স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এতে সংগঠনের ১৬ সদস্য ও অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করেন পরিদর্শক এবি সিদ্দিক।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, এফসিএসর প্রধান শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান, মো. বায়োজিত, তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না, আবু ওসামা ফয়সাল, ওয়ালিদ আব্দুল্লাহ ওরফে আবুল বাশার, মো. মাসুদ, এমডি ইব্রাহীম, মাহফুজুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মো. হেদায়েত, মো. রমজান ও মো. বিপ্লব।
আসামিদের মধ্যে প্রথম সাতজন গ্রেপ্তার। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু। তিনি আরও বলেন, মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররোজিম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া সব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার আসামিরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাদী এবি সিদ্দিক জানান, মামলার তদন্ত সংস্থাকে গ্রেপ্তার আসামি ও তাদের কাছ থেকে জব্দ বিভিন্ন আলামত হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলামতের বর্ণনায় বলা হয়েছে, আসামিদের কাছ থেকে ২০ ধরনের আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ৭টি মোবাইল ফোন, সাদা তার যুক্ত ১০টি থার্মাল ফিউস, সাদা-লাল তার যুক্ত ৮টি সার্কিট, কমলা রঙের প্লাস্টিকে মোড়ানো ১টি সোল্ডারিং অয়্যার (রাং), সবুজ রঙের শব্দ উৎপাদনকারী ৬টি পটকা, কানেক্টরযুক্ত নীল রঙের ২টি লিথিয়াম আয়ন রিচার্জেবল ব্যাটারি, বিভিন্ন আকারের গোলাকৃতি ১৮১টি লেদ বল, হলুদ, লাল ও কালো রঙের বাট যুক্ত ২টি প্লায়ার্স, ছোট ক্লিপ কাঁচি ১টি, স্ক্রু ড্রাইভার ৪টি, ইলেকট্রিক টোস্টার ১টি, লোহার হাঁতুড়ি ১টি, মেটাল শিট কাটার স্নাইফ ১টি, লোহার হাতলযুক্ত ২টি চাপাতি, দা ১টি, হেজ শিয়ার ১টি, কুঠার ১টি, স্টিলের পাইপ ১টি, লোহার শাবল ১টি ও ছুরি ১টি।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথম দফায় ছয় আসামি যৌথ জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে তাঁরা অনেক প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে যান। এই কারণে শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিমকে দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র, প্রচেষ্টা, সহায়তা ও সামাজিক মাধ্যমে কার্যক্রম প্রচারের অপরাধ করেছেন আসামিরা। ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম শরিয়া মতবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। আসামি শাহ আমানত সাবির সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম নামের ফেসবুক পেজ খুলে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অ্যাপসে গ্রুপ চ্যাট, পার্সোনাল চ্যাট ও চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে থাকেন সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান– তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না তাদের সংগঠনের অন্যতম সদস্য। তাঁর কাছে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ বিভিন্ন সদস্যদের নাম-ঠিকানা আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির মাধ্যমে মুসান্নার অবস্থান শনাক্ত করে যশোর জেলা ডিবি পুলিশের সহায়তায় তাঁকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মুসান্নার কাছ থেকে বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এতে সংগঠনের ১৬ সদস্য ও অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করেন পরিদর্শক এবি সিদ্দিক।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, এফসিএসর প্রধান শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান, মো. বায়োজিত, তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না, আবু ওসামা ফয়সাল, ওয়ালিদ আব্দুল্লাহ ওরফে আবুল বাশার, মো. মাসুদ, এমডি ইব্রাহীম, মাহফুজুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মো. হেদায়েত, মো. রমজান ও মো. বিপ্লব।
আসামিদের মধ্যে প্রথম সাতজন গ্রেপ্তার। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু। তিনি আরও বলেন, মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররোজিম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া সব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার আসামিরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাদী এবি সিদ্দিক জানান, মামলার তদন্ত সংস্থাকে গ্রেপ্তার আসামি ও তাদের কাছ থেকে জব্দ বিভিন্ন আলামত হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলামতের বর্ণনায় বলা হয়েছে, আসামিদের কাছ থেকে ২০ ধরনের আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ৭টি মোবাইল ফোন, সাদা তার যুক্ত ১০টি থার্মাল ফিউস, সাদা-লাল তার যুক্ত ৮টি সার্কিট, কমলা রঙের প্লাস্টিকে মোড়ানো ১টি সোল্ডারিং অয়্যার (রাং), সবুজ রঙের শব্দ উৎপাদনকারী ৬টি পটকা, কানেক্টরযুক্ত নীল রঙের ২টি লিথিয়াম আয়ন রিচার্জেবল ব্যাটারি, বিভিন্ন আকারের গোলাকৃতি ১৮১টি লেদ বল, হলুদ, লাল ও কালো রঙের বাট যুক্ত ২টি প্লায়ার্স, ছোট ক্লিপ কাঁচি ১টি, স্ক্রু ড্রাইভার ৪টি, ইলেকট্রিক টোস্টার ১টি, লোহার হাঁতুড়ি ১টি, মেটাল শিট কাটার স্নাইফ ১টি, লোহার হাতলযুক্ত ২টি চাপাতি, দা ১টি, হেজ শিয়ার ১টি, কুঠার ১টি, স্টিলের পাইপ ১টি, লোহার শাবল ১টি ও ছুরি ১টি।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথম দফায় ছয় আসামি যৌথ জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে তাঁরা অনেক প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে যান। এই কারণে শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিমকে দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র, প্রচেষ্টা, সহায়তা ও সামাজিক মাধ্যমে কার্যক্রম প্রচারের অপরাধ করেছেন আসামিরা। ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম শরিয়া মতবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। আসামি শাহ আমানত সাবির সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম নামের ফেসবুক পেজ খুলে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অ্যাপসে গ্রুপ চ্যাট, পার্সোনাল চ্যাট ও চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে থাকেন সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান– তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না তাদের সংগঠনের অন্যতম সদস্য। তাঁর কাছে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ বিভিন্ন সদস্যদের নাম-ঠিকানা আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির মাধ্যমে মুসান্নার অবস্থান শনাক্ত করে যশোর জেলা ডিবি পুলিশের সহায়তায় তাঁকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মুসান্নার কাছ থেকে বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
.png)

টানা বর্ষণে নাকাল দেশ। এর মধ্যে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় পানিবন্দি লাখো মানুষ। দুর্গতরা পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। আবার বন্যার পানির তোড়ে সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
১১ মিনিট আগে
দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে উৎসাহিত করতে মঙ্গলবার ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধন হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) হতে যাওয়া এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২৬ মিনিট আগে
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে চলতি মাসেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অন্তত ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এখন পর্যন্ত শুধু বাংলাদেশেই মারা গেছেন ৩৯ জন।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকার গণভোটের ফলাফল চুরি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুরের শপথ চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’য় এই মন্তব্য করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে