স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যদি ওয়াশিংটন কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে; তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরানি ঊর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তেহরান ইতোমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তুরস্কসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছে।
তিনি বলেন, ‘তেহরান ওই দেশগুলোকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা চালায়; তবে ওই সব দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
এছাড়া উত্তেজনা বৃদ্ধির হওয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বর্তমানে স্থগিত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। আর আরাগচি আমিরাত ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আরাগচি আমিরাতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, অন্তত তিনজন মার্কিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমান ঘাঁটি কাতারের আল-উদেদ থেকে কিছু কর্মীকে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে।
তাঁরা জানান, বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে আল-উদেদ বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একজন কূটনীতিক অবশ্য একে কোনো ‘নির্দেশে সরিয়ে’ নেওয়া নয়, বরং ‘অবস্থান পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া, গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পাল্টা হিসেবে ওই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে ইরানের হামলা চালানোর ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সেখান থেকে বিপুল সংখ্যক সেনাকে পার্শ্ববর্তী ফুটবল স্টেডিয়াম এবং শপিং মলে সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার অবশ্য তেমন কোনো বড় আকারের সেনা সরানোর লক্ষণ দেখা যায়নি।
প্রসঙ্গত, কাতারের আল-উদেদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত বছরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনার এক পর্যায়ে এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান।
এদিকে, দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এছাড়া কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ সংক্রান্ত কোনো অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানি বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তবে হস্তক্ষেপের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসলেও ট্রাম্প এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এছাড়া সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয় তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুবই কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’
আর ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ধারণা, ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে কখন এবং কতটা জোরালো হবে এ পদক্ষেপ তা এখনো অস্পষ্ট।
উল্লেখ্য, একটি মানবাধিকার সংস্থার দাবি, ইরানে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী এই বিক্ষেভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ২,৬০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যদি ওয়াশিংটন কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে; তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরানি ঊর্ধ্বতন ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তেহরান ইতোমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তুরস্কসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছে।
তিনি বলেন, ‘তেহরান ওই দেশগুলোকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা চালায়; তবে ওই সব দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
এছাড়া উত্তেজনা বৃদ্ধির হওয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বর্তমানে স্থগিত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। আর আরাগচি আমিরাত ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আরাগচি আমিরাতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, অন্তত তিনজন মার্কিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমান ঘাঁটি কাতারের আল-উদেদ থেকে কিছু কর্মীকে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে।
তাঁরা জানান, বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে আল-উদেদ বিমান ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একজন কূটনীতিক অবশ্য একে কোনো ‘নির্দেশে সরিয়ে’ নেওয়া নয়, বরং ‘অবস্থান পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া, গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পাল্টা হিসেবে ওই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে ইরানের হামলা চালানোর ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সেখান থেকে বিপুল সংখ্যক সেনাকে পার্শ্ববর্তী ফুটবল স্টেডিয়াম এবং শপিং মলে সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার অবশ্য তেমন কোনো বড় আকারের সেনা সরানোর লক্ষণ দেখা যায়নি।
প্রসঙ্গত, কাতারের আল-উদেদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত বছরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনার এক পর্যায়ে এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান।
এদিকে, দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এছাড়া কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ সংক্রান্ত কোনো অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানি বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তবে হস্তক্ষেপের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসলেও ট্রাম্প এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এছাড়া সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয় তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুবই কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’
আর ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ধারণা, ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে কখন এবং কতটা জোরালো হবে এ পদক্ষেপ তা এখনো অস্পষ্ট।
উল্লেখ্য, একটি মানবাধিকার সংস্থার দাবি, ইরানে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী এই বিক্ষেভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ২,৬০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও শুল্ক আরোপের হুমকি সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে রাশিয়া।
১ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভে ইরান সরকার ব্যাপক দমন-পীড়ন চালিয়েছে এই অভিযোগে দেশটিতে হস্তক্ষেপ চালানোর কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ চালানো হবে এই ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট কোনো বার্তা দেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি’র কথা উল্লেখ করে দেশটিতে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারত। তেহরানস্থ ভারতীয় দূতাবাস এই আহ্বান জানায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইতোমধ্যে গভীর সংকটে থাকা ইরানের ওপর নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা দেওয়াকে ‘অমানবিক’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি তেহরানের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের ‘গভীর ঘৃণা ও বিদ্বেষের’ বহিঃপ্রকাশ।
৩ ঘণ্টা আগে