমাত্র মালিক হলো ব্রাজিলিয়ান জনগণ।’
উল্লেখ্য, ২০২২-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী লুলার কাছে পরাজিত হন ডানপন্থী বলসোনারো। ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি লুলার সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়। এই অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে বলসোনারোর জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে বলসোনারো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এর আগে সিএনএনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লুলা বলেছিলেন, ‘বলসোনারোর বিচার প্রক্রিয়া রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। ব্রাজিলের বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার বিভাগের ওপর আমার বা অন্য কারো কোনো প্রভাব নেই।’
চলতি মাসের ৬ তারিখ অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লুলা বলেন, ‘পৃথিবী বদলে গেছে। আমরা আর কোনো সম্রাট চাই না।’
তবে, ট্রাম্পের প্রতি কড়া সমালোচনা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্রাজিলে আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেন লুলা।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে