স্ট্রিম ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের কারাগার থেকে প্রথম ধাপে মুক্তি পেয়েছেন ৮৮ জন ফিলিস্তিনি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মোট ১,৯০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পাবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) আল-জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ওফার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছানোর পর ফিলিস্তিনি বন্দিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে স্থানীয় জনতা।
আজ বিকেলে বন্দীদের বহনকারী বাসগুলো শহরে প্রবেশ করলে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। হামাসের হাতে থাকা জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর নির্মম নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাসিল ফাররাজ বলেছেন, ‘মুক্তি পেতে যাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের অবস্থা সম্ভবত ‘‘ভয়াবহ’’। কারণ ইসরায়েলি জেলে থাকা ফিলিস্তিনিরা সবচেয়ে ‘‘নির্মম ও সহিংস’’ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।’

ফাররাজ আল জাজিরাকে আরও বলেন, ‘আমরা জানি, ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে নিয়মিত এই নির্যাতন ও সহিংসতা চলে আসছে। কারাগারে বন্দীদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে এই নির্মম নির্যাতনের অভিযান চালানো হয়েছিল। তাঁদের ওপর নির্মমভাবে প্রহার করা হয়েছে। নির্যাতন ও অবমাননা করা হয়েছে। আমরা যৌন সহিংসতার ঘটনাও দেখেছি ও শুনেছি।’
ফাররাজ আরও বলেন, ‘ইসরায়েলি জেলে ফিলিস্তিনি বন্দীদের এই ধরনের দুর্দশা চলতেই থাকবে।’
তাঁর মতে, বন্দীদের মুক্তি হলেও অন্য যাঁরা ইসরায়েলি কারাগারে থেকে যাচ্ছেন, তাঁদের সংগ্রাম চলতেই থাকবে।
এদিকে, এই ঐতিহাসিক বন্দী বিনিময়ের মুহূর্তে ইসরায়েল পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যাত্রা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘যুদ্ধ শেষ হয়েছে’ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি সদ্য মুক্তি পাওয়া ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন এবং ইসরায়েলের সংসদ নেসেটে ভাষণ দেবেন। ট্রাম্পের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের কারাগার থেকে প্রথম ধাপে মুক্তি পেয়েছেন ৮৮ জন ফিলিস্তিনি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মোট ১,৯০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পাবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) আল-জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ওফার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছানোর পর ফিলিস্তিনি বন্দিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে স্থানীয় জনতা।
আজ বিকেলে বন্দীদের বহনকারী বাসগুলো শহরে প্রবেশ করলে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। হামাসের হাতে থাকা জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর নির্মম নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাসিল ফাররাজ বলেছেন, ‘মুক্তি পেতে যাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের অবস্থা সম্ভবত ‘‘ভয়াবহ’’। কারণ ইসরায়েলি জেলে থাকা ফিলিস্তিনিরা সবচেয়ে ‘‘নির্মম ও সহিংস’’ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।’

ফাররাজ আল জাজিরাকে আরও বলেন, ‘আমরা জানি, ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে নিয়মিত এই নির্যাতন ও সহিংসতা চলে আসছে। কারাগারে বন্দীদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে এই নির্মম নির্যাতনের অভিযান চালানো হয়েছিল। তাঁদের ওপর নির্মমভাবে প্রহার করা হয়েছে। নির্যাতন ও অবমাননা করা হয়েছে। আমরা যৌন সহিংসতার ঘটনাও দেখেছি ও শুনেছি।’
ফাররাজ আরও বলেন, ‘ইসরায়েলি জেলে ফিলিস্তিনি বন্দীদের এই ধরনের দুর্দশা চলতেই থাকবে।’
তাঁর মতে, বন্দীদের মুক্তি হলেও অন্য যাঁরা ইসরায়েলি কারাগারে থেকে যাচ্ছেন, তাঁদের সংগ্রাম চলতেই থাকবে।
এদিকে, এই ঐতিহাসিক বন্দী বিনিময়ের মুহূর্তে ইসরায়েল পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যাত্রা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘যুদ্ধ শেষ হয়েছে’ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি সদ্য মুক্তি পাওয়া ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন এবং ইসরায়েলের সংসদ নেসেটে ভাষণ দেবেন। ট্রাম্পের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৩ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৫ ঘণ্টা আগে