হোয়াইট হাউসের দাবি
স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিতে ৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই দাবি করেন।
ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতে পেরেছেন আজকে ৮০০ বিক্ষোভকারীকে ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের কথা ছিল। এছাড়া গতকালও তেমনটা ছিল। তবে সবগুলো দণ্ড কার্যকরই স্থগিত করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।
লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি শাসকদের কাছ থেকে বার্তা পেয়েছেন যে, ‘হত্যা এবং ফাঁসি’ বন্ধ করা হবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানি শাসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর দল বলেছে, যদি হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। প্রেসিডেন্ট এবং তার দল নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রেসিডেন্টের জন্য সব ধরনের বিকল্পই হাতে আছে।
তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের ওপর ভয়াবহরকম দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়া জানানোর বিষয়টি ট্রাম্প বাদ দেননি। বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন তীব্র হলে ইরানের ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক হোয়াইট হাউস।

এর আগে, ইরানে চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ নেওয়ার বারবার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
এদিকে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সহযোগী শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন এবং গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে রাস্তায় নামে। প্রথমে এটি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট থাকলেও ধীরে ধীরে তাতে নানান শ্রেণি পেশার ইরানিরা যোগ দেয়। এক সময় তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয় এবং তীব্র আকার ধারণ করে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল ও ল্যান্ডফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিতে ৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই দাবি করেন।
ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতে পেরেছেন আজকে ৮০০ বিক্ষোভকারীকে ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের কথা ছিল। এছাড়া গতকালও তেমনটা ছিল। তবে সবগুলো দণ্ড কার্যকরই স্থগিত করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।
লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি শাসকদের কাছ থেকে বার্তা পেয়েছেন যে, ‘হত্যা এবং ফাঁসি’ বন্ধ করা হবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানি শাসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর দল বলেছে, যদি হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। প্রেসিডেন্ট এবং তার দল নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রেসিডেন্টের জন্য সব ধরনের বিকল্পই হাতে আছে।
তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের ওপর ভয়াবহরকম দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়া জানানোর বিষয়টি ট্রাম্প বাদ দেননি। বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন তীব্র হলে ইরানের ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক হোয়াইট হাউস।

এর আগে, ইরানে চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ নেওয়ার বারবার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
এদিকে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সহযোগী শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন এবং গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে রাস্তায় নামে। প্রথমে এটি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট থাকলেও ধীরে ধীরে তাতে নানান শ্রেণি পেশার ইরানিরা যোগ দেয়। এক সময় তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয় এবং তীব্র আকার ধারণ করে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল ও ল্যান্ডফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করে।

গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছেছে ইউরোপের সাতটি দেশের সেনারা। ‘তথাকথিত’ যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ হিসেবে দেশগুলোরে সেনারা দেশটির রাজধানী নুকে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সর্বশেষ দল হিসেবে ফ্রান্সের ১৫ সদস্যদের একটি ছোট সেনাবহর সেখানে পৌঁছায়।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সহযোগী শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
৪ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও আইসিই এজেন্টদের উপস্থিতির প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী নামানোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) তিনি ‘বিদ্রোহ দমন আইন’ জারির কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
১৭ ঘণ্টা আগে