স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত যেকোনো ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
রোববার (স্থানীয় সময়) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফার অভিযান চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তেহরানের হামলার সক্ষমতা দুর্বল করা।
সেন্টকমের দাবি, শনিবার ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পর টানা তিন রাতে ইরানের তিন শতাধিক সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, নৌ-সক্ষমতা, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র ছিল।
সোমবার ভোরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস, সিরিক, কেশম দ্বীপ, জাস্ক, বুশেহর ও কানগান এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর দেয় দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। হরমুজগান প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় কোনো বেসামরিক হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের হাইমার্স ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির একটি কৌশলগত এফপিএস রাডারব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
একই সঙ্গে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার এবং মার্কিন ড্রোনের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানোরও দাবি করেছে আইআরজিসি। তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, বাহরাইন বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে হামলা চালাতে প্রতিবেশী কোনো দেশের ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করা হলে সেগুলোও ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাকে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের ‘চোখের বদলে চোখ’ অভিযানের তৃতীয় ধাপ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে তারা বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখতে দেওয়া হবে না।
তবে কুয়েতে হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ইরানি গণমাধ্যমের দাবি নাকচ করেছে সেন্টকম। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে কোনো মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হননি এবং সব সদস্য নিরাপদে রয়েছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স ও আনাদোলু

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত যেকোনো ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
রোববার (স্থানীয় সময়) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফার অভিযান চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তেহরানের হামলার সক্ষমতা দুর্বল করা।
সেন্টকমের দাবি, শনিবার ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পর টানা তিন রাতে ইরানের তিন শতাধিক সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, নৌ-সক্ষমতা, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র ছিল।
সোমবার ভোরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস, সিরিক, কেশম দ্বীপ, জাস্ক, বুশেহর ও কানগান এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর দেয় দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। হরমুজগান প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় কোনো বেসামরিক হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের হাইমার্স ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির একটি কৌশলগত এফপিএস রাডারব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
একই সঙ্গে বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার এবং মার্কিন ড্রোনের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানোরও দাবি করেছে আইআরজিসি। তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, বাহরাইন বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দেশটির বিরুদ্ধে হামলা চালাতে প্রতিবেশী কোনো দেশের ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করা হলে সেগুলোও ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাকে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের ‘চোখের বদলে চোখ’ অভিযানের তৃতীয় ধাপ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে তারা বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখতে দেওয়া হবে না।
তবে কুয়েতে হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ইরানি গণমাধ্যমের দাবি নাকচ করেছে সেন্টকম। তাদের দাবি, ওই অঞ্চলে কোনো মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হননি এবং সব সদস্য নিরাপদে রয়েছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স ও আনাদোলু
.png)

ইউরোপের দুটি দেশে অজ্ঞাতনামা ড্রোন দেখা যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বুলগেরিয়ায় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির ওপর দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটল।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় বিরল খনিজ স্ক্যান্ডিয়ামের একটি খনিতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘোষণা দেয়।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দিলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে এ কথা জানান তিনি। আরাঘচি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
বহু বছর পর অং সান সু চির ছবি প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। একইসঙ্গে তাঁকে একজন বিদেশি প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি জান্তার নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়, বরং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার কৌশলের অংশ।
৭ ঘণ্টা আগে