স্ট্রিম ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আবার নতুন করে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ৩৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আল জাজিরা।
ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় তাদের দুই সেনা নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, নতুন করে মানবিক সহায়তা প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই ঘোষণা বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি পক্ষের দাবি, হামাস বাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী নয়। সংগঠনটি বলছে, দক্ষিণ রাফাহ অঞ্চলে তাদের অবশিষ্ট ইউনিটগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তাই ওই এলাকায় ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনার দায় তারা নিচ্ছে না।
গাজাবাসীর মধ্যে যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। গাজা নগরের বাসিন্দা পাঁচ সন্তানের জনক মাহমুদ হাশিম বলেন, ‘যুদ্ধ ফিরে আসলে এটা হবে এক দুঃস্বপ্ন।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ মধ্যস্থতাকারীদের কাছে যুদ্ধবিরতি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
এরইমধ্যে ইসরায়েল হামাসের কাছে নিহত ২৮ বন্দির মৃতদেহ ফেরত চেয়েছে এবং জানিয়েছে, মিসরের সঙ্গে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং ‘পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত’ বন্ধ থাকবে।
দোহা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক নিদা ইব্রাহিম বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের জন্য খাদ্য ও মানবিক সহায়তাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ইসরায়েলের পুরোনো কৌশল। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার জন্যই এসব বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি করে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে চাইছেন।’
নিদা ইব্রাহিম আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং দুর্নীতির মামলায় রেহাই পাওয়ায় বেশি আগ্রহী। তিনি জানেন, জীবিত ২০ জন বন্দিকে ফেরত পেয়ে হামাস এখন দুর্বল অবস্থানে আছে। তাই অনেকেই আশঙ্কা করছেন, বন্দিদের ফেরত পাওয়ার পর নেতানিয়াহু আবারও হামলা শুরু করতে পারেন।’

গাজা উপত্যকায় আবার নতুন করে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ৩৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আল জাজিরা।
ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় তাদের দুই সেনা নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, নতুন করে মানবিক সহায়তা প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই ঘোষণা বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি পক্ষের দাবি, হামাস বাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী নয়। সংগঠনটি বলছে, দক্ষিণ রাফাহ অঞ্চলে তাদের অবশিষ্ট ইউনিটগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তাই ওই এলাকায় ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনার দায় তারা নিচ্ছে না।
গাজাবাসীর মধ্যে যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। গাজা নগরের বাসিন্দা পাঁচ সন্তানের জনক মাহমুদ হাশিম বলেন, ‘যুদ্ধ ফিরে আসলে এটা হবে এক দুঃস্বপ্ন।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ মধ্যস্থতাকারীদের কাছে যুদ্ধবিরতি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
এরইমধ্যে ইসরায়েল হামাসের কাছে নিহত ২৮ বন্দির মৃতদেহ ফেরত চেয়েছে এবং জানিয়েছে, মিসরের সঙ্গে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং ‘পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত’ বন্ধ থাকবে।
দোহা থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক নিদা ইব্রাহিম বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের জন্য খাদ্য ও মানবিক সহায়তাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ইসরায়েলের পুরোনো কৌশল। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার জন্যই এসব বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি করে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে চাইছেন।’
নিদা ইব্রাহিম আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং দুর্নীতির মামলায় রেহাই পাওয়ায় বেশি আগ্রহী। তিনি জানেন, জীবিত ২০ জন বন্দিকে ফেরত পেয়ে হামাস এখন দুর্বল অবস্থানে আছে। তাই অনেকেই আশঙ্কা করছেন, বন্দিদের ফেরত পাওয়ার পর নেতানিয়াহু আবারও হামলা শুরু করতে পারেন।’

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৩ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৫ ঘণ্টা আগে