স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে এ সপ্তাহে তৃতীয় দফায় সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে ইরানের প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নৌযান থেকে উৎক্ষেপণ করা নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবহার করে এসব হামলা চালানো হয়। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার, যোগাযোগব্যবস্থা এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র।
সেন্টকমের দাবি, সপ্তাহজুড়ে তিন রাতের অভিযানে ৩০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা দুর্বল করা।
মার্কিন বাহিনীর দাবি, সামরিক অভিযান চললেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মে মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে, হরমুজ প্রণালিতে এমভি জিএফএস গ্যালাক্সি নামের একটি বাণিজ্যিক মালবাহী জাহাজে হামলার জন্য ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) দায়ী করে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটির একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ হন এবং জাহাজটির উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়।
তবে আইআরজিসির দাবি, জাহাজটি পথ পরিবর্তন না করায় তারা কেবল একটি ‘সতর্কতামূলক হামলা’ চালিয়েছিল।
এদিকে, হামলা শুরুর পর ইরান ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে চলা কূটনৈতিক আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।
তৃতীয় দফা হামলার পর ওমান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ওমানের দুকম বন্দরের মার্কিন স্থাপনাগুলো হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
কাতার ও বাহরাইন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমায় আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, একতরফা চুক্তির যুগ শেষ। আমরা আগেই বলেছিলাম, কথা রাখুন, না হলে এর মূল্য দিতে হবে। বাস্তবতা এখন দরজায় কড়া নাড়ছে।

ইরানের বিরুদ্ধে এ সপ্তাহে তৃতীয় দফায় সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে ইরানের প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নৌযান থেকে উৎক্ষেপণ করা নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবহার করে এসব হামলা চালানো হয়। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার, যোগাযোগব্যবস্থা এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র।
সেন্টকমের দাবি, সপ্তাহজুড়ে তিন রাতের অভিযানে ৩০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা দুর্বল করা।
মার্কিন বাহিনীর দাবি, সামরিক অভিযান চললেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মে মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে, হরমুজ প্রণালিতে এমভি জিএফএস গ্যালাক্সি নামের একটি বাণিজ্যিক মালবাহী জাহাজে হামলার জন্য ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) দায়ী করে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটির একজন বেসামরিক নাবিক নিখোঁজ হন এবং জাহাজটির উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়।
তবে আইআরজিসির দাবি, জাহাজটি পথ পরিবর্তন না করায় তারা কেবল একটি ‘সতর্কতামূলক হামলা’ চালিয়েছিল।
এদিকে, হামলা শুরুর পর ইরান ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে চলা কূটনৈতিক আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।
তৃতীয় দফা হামলার পর ওমান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ওমানের দুকম বন্দরের মার্কিন স্থাপনাগুলো হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
কাতার ও বাহরাইন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমায় আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, একতরফা চুক্তির যুগ শেষ। আমরা আগেই বলেছিলাম, কথা রাখুন, না হলে এর মূল্য দিতে হবে। বাস্তবতা এখন দরজায় কড়া নাড়ছে।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মারা গেছেন। শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
২ ঘণ্টা আগে
ওমানের দুকম বন্দরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরির লজিস্টিক সহায়তা কেন্দ্র ও জ্বালানি সরবরাহ প্ল্যাটফর্মে হামলার দাবি করেছে ইরান। একই সময়ে কুয়েত জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় আসা ‘ক্ষেপানাস্ত্র হামলা’ প্রতিহত করা হচ্ছে। অন্যদিকে কাতার ও বাহরাইন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। খবর আল জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) এক বিবৃতিতে কাতারের আমিরি দিওয়ান তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
৪ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা রো খান্নাকে অস্ত্রের মুখে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি দখলদারদের বিরুদ্ধে। শনিবার (১১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট দলের এই আইনপ্রণেতা। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
৭ ঘণ্টা আগে